• ৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

কলকাতা

কলকাতা

অগ্নিমিত্রা পলের মন্তব্যের কড়া নিন্দা পার্থর

অগ্নিমিত্রা পল পূর্ব মেদিনীপুরের সভায় যে কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন, তার তীব্র নিন্দা করেছেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বুধবার তিনি টুইটে লেখেন, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সেক্স র্যাকেট চলে বলে তিনি যে মন্তব্য করেছেন, তা আমাদের স্তম্ভিত করে দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্ষণকে সমর্থন করেন বলে তিনি যে মন্তব্য করেছেন, তা শুধু রাজ্য সরকারের অবমাননা নয়, বাংলার সংস্কৃতিকে লজ্জায় ফেলে দিয়েছে। আমরা এখন দেখছি, বিজেপি নেতারা বাংলার মূল্যবোধকে অসম্মান করছে। আরও পড়ুন ঃ সারা দেশে এক দল, এক ভাষা করতে চাইছে বিজেপিঃ সৌগত রায় প্রসঙ্গত , অগ্নিমিত্রা পল বলেছিলেন, মালদহতে দুদিন আগে একটা ৬ বছরের বাচ্চাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তারকেশ্বরেও একই ঘটনা। কারা ধর্ষণ করছে জানেন? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই তৃণমূল পার্টির যারা সদস্য বা সমর্থক, তারা ধর্ষণ করছে। দিদিমণি এদের বলে দিয়েছেন, শোন রে, তোদের তো চাকরি দিতে পারিনি! তাই এন্টারটেনমেন্টের জন্য শরীর গরম হয়ে গেলে তোরা গিয়ে ধর্ষণ করবি। তোরা গিয়ে ধর্ষণ কর। আর আমি মহিলাদের ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে দেব। তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচনার ঝড় বয়ে গেছে রাজ্য রাজনীতিতে।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
কলকাতা

সারা দেশে এক দল, এক ভাষা করতে চাইছে বিজেপিঃ সৌগত রায়

রাজ্য বিজেপি অন্তর্কলহে ক্লান্ত। বিজেপি মমতার সমান্তরাল মুখ তৈরি করতে পারছে না, যে কারণে ভিন রাজ্য থেকে বিজেপি নেতাদের নিয়ে আসছে। আমাদের আশঙ্কা তাঁরা এখানে বিভাজনের রাজনীতি করতে আসছেন। যাতে আমাদের রাজ্যের শান্তির পরিবেশ বিঘ্নিত হতে পারে। মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই অভিযোগ করলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তিনি আরও বলেন, বিজেপি দেশের অনেক রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে। আবার যেখানে ক্ষমতায় ছিল না, সেখানে দলত্যাগে উৎসাহ দিয়ে বিজেপি-বিরোধী রাজ্য সরকারকে ফেলে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এটা করতে পারবে না। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সৌগত রায় বলেন, দেশে যেটা ঘটছে, সেটা আমাদের জন্য চিন্তার বিষয়। বিজেপি সারা দেশে এক দল, এক ভাষা করতে চাইছে। যা ভয়ঙ্কর চিন্তাভাবনা। আমাদের দেশের স্বশাসিত সংস্থাগুলি ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছে। আরও পড়ুন ঃ ৬০ বছর অবধি কাজের দাবিতে বিক্ষোভ সিভিল ডিফেন্স ভলেন্টিয়ারদের তিনি বলেন, রাজ্য সরকার কৃষকদের পাশে রয়েছে। কেন্দ্র কৃষকদের কথা ভাবে না। এমনিতে কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের প্রাপ্যের পরিমাণ ৫০ হাজার কোটি টাকা। সেই টাকা মেটানো হচ্ছে না। এই সংকটের মধ্যে দিয়ে চলেও রাজ্য সরকার নিজের দায়িত্ব পালন করে চলেছে। নিজের রাজনৈতিক জীবনে রাজনীতির মান এতটা নীচে নামতে পারে তা কল্পনাও করতে পারেননি বলে দাবি করলেন সৌগত রায়।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

৬০ বছর অবধি কাজের দাবিতে বিক্ষোভ সিভিল ডিফেন্স ভলেন্টিয়ারদের

স্থায়ী কাজ ও ৬০ বছর অবধি কাজের দাবিতে বিক্ষোভ দেখালেন সিভিল ডিফেন্স ভলেন্টিয়াররা। মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ সিভিল ডিফেন্স ভলেন্টিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির ডাকে জেলার কর্মীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। সংগঠনের তরফে রাজ্য সম্পাদক ওবায়দুল ইসলামের দাবি করেন , আমফানের সময়ে তারা কাজ করেছেন।করোনার প্রকোপে সবাই যখন ঘরে তারা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন।বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ এর সময়ে তারা মানুষকে পরিষেবা দেন।কিন্তু স্থায়ী কাজ না থাকায় তারা না ঘরকা না ঘাটকা। অন্য কাজেও মন দিতে পারেন না। তাদের আশা, মুখ্যমন্ত্রী তাদের দাবি শুনবেন।৬০ বছর অবধি কাজের দাবি জানিয়েছেন তারা।মাসে তারা তিরিশ দিন কাজ চান। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মধ্যে আমরা থাকতে পারছি না। আমাদের আর্থিক অনটনের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে। বসিয়ে দিলে তাদের সংসার চলবে না। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত বিচারপতি অমিতাভ লালা আজ আমরা জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিতে এসেছি। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন, আমাদের ৬০ বছর পর্যন্ত কাজের ব্যবস্থা করে দিন। তাহলে আমরা আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব। সংগঠনের সহ সভাপতি পার্থ ঘোষ বলেন, এর আগে তারা তাদের দাবি নানাস্তরে জানিয়েছেন। কোনো কাজ হয়নি।দাবি না মানা হলে তারা নবান্নের সামনে গিয়ে আত্মহত্যা করবেন।বন্যা, অগ্নিকাণ্ডের সময়ে, বাড়ি ভেঙে পড়লেও তারা কাজে আসেন। তারা এবার স্থায়ীত্ব চান।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

প্রয়াত বিচারপতি অমিতাভ লালা

প্রয়াত হলেন বিচারপতি অমিতাভ লালা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। সম্প্রতি তিনি বাইপাস সংলগ্ন এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সোমবার রাত ১০টা ৫০ মিনিট নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তিনি নিমনাইটিস নামক অসুখে ভুগছিলেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে মিমের একাধিক নেতার যোগ তৃণমূলে বাম জমানায় একাধিক ইস্যুতে তিনি সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিলেন। বিজন সেতুতে আনন্দমার্গী গণহত্যার সত্য উদ্ঘাটনে যে তদন্ত কমিশন গঠিত হয়, তার দায়িত্বে ছিলেন এই স্বনামধন্য বিচারপতি। বিচারপতি লালