• ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

কলকাতা

কলকাতা

চিটফান্ড-কাণ্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের নজরে এবার পার্থ-মদন

এবার আইকোর মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠাল সিবিআই। আগামী সপ্তাহে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের মহাসচিবকে। জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ শুক্রবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহে কলকাতায় সিবিআইয়ের সদর দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আইকোর মামলার তদন্তে নেমে অনুকূল মাইতিকে জেরা করে একাধিক তথ্য পেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি এখনও কোনও নোটিস হাতে পাননি। অন্যদিকে, সারদা-কাণ্ডে এবার কামারহাটির তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রকে তলব করল ইডি। আগামী সপ্তাহে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আগামী ১৮ তারিখ সিজিও কমপ্লেক্সে দেখা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এবিষয়ে মদন মিত্রের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি জানিয়েছেন, এখনও কোনও নোটিস তাঁর কাছে পৌঁছয়নি। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ শুক্রবার বাঁকুড়ার তালডাংরার বিধায়ক সমীর চক্রবর্তীকে জেরা করছেন তদন্তকারীরা। দিন দুয়েক আগেই আইকোর মামলায় তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইঞাকে নোটিস পাঠায় সিবিআই। জিজ্ঞাসবাদের জন্য অতি শীঘ্রই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেই সময় সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছিল, আইকোরের একটি অনুষ্ঠানের ভিডিও কিছুদিন আগে প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দেখা গিয়েছিল মানস ভুঁইঞাকে। তিনি আইকোরের সমর্থনে একাধিক বক্তব্যও রেখেছিলেন। এছাড়াও আইকোর-কাণ্ডে একাধিক ব্যক্তিকে জেরা করায় উঠে আসে মানস ভুঁইঞার নাম। সেই কারণেই তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নেন তদন্তকারীরা। সেই সময়ই আরও একাধিক প্রভাবশালীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা।

মার্চ ১২, ২০২১
কলকাতা

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন মুখ্যমন্ত্রী

শুক্রবার সন্ধেয় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতাল থেকে হুইলচেয়ারে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠেন তিনি। ভোটের মুখে আগামী সপ্তাহ থেকে ফের দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেন তিনি। হুইলচেয়ারে বসেই প্রচার শুরু করতে পারেন তৃণমূল নেত্রী। আর সেই কারণে তাঁর জন্য তৈরি হয়েছে বিশেষ চটি। এদিন এসএসকেএমের মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়, চিকিৎসায় সাড়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অবস্থার উন্নতি হয়েছে। নতুন করে প্লাস্টার করা হয়েছে। পায়ের ফোলাভাব অনেকটা কমেছে। চিকিৎসকরা আরও ৪৮ ঘণ্টা রাখতে চেয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলায় ছুটি দেওয়া হচ্ছে। সাতদিন পর ফের তাঁর পরীক্ষা করা হবে। আপাতত বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে তাঁকে। হুইলচেয়ার ব্যবহার করতে হবে।ফিরহাদ হাকিম এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই বাড়ি ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে হুইলচেয়ারে বসার জন্য তাঁকে বিশেষ জুতো পরার পরামর্শ দেওয়া হলেও মুখ্যমন্ত্রী নাকি চপ্পলই পরতে চেয়েছিলেন। সেই কারণে তাঁর জন্য বিশেষ চটি তৈরি হয়েছে। আঘাত পাওয়া স্থানে যাতে যন্ত্রণা না হয়, সেভাবেই তৈরি এই চটি। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত দলের কর্মী-সমর্থকরা।

মার্চ ১২, ২০২১
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর আরোগ্য কামনায় টুইট রাজ্যপালের

এখনও হাসপাতালে ভর্তি নন্দীগ্রামে প্রচারে গিয়ে আহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনার দিনই মমতাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। যদিও সেদিন তাঁকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। তা সত্ত্বেও স্বাভাবিক সৌজন্যবোধ থেকে সরে আসেননি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। শুক্রবার সকালে টুইট করেও মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করলেন তিনি।Enquired about well being of Honble CM. Wished @MamataOfficial speedy recovery and return to normalcy.Democracy blossoms in peace and congenial environment. West Bengal stands out for its rich culture.Time for observance of calm and decorum. Appeal all to ensure harmony. Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) March 12, 2021আগের তুলনায় এদিন শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। এসএসকেএম সূত্রে খবর, রাতে ভাল ঘুম হয়েছে তাঁর। চিকিৎসায় সাড়াও দিচ্ছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতেই মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপারে খোঁজখবর নেন রাজ্যপাল। তারপরই তাঁর টুইট, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক পরিস্থিতির ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছি। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। শান্ত এবং অনুকূল পরিবেশেই গণতন্ত্র বিকশিত হয়। পশ্চিমবঙ্গ তাঁর সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত। সবাইকে এই সময় শান্ত থাকতে হবে। সম্প্রীতি রক্ষার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানাচ্ছি। বুধবার সন্ধেয় মুখ্যমন্ত্রীকে এসএসকেএমে দেখতে গিয়ে প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে। সেসময় হাসপাতালের সামনে উপস্থিত তৃণমূল সমর্থকরা তাঁকে উদ্দেশ্য করে গো ব্যাক স্লোগানও তুলতে থাকেন। এমনকী, মমতাকে দেখে বেরোনোর সময় কালো পতাকাও দেখানো হয় রাজ্যপালকে। পরিস্থিতি বেশ জটিলও হয়ে উঠেছিল। বিজেপির অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে থেকে রাজ্যপালের গাড়ি উদ্দেশ্য করে জুতোও নাকি ছোঁড়া হয়। শেষপর্যন্ত অবশ্য রাজ্যপালের কনভয়কে নিরাপদে সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসেন পুলিশ আধিকারিকরা।

মার্চ ১২, ২০২১
কলকাতা

সস্ত্রীক করোনা টিকা নিলেন রাজ্যপাল

মহামারির বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয় করতে করোনা প্রতিষেধক নিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং তাঁর স্ত্রী। বৃহস্পতিবার বেলা প্রায় সাড়ে ১১টা নাগাদ স্ত্রীকে নিয়ে তিনি পৌঁছে যান আলিপুর কম্যানন্ড হাসপাতালে। সেখানেই করোনা টিকা নেন জগদীপ ধনখড়। তাঁর স্ত্রী সুদেশ ধনখড়কেও কোভিড টিকা দেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। পরে টুইট করে নিজেদের সেই টিকাগ্রহণের খবর জানান ধনখড়।গত বছরের প্রথম দিকে বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি থাবা বসানোর পরই মারণ ভাইরাস বধে প্রতিষেধক তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। সেদিক থেকে প্রথম বিশ্বের দু-একটি দেশের পাশাপাশি ভারতও সেই গবেষণায় প্রভূত সাফল্য অর্জন করেছে। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় দেশীয় প্রযুক্তিতে পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি হয়েছে করোনা টিকা কোভিশিল্ড। পাশাপাশি, ভারত বায়োটেক তৈরি করে ফেলেছে কোভ্যাক্সিন। নতুন বছরের শুরুতে এই জোড়া প্রতিষেধকেই দেশজুড়ে চলছে টিকাকরণ। সম্প্রতি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেই কোভ্যাক্সিন নিয়ে দেশবাসীর আশা, ভরসা আরও বাড়িয়েছেন। ভ্যাকসিন নিয়েছেন রাষ্ট্রপতিও। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন বাংলার সাংবিধানিক প্রধান জগদীপ ধনখড়।বৃহস্পতিবার বেশ হাসি মুখেই তাঁকে করোনার টিকা নিতে দেখা গেল। বেশ নিশ্চিন্ত বোধ করেন তিনি। টিকাগ্রহণের পর আলিপুর কম্যান্ড হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ধনখড় বলেন, করোনাযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা বিশ্বের প্রশংসা অর্জন করেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশ এখন ভ্যাকসিনের জন্য ভারতের মুখাপেক্ষী। এই অবস্থায় আমি দেশের তৈরি ভ্যাকসিন গ্রহণ করে গর্বিত। স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসক-সহ সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাজ্যপাল। প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত করোনা টিকা নেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, আগে যাদের প্রয়োজন, তাঁরা নিক ভ্যাকসিন। সকলের প্রয়োজন মিটলে তবে আমি নেওয়ার কথা ভাবব।

মার্চ ১১, ২০২১
কলকাতা

হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

পায়ে চোট, প্লাস্টার, মারাত্মক যন্ত্রণা, রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কম। কথা বলতেও কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু সেসব সহ্য করেও হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই অনুগামীদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুরে এসএসকেএম থেকে তিনি যন্ত্রণাক্লিষ্ট গলায় বললেন, পায়ে ব্যথা আছে। মাথায়ও যন্ত্রণা। কাল খুব লেগেছিল। আমি প্রণাম করার সময়ে ভিড়ে ধাক্কাধাক্কিতে আমার চোট লাগে। কদিন হয়ত হুইল চেয়ারে ঘুরব। হুইল চেয়ারে বসেই কর্মসূচিতে থাকব। আপানারা সংযত থাকুন, শান্ত থাকুন।বুধবার নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেশ করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর মন্দিরে ঘোরার সময় বিরুলিয়ার কাছে ধাক্কাধাক্কিতে তাঁর পায়ে মারাত্মক চোট লাগে। গাড়িতে উঠে আর বসে থাকতে পারেননি তিনি। অসহ্য যন্ত্রণায় ভেঙে পড়েন, বমিও হয় মুখ্যমন্ত্রীর। এমন বিপদ দেখে গ্রিন করিডর করে নন্দীগ্রাম থেকে তাঁকে সোজা নিয়ে আসা হয় কলকাতায়। এসএসকেএমে ভরতি হন তিনি। ৯ সদস্যের মেডিক্যাল টিম তৈরি করে শুরু হয় রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের চিকিৎসা। তাঁর বাঁ পায়ের গোড়ালিতে প্লাস্টার হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ করে চিকিৎসকরা জানান যে মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও তাঁর যন্ত্রণা রয়েছে। রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কম। মুখ্যমন্ত্রীর এহেন দুর্ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছিল। বুধবার রাতের পর এদিন সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ শুরু করেন তৃণমূল কর্মী, সমর্থকরা। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই শান্তির আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। কতটা আহত, তা বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, কয়েকদিন হয়ত হুইল চেয়ারে ঘুরতে হবে। তবে আপনারা সংযত থাকুন। শান্ত থাকুন।

মার্চ ১১, ২০২১
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে এসএসকেএম-এ শমীক, তথাগত

এসএসকেএম-এ দেখতে এসেছিলেন তথাগত রায় ও শমীক ভট্টাচার্য। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হয়নি বিজেপি নেতৃত্বের। তথাগত রায় বললেন, সৌজন্যের খাতিরেই দেখতে এসেছিলাম। যদিও তাঁর সাথে দেখা হয়নি। দেখা হলে ভালো লাগত। তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন, এটাই চাই।এদিকে মমতা ব্যানার্জিকে কারা আক্রমণ করলেন? তদন্ত করে দোষীদের বার করুক পুলিশ। নন্দীগ্রাম থানায় এফআইআর করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইলেকশন এজেন্ট শেখ সুফিয়ান। আজ বিরুলিয়া বাজারে ঘটনাস্থলে যান ডিএম ও এসপি-ও। তাঁরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। তাঁরা বেরিয়ে যাওয়ার পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিরুলিয়া বাজার। তৃণমূল-বিজেপি দুপক্ষের মধ্যে বচসা বেঁধে যায়। রাস্তা অবরোধ করা হয়। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। মমতার চোট নিয়ে শিশির অধিকারী বলেন, রাস্তার ধারে খুঁটিতে লেগেই বিপত্তি। নন্দীগ্রামের মানুষ ষড়যন্ত্র জানে না। নন্দীগ্রামের মানুষ আন্দোলন করতে জানেন। নিরাপত্তারক্ষীদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। দ্রুত সুস্থ হয়ে তিনি আবার নন্দীগ্রামে আসুন। এদিন বিরুলিয়া বাজারের ঘটনাস্থলে যান নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।

মার্চ ১১, ২০২১
কলকাতা

শ্বাসকষ্ট, বাঁ-পায়ের গোড়ালিতে চোট, ২-৩ দিন পর্যবেক্ষণে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ পুরোপুরি কাটছে না। নন্দীগ্রামে আঘাত পাওয়ার পর গতকাল রাত থেকেই এসএসকেএমের উডবার্ন বিভাগে ভর্তি মুখ্যমন্ত্রী। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, মমতার বাঁ-পায়ের গোড়ালি ও পায়ের পাতার হাড়ে চিড় ধরেছে। ওই পায়ের পেশিতেও চোট লেগেছে। মুখ্যমন্ত্রীর বাঁ পা ফুলে রয়েছে। গতকাল রাতে এমআরআইয়ের পর পায়ে টেম্পোরারি প্লাস্টার করা হয়েছে। শুরু হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক। পায়ের ফোলা ভাব কমলে আজ প্লাস্টার করা হতে পারে। আঘাত লেগেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডান কাঁধ ও কনুইয়ে। চোট রয়েছে ঘাড়েও।গতকাল রাতে এসএসকেএমে আনার পর প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যথা কমানোর ওষুধ দেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক। এমআরআইয়ের জন্য রাতেই অ্যাম্বুল্যান্সে করে বাঙ্গুর নিউরো সায়েন্সে নিয়ে যেতে হয় মমতাকে। সেখান থেকে গভীর রাতে তিনি ফেরেন এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ইসিজি রিপোর্ট সন্তোষজনক হলেও, বুকে ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের কথা চিকিৎসকদের জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুকে ব্যথার কারণ আঘাতজনিত কারণে নাকি অন্য কারণে জানতে সিটি স্ক্যান করা হবে মমতার। এছাড়া, আজ আবার করা হবে ইসিজি। করা হতে পারে ইকোকার্ডিওগ্রামও।হাসপাতাল সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর রক্তের একাধিক রুটিন পরীক্ষা করা হবে। তাঁকে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকেরা। আজ আবার মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা তাঁকে পরীক্ষা করবেন। মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ৯ সদস্যের দল গঠিত হয়েছে। এসএসকেএমের অধ্যক্ষ মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও তিন বিভাগীয় প্রধান ও আরও পাঁচ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন মেডিক্যাল বোর্ডে। রাখা হয়েছে অর্থোপেডিক, নিউরো মেডিসিন, নিউরো সার্জারি, কার্ডিওলজি, জেনারেল সার্জারি, এন্ডোক্রিনোলজি, জেনারেল মেডিসিন এবং অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগের বিশেষজ্ঞদের। আজ দিনভর মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখবেন চিকিৎসকরা। করা হবে আরও বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা। তারপর পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।

মার্চ ১১, ২০২১
কলকাতা

গ্রিন করিডোর করে এসএসকেএম-এ আনা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে, কীভাবে এগোচ্ছে ঘটনাক্রম? জানুন

রাত ৮.৫০: নন্দীগ্রাম থেকে কলকাতায় পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাত ৮.৫৫: অ্যাম্বুল্যান্স থেকে স্ট্রেচারে করে উডবার্ন ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।রাত ৯.০০: চোট কতটা গুরুতর, দেখতে পায়ের এক্স-রে করছেন চিকিৎসকরা। রাত ৯.০৫: হাসপাতালের বাইরে মুখ্যমন্ত্রীর আরোগ্য কামনায় জড়ো হয়েছে বহু মানুষ।রাত ৯.০৭: হাসপাতালে এলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। হাসপাতালের বাইরে তৃণমূল সমর্থকরা স্লোগান দিচ্ছেন।রাত ৯.১৭: হাসপাতালের বাইরে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। রাত ৯.১৮: বর্ধমান, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুরের নানা জায়গায় বিক্ষোভ চলছে। রাত ৯.২০: হাসপাতালে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, সাধন পাণ্ডেরা। রাত ৯.২৫: নন্দীগ্রামে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদের নিউ ফরাক্কা ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে তৃনমুল প্রার্থী মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অবরোধ করে বিক্ষোভ।রাত ৯.২৭: এটা চক্রান্ত করে করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীকে মুখটা খুলতে দিন আমরা ভয়ঙ্কর আন্দোলনে নামব ওরা তখন বুঝতে পারবে। নির্বাচন কমিশন এর জন্য দায়ী। এটা বিজেপির চক্রান্ত। বাংলার মেয়েকে মারবে বাংলার মানুষ তা মেনে নেবে না। ভয়ঙ্কর আন্দোলন হবে। হুংকার অনুব্রত মণ্ডলের।রাত ৯.৩৩: মমতা চাইলে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হবে। জানাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।রাত ৯.৩৪: রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সিইও আরিজ আফতাবকে ফোন সুদীপ জৈনের। মমতার চোট প্রসঙ্গে জানতে চেয়েছে কমিশন। রাত ৯.৩৫: সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ অবরোধ করে বিক্ষোভ তৃণমূল সমর্থকদের। রাত ৯.৪৪: প্রবল যন্ত্রণা উপশম করতে অ্যানাস্থেশিয়া করা হল মুখ্যমন্ত্রীর। তাঁর শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাত ৯.৪৯: রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কনভয় লক্ষ্য করে জুতো ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ বিজেপির। জগদীপ ধনখড়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, স্লোগান।রাত ৯.৫০: চেতলায় রাস্তা অবরোধ। রাত ৯.৫৫: পুলিশ ঘিরে ধরে রাজ্যপালের কনভয় বের করল হাসপাতাল চত্বর থেকে।রাত ৯.৫৭: বৃহস্পতিবার রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের অবস্থান বিক্ষোভ, প্রতিবাদ মিছিল। গোটা ঘটনার কথা লিখিত আকারে নির্বাচন কমিশনে জমা করবে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। রাত ১০.০০: উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ।রাত ১০.০৪: মুখ্যমন্ত্রীর কাঁধে-কোমরে-মাথায় আঘাত লেগেছে মুখ্যমন্ত্রীর। রাতে হাসপাতালে থাকতে হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।রাত ১০.২৪: সিটি স্ক্যান করার ভাবনা। হতে পারে এমআরআই-ও। নিয়ে যাওয়া হয়েছে বাঙুরে। জানালেন চিকিৎসকরা।

মার্চ ১০, ২০২১
কলকাতা

রাতে হাসপাতালেই থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী

নন্দীগ্রাম থেকে কলকাতায় ফিরেই সোজা এসএসকেএম হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর জন্য ইতিমধ্যেই এসএসকেএমের ট্রমা কেয়ার এবং উডবার্ন ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে ৪ সদস্যের মেডিক্যাল টিম। যাতে রয়েছে তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেনও। সতর্ক করা হয়েছে প্রথম সারির চিকিৎসকদের। প্রস্তত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিকিৎসাকর্মীদেরও। প্রথমে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে তাঁর পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে। তারপর সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবেন চিকিৎসরা। প্রয়োজনে রাতে তাঁকে উডবার্ন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা করানো হতে পারে মুখ্যমন্ত্রীর। মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার যাতে কোনও রকম খামতি না থাকে তা নিশ্চিত করতে সবরকম বন্দোবস্ত করে রাখছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মুখ্যমন্ত্রীর চোট কতটা গুরুতর, তা খতিয়ে দেখেই শুরু হয়ে যাবে চিকিৎসা। তাঁর চিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যেই হাসপাতাল চত্বর নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আসার পর তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা তাঁকে দেখতে যেতে পারেন বলে সূত্রের খবর। এসএসকেএম হাসপাতালে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূল যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের শাসক দলের বহু কর্মী-সমর্থক ইতিমধ্যেই এসএসকেএমে পৌঁছে গিয়েছেন। প্রসঙ্গত, আজ বিকেলে নন্দীগ্রামে ভোটপ্রচারে গিয়ে আহত হন মুখ্যমন্ত্রী। নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া গ্রামে তাঁর পায়ে চোট লাগে। মুখ্যমন্ত্রী নিজের কর্মসূচি বাতিল করে তড়িঘড়ি কলকাতায় আনা হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। শহরে ফিরেই সোজা এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়া হয় মমতাকে। সেখানে এই মুহূর্তে চিকিৎসা চলছে তাঁর।

মার্চ ১০, ২০২১
কলকাতা

নন্দীগ্রামে ‘চক্রান্তের শিকার’ মুখ্যমন্ত্রী, কটাক্ষ বিরোধীদের

নন্দীগ্রামে গিয়ে প্রচারে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মাথায়, কোমড়ে, পায়ে চোট লেগেছে। পুরো ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও তৃণমূল নেত্রীর সেই অভিযোগ মানতে নারাজ বিরোধীরা। পাল্টা বলছেন, সমবেদনা পাওয়ার জন্য নাটক করছেন মমতা। আহত হওয়া নেহাতই রাজনৈতিক ভণ্ডামি। তবে বিজেপি নেতারা, এই ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়েছেন। মনোনয়ন পেশের পর নন্দীগ্রামে একের পর এক মন্দিরে যাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আমজনতার সঙ্গে মিশে জনসংযোগও সারছিলেন তিনি। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। আচমকাই ধাক্কাধাক্কিতে পায়ে গুরুতর চোট পান মমতা। এই ঘটনার পিছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে সরব তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের অভিযোগ, এটা চক্রান্ত। বিরোধীদের পায়ের তলায় মাটি সরে যাচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রীর উপর আঘাত হানা হল। চরম নিন্দনীয় ঘটনা। মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সরাসরি অভিযোগ করেছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। তাঁর কথায়, বিজেপি এই ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রচারের প্রথমদিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝিয়ে দিয়েছিলেন নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁর সঙ্গেই রয়েছেন। তার পরই এই হামলা হল। তবে তৃণমূল নেতা-নেত্রীরা যতই বলুন, সে কথায় কান দিতে নারাজ বিরোধীরা। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের কথায়, উনি তো মুখ্যমন্ত্রী। জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পান। রাজ্যে আইন -শৃঙ্খলা তো তাঁর হাতেই। তিনি যদি এরকমভাবে আক্রান্ত হন, তাহলে রাজ্যবাসীর কী অবস্থা হবে? এর পরই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সিবিআই তদন্তের দাবি জানান। তাঁর কথায়, যাই হোক না কেন, তদন্তে করে দেখা হোক। মুখ্যমন্ত্রীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ খতিয়ে দেখুক নির্বাচন কমিশনও। বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় জানান, এই ঘটনায় রাজনীতি হওয়া উচিৎ নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর কোনও রাজনৈতিক দলের হামলা করার হিম্মত আছে কি না, তা জানা নেই। তবে উনি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন। সিবিআই তদন্ত হোক, দোষীদের শাস্তি পাওয়া উচিৎ। ওঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। অর্জুন সিংও এই ঘটনাকে নাটক বলে আখ্যা দিয়েছেন। ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর গলাতে। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগাগোড়া এমন নাটক করেন। এটা সমবেদনা পেতে রাজনৈতিক ভণ্ডামি। এদিকে নন্দীগ্রামে মমতার প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএম প্রার্থী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় নাটক করেন। এটা তাঁর আরও একটা নাটকই। একই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।

মার্চ ১০, ২০২১
কলকাতা

কয়লাকাণ্ড: সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ লালা

কয়লাকাণ্ডে এবার সুপ্রিম কোর্টে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছে সে। আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা।এখনও তার নাগাল পাননি তদন্তকারীরা। কয়লাকাণ্ডের তদন্তে কার্যত সিবিআইয়ের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা। তার বিরুদ্ধে যে এফআইআর দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা, সেই এফআইআর খারিজের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সে। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায় সিঙ্গল বেঞ্চ। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কয়লা কাণ্ডে তদন্ত চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবে সিবিআই । তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। তবে, যে জায়গা রেলের আওতাধীন নয়, সেখানে তল্লাশি করতে গেলে রাজ্যের অনুমতি বাধ্যতামূলক। যদিও রাজ্যের এক্তিয়ারভুক্ত এলাকায় থাকা কোনও ব্যক্তিকে যদি জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে সমন পাঠানোর জন্য অনুমতি নিতে হবে না।এদিকে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায়ের পর পাল্টা তৎপরতা শুরু হয় সিবিআই-র অন্দরেও। মামলা গডায় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে স্থগিতাদেশ জারি সিবিআইকে রাজ্যের এক্তিয়ারভুক্ত তল্লাশি অনুমতি দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা করল কয়লাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা। সঙ্গে তার বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজের আবেদনও।

মার্চ ১০, ২০২১
কলকাতা

রাজ্য পুলিশের ডিজিকে সরাল নির্বাচন কমিশন

বিধানসভা নির্বাচনের মুখে ফের রাজ্য পুলিশের শীর্ষ স্তরে রদবদল। এ বার সরানো হল রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্রকে। তাঁর জায়গায় আসছেন নীরজনয়ন পাণ্ডে। রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি নীরজনয়নের হাতে রাজ্য পুলিশের দায়িত্ব তুলে দিতে। একই সঙ্গে এ-ও বলা হয়েছে যে, নির্বাচনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত এমন কোনও পদে বীরেন্দ্রকে রাখা যাবে না। নবান্ন সূত্রে খবর, বুধবারই রাজ্য পুলিশের ডিজি পদে যোগ দিতে পারেন নীরজনয়ন। এক সময় সিবিআই-তে ছিলেন তিনি।বীরেন্দ্রর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীরা। তার পরেই কমিশনের এই পদক্ষেপ বলে মনে করছে তারা। প্রসঙ্গত, এর আগে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে থাকা জাভেদ শামিমকেও সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তাঁকে পাঠানো হয় দমকলের দায়িত্বে। আর যিনি দমকলের দায়িত্বে ছিলেন সেই জগমোহনকে আনা হয় এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা আধিকারিক হিসাবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন বীরেন্দ্র। পরে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ অবসর গ্রহণ করলে বীরেন্দ্রকে ডিজি পদে বসিয়ে, সুরজিৎকে রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা করা হয়।

মার্চ ০৯, ২০২১
কলকাতা

ঝলসে মৃত্যু রেলের আধিকারিক ও তাঁর রক্ষীর

স্ট্র্যান্ড রোডে পূর্ব রেলের কয়লাঘাট ভবনের অগ্নিকাণ্ডে পূর্ব রেলের সেই আধিকারিকের মৃতদেহ উদ্ধার হল ১২ তলা থেকে। ৩ তলায় অফিস ছিল। একটি লিফটের মধ্যে উদ্ধার হয় ডেপুটি চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম) পার্থসারথি মণ্ডল এবং তাঁর রক্ষী সঞ্জয় সাহানির দেহ। অন্য লিফ্টে মেলে ৪ দমকলকর্মী-সহ ৭ জনের দেহ।দমকলের তদন্তকারী অফিসারদের সূত্রে খবর, লিফটের মধ্যে আটকে ঝলসে, দমবন্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন ডেপুটি সিসিএম ও তাঁর রক্ষী। যদিও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ নিয়ে নিশ্চিত করে তাঁরা মন্তব্য করতে নারাজ। জানা গিয়েছে, ওই আধিকারিক বসতেন কয়লাঘাট ভবনের ৩ তলায়। তবে অফিসের কাজে সর্বত্রই যাতায়াত করেতে হত তাঁকে। হতে পারে সোমবার রাতে অগ্নিকাণ্ডের সময় কোনও কাজে ১২ তলায় গিয়েছিলেন তিনি। এটাও হতে পারে যে, আগুন লাগার আগে থেকেই তিনি অফিসের কাজে ১২ বা ১৩ তলায় ছিলেন। উপরে ওঠার সময় তিনি অগ্নিকাণ্ডের খবর জানতেন না, এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আগুন দেখে তাড়াহুড়ো করে লিফ্টে নামার চেষ্টা করেন। অথবা লিফ্টে উপরে ওঠার পর আর সেখান থেকে বেরোতেই পারেননি। যান্ত্রিক ত্রুটিতে বিকল হয়ে যায় লিফ্ট। ফলে লিফটের দরজাও খুলতে পারেননি। অবশেষে আগুনের করাল গ্রাসে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি ও অন্যান্যরা।

মার্চ ০৯, ২০২১
কলকাতা

অসহযোগিতার অভিযোগ ওড়াল রেল, তদন্ত কমিটি গঠন

কয়লাঘাটে পূর্ব রেলের ভবনে আগুনে ঝলসে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার রাতে ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে অভিযোগ করেছিলেন রেলওয়ে দপ্তর কোনও সহযোগিতা করেনি। এদিকে এই ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেল৷ টুইট করে রেলমন্ত্রী পিযুষ গোয়েল এই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসহযোগিতার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন রেলমন্ত্রী।সোমবার রাতেই স্ট্র্যান্ড রোডে বিধ্বংসী আগুনে ৯ জনের মৃত্যু হয়। দুটি লিফটে আগুনে ঝলসে গিয়ে দমবন্ধ হয়ে এই ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, আগুন নেভানোর কাজে রেলওয়ে দপ্তর কোনও সহযোগিতা করেনি। ঘটনাস্থলে রেলের কোনও কর্তা আসেননি। ওই ভবনের ম্যাপও দিতে পারেনি রেল। ম্যাপ মিললে আগুন নিয়ন্ত্রণ সহজ হত। ঘটনাস্থলে মোট ২৫টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। I salute the bravery of 3 Railway personnel, including RPF Constable Sanjay Sahni, Dy Chief Comm. Mgr. Partha Sarathi Mondal Sr Technician Sudip Das, along with 5 firefighters a police ASI, who laid down their lives to stop fire at Eastern Railways Strand road office, Kolkata Piyush Goyal (@PiyushGoyal) March 9, 2021এদিকে এই অগ্নিকাণ্ডে রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ সমন্বয় রেখে কাজ করেছে বলে টুইট করে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী পিযুষ গোয়েল। পাশাপাশি ৪ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের কথাও জানিয়েছেন তিনি।All possible assistance has been provided by the Railways to the State Govt during this unfortunate fire accident. A high level inquiry consisting of four Principal heads of Railway departments has been ordered to ascertain the cause of the fire. Piyush Goyal (@PiyushGoyal) March 8, 2021

মার্চ ০৯, ২০২১
কলকাতা

স্ট্র্যান্ড রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু ৯ জনের

স্ট্র্যান্ড রোডে রেলের নিউ কয়লাঘাট বিল্ডিংয়ের অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৪ জন দমকল কর্মী ১ জন আরপিএফ কর্মী এবং হেয়ার স্ট্রিট থানার এএসআই রয়েছেন। আর ১ জনের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। রাত সোয়া ১১টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ক্ষতিপূরণ ছাড়া মৃতদের পরিবার পিছু এক জনকে সরকারি চাকরিও দেওয়া হবে। তিনি জানান, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে আগুন লাগে ওই ভবনে। ১৪ তলা ভবনটির ১৩ তলায় প্রথমে আগুন লাগে বলে জানা গিয়েছে। আগুন ছড়িয়ে পড়ে ভবনের ১২ তলায়। সেখানে রেলের সার্ভার রুমটি ভস্মীভূত হয়েছে। এর ফলে উত্তর-পূর্ব ভারতে রেলের বুকিং ব্যবস্থা ব্যাপক ভাবে ব্যাহত হয়েছে। প্রায় ৫ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রথমে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পর ১৩ তলায় পৌঁছনর চেষ্টা করেন কয়েক জন দমকল কর্মী। কিন্তু ১২ তলায় পৌঁছে তাঁরা লিফট থেকে বেরনোর চেষ্টা করেন কিন্তু প্রচণ্ড তাপের ফলে তাঁরা ফিরে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু চারপাশের আগুনের তাপ ও বিষাক্ত গ্যাসে তাঁরা সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন বলে খবর। তার ফলেই তাঁদের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। আগুন লাগার খবর পেয়ে প্রথমেই দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। এতটা উঁচুতে আগুন লাগায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হাইড্রলিক ল্যাডার নিয়ে যাওয়া হয়। আশপাশের ভবনে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে তার চেষ্টা করেন দমকল কর্মীরা। নিরাপত্তার কারণে ওই ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। ভবনের কাছে আইসিইউ সুবিধা যুক্ত বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুল্যান্স তৈরি রাখা হয়েছে। উদ্ধার কাজে আলোর ব্যবস্থার জন্য কয়েকটি জেনারেটর আনা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের জেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই এলাকার মানুষ। স্ট্র্যান্ড রোডের একাংশ বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রশাসন এবং পুলিশ আধিকারিকরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যরা।

মার্চ ০৯, ২০২১
কলকাতা

দ্বিতীয়বার ইডির তলব কুণালকে

কুণাল ঘোষকে ফের তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সোমবার সারদা-কাণ্ডে কুণালকে জেরা করা হতে পারে বলে ইডি সূত্রে খবর। ইতিমধ্যেই কুণাল নথিপত্র নিয়ে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দপ্তরে হাজির হন।এর আগে ২ মার্চ তাঁকে তলব করা করেছিল ইডি। ওই দিন সারদা মামলা সংক্রান্ত বেশ কিছু নথি তিনি ইডি অফিসারদের কাছে জমা দিয়েছিলেন। তাঁকে জেরাও করা হয়। সোমবার ফের তাঁকে ইডি দপ্তরে হাজির হতে বলা হয়। কুণালের বয়ান রেকর্ড করা হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। ভোটের মুখে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণালকে বারবার তলব করায় এর নেপথ্যে রাজনৈতিক অভিসন্ধি রয়েছে বলে মনে করছেন দলের একাংশ। ইডি সূত্রে খবর, সারদা মামলায় আর্থিক তছরুপের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে ফের কুণালকে তলব করা হয়েছে।কুণাল বলেন, সহযোগিতা করছি। ২০১৩ সাল থেকে জেরা করা হচ্ছে আমাকে। আমি কিন্তু ক্লান্ত নই। নথিপত্র দিয়ে এসেছি। আমাকে যতবার ডাকা হবে, আমি যাব।

মার্চ ০৮, ২০২১
কলকাতা

নারী দিবসে রাজপথে মিছিল মমতার

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শহর ছাড়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজপথে নামছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার আন্তর্জাতিক নারী দিবস। শুক্রবার তৃণমূলের প্রার্থিতালিকা প্রকাশের দিনই তিনি জানিয়েছিলেন ৮ মার্চ নারী দিবস উপলক্ষে রাস্তায় হাঁটবেন। কলেজ স্ট্রিট থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল করবেন তিনি। প্রতি বছরই এই দিন মিছিল করেন তৃণমূল নেত্রী। তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোটের আগে এই মিছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।রাজ্যে নারীরা সুরক্ষিত নন, তৃণমূলের আমলে রাজ্যে নারীদের উপর অত্যাচার বেড়েছে নারী সুরক্ষা নিয়ে বার বারই বিজেপি-র তোপের মুখে পড়তে হয়েছে শাসক দলকে। রবিবার ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেও নারী সুরক্ষা নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনাচক্রে ব্রিগেড সমাবেশের পর দিনই নারী দিবস। তাই এই পালনের মধ্য দিয়ে মমতা গেরুয়া শিবিরকে পাল্টা বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। এটাও উল্লেখযোগ্য যে, এ বারের নির্বাচনে প্রার্থিতালিকায় ৫০ শতাংশ মহিলাকে রেখেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

মার্চ ০৮, ২০২১
কলকাতা

'আসল পরিবর্তন'-এর স্বপ্ন ফেরি করলেন মোদি

স্বাধীনতার পর গত ৭৫ বছরে বাংলা থেকে যা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে, তা ফিরিয়ে দেব। আমার কথা লিখে রাখুন! বক্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি। গোটা ভারত জানে, স্বপ্ন দেখাতে জানেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে এমন স্বপ্ন দেখিয়েই দেশের মানুষের মন জিতেছিলেন। তখনও তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। স্বপ্ন দেখানোর কারিগর সেই অস্ত্রেই দিল্লিতে ক্ষমতায় ফিরেছেন ২০১৯ সালে। আর ২০২১ সালে গঙ্গাপাড়ের নীলবাড়ি দখল করতে ব্রিগেড সমাবেশ থেকে স্বপ্ন ফেরি করলেন তিনি। ফিরিস্তি শোনালেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে কী কী করবে। যাকে তিনি নিজেই আখ্যা দিলেন আসল পরিবর্তন। মোদির অবশ্য তা জানার কোনও অবকাশ ছিল না। বস্তুত, সমাবেশের সাফল্যে খুশি মোদি ব্রিগেড সমাবেশের শেষে টুইট করেন, ধন্যবাদ কলকাতা, ধন্যবাদ বাংলা। রাজ্যবাসী বিজেপি-কেই চায়। ব্রিগেডের জমায়েত দেখে যে তিনি খুশি, তা রবিবার নিজের বক্তব্যেও বারবার বুঝিয়েছেন মোদি। আর সেই সঙ্গে ছুঁতে চেয়েছেন সেই ভিড়ের মন। ব্রিগেড ময়দানে থেকেই হোক বা না থেকে, তাঁর শ্রোতা যে গোটা বাংলা, তা বুঝে ভাষণ-কৌশলী মোদি দুই বাংলার কথাই বলেছেন। বলেছেন, উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ, পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে কোনও পার্থক্য করা হবে না। সবাই সমান গুরুত্ব পাবে। সবার কল্যাণ করাই হবে প্রশাসনের মূল মন্ত্র। কারও তোষণ হবে না। কেমন হবে বিজেপি-র বাংলা? নিজে প্রশ্ন তুলে নিজেই উত্তর দিয়েছেন মোদি, বাংলা চায় উন্নতি। বাংলা চায় শান্তি। বাংলা চায় প্রগতিশীল বাংলা। বাংলা চায় সোনার বাংলা। এর পরেই বলেন, এই ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড থেকে আমি বাংলার মানুষকে আসল পরিবর্তনের আশ্বাস দিতে চাই। বাংলার পুনর্নিমাণ হবে। বাংলার সংস্কৃতি রক্ষার, বিনিয়োগ বাড়ানোর, কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। কেন্দ্রে থেকেও তিনি যে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলার কথা ভাববেন, তা বোঝাতে মোদি বলেন, এখানকার ছেলেমেয়েদের জন্য, শিল্পের জন্য, বাংলার জন্য ২৪ ঘণ্টা লড়াই করব। প্রতি মুহূর্ত আপনাদের জন্য বাঁচব। শুধু ভোট নয়। প্রতিনিয়ত আপনাদের মন জয় করে চলতে চাই। তা করতে চাই প্রেম আর সমর্পণ দিয়ে। বাংলার মানুষের উপকার করাই বিজেপি-র কাছে সবচেয়ে জরুরি হবে।

মার্চ ০৭, ২০২১
কলকাতা

ভোর থেকেই ব্রিগেডমুখী মোদি-ভক্তরা

আজ যখন ব্রিগেড গ্রাউন্ডে মোদির ভাষণ, ঠিক তখনই শিলিগুড়িতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পেট্রোপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল করবেন তৃণমূল নেত্রী। আজ বিজেপির ব্রিগেড। প্রধান বক্তা নরেন্দ্র মোদি। শহরে প্রধানমন্ত্রী আসার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে।বিধানসভা ভোটের আগে ব্রিগেড চ্যালেঞ্জ বিজেপির । ব্রিগেড গ্রাউন্ড ভরাতে মরিয়া বিজেপি। রাত থেকেই হাওড়া, শিয়ালদা থেকে শহরমুখী বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। আজকের ব্রিগেড নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড। বিধানসভা নির্বাচনে এবার রাজ্যের মসনদ দখল পাখির চোখ বিজেপির। তাই ব্রিগেডে মোদি কী বার্তা দেন সেদিকে তাকিয়ে গোটা বাংলা। ব্রিগেড থেকেই নির্বাচনী প্রচারের সুর বেঁধে দেবেন মোদি, মনে করছেন বিজেপি নেতা-কর্মী থেকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও।

মার্চ ০৭, ২০২১
কলকাতা

আজ ব্রিগেডে অন্যকিছু হবে, কীসের ইঙ্গিত দিলেন মিঠুন

কথামতোই শনিবার রাতে কলকাতায় পৌঁছেছেন। এবং রবিবার ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মঞ্চে থাকবেন। জানিয়ে দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। বেলা ১২টা নাগাদ মিঠুন ব্রিগেডে পৌঁছবেন। তার আগে তিনি বলেছেন, ব্রিগেডে কিছু তো একটা হবে! তাঁর এমন মন্তব্য কী প্রত্যক্ষ ভাবে বিজেপি-তে যোগ? নাকি নিছকই বিজেপি-র হয়ে ভোটে প্রচার? তা এখনও পর্যন্ত খোলসা করেননি মহাগুরু। তবে রবিবার সকালে জানা গিয়েছে, অক্ষয় কুমার ব্রিগেডে আসছেন না। বাস্তবে কিন্তু জমি মেপেই এগোচ্ছেন মিঠুন। বাম-তৃণমূল হয়ে সাময়িক বিরতি নিয়েছিলেন। এ বার বিজেপি-র হাত ধরে রাজনীতিতে নতুন ইনিংস খেলতে তৈরি তিনি। প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সভার আগে কলকাতায় পা রেখে অন্তত তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন মিঠুন। ব্রিগেডের মাঠে অন্যকিছু ঘটতে পারে বলে আগাম জানিয়ে রেখেছেন তিনি। সেই অন্যকিছু যে কী, তা নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি বিজেপি নেতৃত্ব। শনিবার প্রায় মধ্যরাতে কলকাতায় নামেন মিঠুন। বিমানবন্দরেই তিনি জানান, রবিবার ব্রিগেডে থাকছেন। তিনি বলেন, বারাণসী হয়ে বিমান এল বলে দেরি হল। কাল ১২টায় ব্রিগেডে দেখা হচ্ছে। এর আগে সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎকে আধ্যাত্মিক যোগ বলে বর্ণনা করলেও অতঃপর বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা বা ব্রিগেডে মোদির পাশে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দেবেন কিনা জানতে চাইলে মিঠুন ইঙ্গিতপূর্ণ গলায় বলেন, অন্যকিছুও তো হতে পারে! সময় এলেই জানতে পারবেন। কী হতে পারে তা বলব না। তবে কিছু তো হবেই। জানতে পারবেন। রাতেই মিঠুনের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। দুজনের সাক্ষাতের ছবিও টুইট করেছেন কৈলাস। সঙ্গে লিখেছেন, গভীর রাতে কলকাতার বেলগাছিয়ায় অভিনেতা মিঠুনদার সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা ল। ওঁর দেশভক্তি এবং গরিব মানুষের প্রতি ওঁর ভালবাসা আমার ছুঁয়ে গিয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 58
  • ...
  • 76
  • 77
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিমানে উঠতেই মহুয়ার দিকে ‘চোর’ স্লোগান! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল শোরগোল

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জায়গায় জনরোষের মুখে পড়ছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এর আগে গণনাকেন্দ্রে অভিনেতা-পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর দিকে কাদা ছোড়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। অভিনেতা দেবকেও প্রকাশ্যে চোর স্লোগানের মুখে পড়তে হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র।শুক্রবার দিল্লিগামী বিমানে উঠেছিলেন মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, তাঁকে দেখামাত্রই কয়েকজন সহযাত্রী আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং স্লোগান দিতে শুরু করেন। বিমানের ভিতরেই ওঠে, পিসি চোর, ভাইপো চোর, তৃণমূলের সব চোর স্লোগান। আচমকা এমন পরিস্থিতিতে অস্বস্তিতে পড়ে যান তৃণমূল সাংসদ। তিনি নিজের আসনে বসে পড়েন। পরে বিমানকর্মীরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই দলের একাধিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে প্রকাশ্যে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, অভিনেতা দেব কার্যত টি-শার্ট দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছেন। সেই ঘটনার পর এবার মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে নতুন ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ইতিমধ্যেই বিমানের ভিতরের সেই ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ভোটের ফলের পর কি রাজ্যে জনরোষ আরও বাড়ছে? যদিও এই ঘটনা নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি মহুয়া মৈত্র।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি রাজ্যের! টাটাদের ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি পেল রাজ্য। টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের বেঞ্চ আগামী আট সপ্তাহের জন্য এই স্থগিতাদেশ জারি করেছে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে রাজ্য সরকারকে ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি জমা দিতে হবে।সিঙ্গুরে কারখানা তৈরি না করতে পারার কারণে টাটা মোটরসকে এই বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সালিশি আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই তৎকালীন তৃণমূল সরকার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল।জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে তিন সদস্যের সালিশি ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেয়, পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমকে টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শুধু তাই নয়, ২০১১ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে টাকা মেটানো পর্যন্ত বছরে ১১ শতাংশ হারে সুদ এবং মামলার খরচ বাবদ আরও ১ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৩১ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট সিঙ্গুরে টাটাদের জন্য অধিগৃহীত ৯৯৭ একর জমিকে অবৈধ ঘোষণা করে। আদালতের নির্দেশে কৃষকদের জমি ফেরানোর কাজ শুরু করেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার। যদিও বহু কৃষকের অভিযোগ ছিল, জমি ফেরত পেলেও তা চাষের উপযুক্ত অবস্থায় ছিল না।২০০৬ সালে টাটা গোষ্ঠীর ন্যানো প্রকল্পের জন্য সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু জমি আন্দোলন এবং রাজনৈতিক সংঘাতের জেরে ২০০৮ সালে রতন টাটা সিঙ্গুর থেকে কারখানা সরিয়ে গুজরাটের সানন্দে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে তৃণমূল সরকার সিঙ্গুর জমি পুনর্বাসন ও উন্নয়ন আইন পাশ করে জমি ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে।সিঙ্গুর মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের এই নতুন সিদ্ধান্ত ঘিরে ফের রাজনৈতিক এবং শিল্প মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় কি সত্যিই বন্ধ হচ্ছে মদ? অমিত শাহকে ঘিরে ভাইরাল পোস্টে তুমুল চাঞ্চল্য!

বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জল্পনা ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে বিজেপি। আর তার মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি পোস্ট, যেখানে দাবি করা হয়েছে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মদ বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে। দাবি করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাকি এমন ঘোষণা করেছেন।ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের নামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে লেখা রয়েছে, পশ্চিমবঙ্গকে ড্রাই স্টেট ঘোষণা করা হবে। অর্থাৎ রাজ্যে আর কোথাও মদ বিক্রি করা যাবে না। এই পোস্ট সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়ে যায় তুমুল চর্চা। অনেকে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, তাহলে কি সত্যিই বিহারের মতো বাংলাতেও মদ নিষিদ্ধ হতে চলেছে? কেউ আবার দাবি করেন, বিজেপি সরকার এলে মাছ-মাংসের পাশাপাশি মদের উপরও নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।তবে এই ভাইরাল দাবির সত্যতা সামনে আনল প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা পিআইবি। কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, অমিত শাহ এমন কোনও ঘোষণা করেননি। পশ্চিমবঙ্গে মদ নিষিদ্ধ করার কোনও পরিকল্পনাও নেই। ভাইরাল হওয়া ছবিটি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।পিআইবি জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই ধরনের ভুয়ো খবর সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তাই কোনও খবর যাচাই না করে বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, ভুয়ো খবর বা বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেখলে সরকারি মাধ্যমে অভিযোগ জানানো যেতে পারে।রাজ্যে সরকার গঠনের আগেই এই ভুয়ো পোস্ট ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে মদ নিষিদ্ধের মতো স্পর্শকাতর বিষয়কে কেন্দ্র করে হঠাৎ এমন খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে কেন্দ্রের স্পষ্ট বার্তার পর আপাতত এই জল্পনায় জল পড়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘আমি না জিতলে হয়তো চন্দ্রনাথ বাঁচত!’ বিস্ফোরক শুভেন্দু, কাঁপছে বাংলা রাজনীতি

নতুন সরকার গঠনের আবহের মধ্যেই ফের ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। ফল প্রকাশের মাত্র দুদিনের মাথায় খুন হলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের রাস্তায় তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। নিজের দীর্ঘদিনের সহকর্মীর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।বৃহস্পতিবার চন্দ্রনাথের দেহ কলকাতা থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে নিয়ে যাওয়ার সময় আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, আমি ভবানীপুরে না জিতলে হয়তো চন্দ্রনাথকে খুন হতে হতো না। আমি বিরোধী দলনেতা ছিলাম বলেই আমার পিএ হিসেবেও ও টার্গেট হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, এই খুনের ঘটনায় চার্জশিট জমা পড়বে এবং দোষীরা কঠোর শাস্তি পাবে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত প্রায় দশটা পনেরো নাগাদ মধ্যমগ্রামে নিজের ফ্ল্যাটের দিকে যাচ্ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। সেই সময় একটি চারচাকা গাড়ি এসে তাঁর গাড়ির পথ আটকে দেয়। এরপর বাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি চালায়। গাড়িতে চালকের পাশাপাশি পিছনের সিটে আরও একজন ছিলেন। হামলার সময় তিনি সিটের নীচে লুকিয়ে পড়ায় প্রাণে বেঁচে যান বলে জানা গিয়েছে।গুলিতে গুরুতর জখম হন চন্দ্রনাথ এবং তাঁর গাড়ির চালক। দ্রুত তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা চন্দ্রনাথ রথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত চালককে পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখনও তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর।এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই খুনের ঘটনায় সিআইডি তদন্ত শুরু করেছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই হামলা কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

নাটকীয় মোড় বাংলার রাজনীতিতে! সংবিধানের ক্ষমতা প্রয়োগ করে বিধানসভা ভাঙলেন রাজ্যপাল

নতুন সরকার গঠনের আর মাত্র দুদিন বাকি। তার আগেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় মোড়। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্তফা না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল রবি নারায়ণ রবি। বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।রাজভবন সূত্রে খবর, ভারতীয় সংবিধানের একশো চুয়াত্তর নম্বর অনুচ্ছেদের দুই নম্বর দফার খ উপদফা অনুযায়ী রাজ্যপাল এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা বিবৃতি জারি করে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের সপ্তদশ বিধানসভার কার্যকালের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে। এর ফলে অষ্টাদশ বিধানসভা গঠনের পথ সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে গেল।রাজনৈতিক মহলে গত কয়েক দিন ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা নিয়ে জোর চর্চা চলছিল। নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে তিনি সরেননি। এর আগেও এই প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা বলেছিলেন, আমরা হারিনি। আমাদের একশো আসন লুঠ করা হয়েছে। সেই কারণেই তিনি পদত্যাগ করতে নারাজ বলেও স্পষ্ট জানিয়েছিলেন।এদিকে শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন ব্রিগেডে হতে চলেছে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। নতুন সরকারকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে এসপিজি, কলকাতা পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। ব্রিগেড চত্বর ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ খুনে বিস্ফোরক মোড়! সিবিআই তদন্তের দাবি তুলল তৃণমূল

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের তরফে সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করে চন্দ্রনাথ রথের হত্যার পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত তিন তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে।অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের বার্তায় বলা হয়েছে, মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথ রথের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, আদর্শ আচরণ বিধি চালু থাকা সত্ত্বেও গত কয়েক দিনে বিজেপি সমর্থিত দুষ্কৃতীদের হাতে তিনজন তৃণমূল কর্মী নিহত হয়েছেন। ঘটনায় আদালতের তত্ত্বাবধানে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে শাসকদল। দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়া এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বাইকে করে এসে দুই দুষ্কৃতী শুভেন্দুর আপ্তসহায়কের গাড়ির পথ আটকায়। এরপর খুব কাছ থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হামলাকারীদের বাইকে কোনও নম্বর প্লেট ছিল না। চন্দ্রনাথ রথের বুকে, পেটে এবং মাথায় গুলি লাগে। ঘটনায় আহত হন তাঁর গাড়ির চালকও।গুরুতর আহত অবস্থায় চন্দ্রনাথকে দ্রুত মধ্যমগ্রামের ভিভা সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত চালককে পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালের সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। সেখানে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিং, কৌস্তভ বাগচী-সহ একাধিক বিজেপি নেতা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই খুনের পিছনে রয়েছে।এদিকে ব্যারাকপুরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী বলেন, এই ঘটনার ফল তৃণমূলকে ভুগতে হবে। তাঁর অভিযোগ, পুরো ঘটনাই পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার না করা হলে চন্দ্রনাথের দেহ দাহ করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে’! চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। বৃহস্পতিবার হাসপাতালে পৌঁছে এই ঘটনাকে ঠান্ডা মাথায় খুন বলে দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, পুরো ঘটনাটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করে ঘটানো হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।চন্দ্রনাথ রথ দীর্ঘদিন ধরে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। গত প্রায় এক দশক ধরে রাজনৈতিক সফর থেকে সাংগঠনিক কাজ সবক্ষেত্রেই শুভেন্দুর ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার গভীর রাতে উত্তর চব্বিশ পরগনার মধ্যমগ্রামে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বাইক এবং গাড়িতে করে আসা একদল দুষ্কৃতী চন্দ্রনাথের স্করপিও গাড়ির পথ আটকায়। তারপর খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, অন্তত আটজন হামলাকারী চারটি মোটরবাইকে করে এসেছিল। প্রত্যেকের মাথায় হেলমেট ছিল বলেও জানা গিয়েছে।তদন্তে আরও উঠে এসেছে একটি সন্দেহজনক গাড়ির তথ্য। শিলিগুড়ির নম্বরযুক্ত একটি গাড়ি চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই গাড়ি থামতেই আততায়ীরা গুলি চালাতে শুরু করে। এরপর দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় তারা।পুলিশ জানিয়েছে, চন্দ্রনাথের বুকে এবং পেটে গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মধ্যমগ্রামের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিম সেনগুপ্ত জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। চিকিৎসকেরা প্রাণ ফেরানোর চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।ঘটনায় আহত হয়েছেন চন্দ্রনাথের সঙ্গে থাকা বুদ্ধদেব নামে আরও এক ব্যক্তি। তাঁর শরীরেও একাধিক গুলি লেগেছে। পরে তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তিনি এখনও সচেতন অবস্থায় রয়েছেন এবং তাঁর অস্ত্রোপচার করা হবে।এদিকে রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত গাড়িতে ভুয়ো নম্বর প্লেট লাগানো ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করেছে। গাড়ির গতিবিধি এবং হামলাকারীদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।ঘটনার খবর ছড়াতেই হাসপাতালে পৌঁছে যান বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। সেখানে ছিলেন সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিং-সহ আরও অনেকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

হার্ট ভেদ করে গুলি! কেন বাঁচলেন ড্রাইভার, মৃত্যু হল চন্দ্রনাথের?

ভোট পরবর্তী সময়ের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যমগ্রাম। শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাতে গাড়ি আটকে খুব কাছ থেকে তাঁর উপর এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মধ্যমগ্রামের ভিভা সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনায় আহত হয়েছেন তাঁর গাড়ির চালকও। তাঁকে পরে বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিম সেনগুপ্ত জানান, রাতেই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ এবং তাঁর গাড়ির চালক। চিকিৎসকদের দাবি, চন্দ্রনাথের বুকে বাঁদিক দিয়ে দুটি গুলি লাগে। গুলি হৃদযন্ত্র ভেদ করে যাওয়ায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, মধ্যমগ্রামের দোলতলা এলাকার কাছে বাড়ি ছিল চন্দ্রনাথ রথের। বুধবার রাতে তিনি গাড়ি করে ফিরছিলেন। সেই সময় একটি ছোট চারচাকার গাড়ি এসে তাঁদের গাড়ির পথ আটকে দেয়। এরপর পিছন দিক থেকে বাইকে করে এসে দুষ্কৃতীরা গুলি চালাতে শুরু করে। অভিযোগ, মোট ছয় রাউন্ড গুলি চালানো হয়। সেই সময় চন্দ্রনাথ চালকের পাশের আসনে বসেছিলেন।স্থানীয় সূত্রে খবর, মূল রাস্তা থেকে একটু ভিতরের দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। গাড়ি দাঁড়িয়ে যেতেই খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। চন্দ্রনাথ গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে যাওয়ার পর আততায়ীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছোট গাড়িও উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। আহত চালক কিছুটা সুস্থ হলে তাঁর বয়ান থেকে হামলার বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা।

মে ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal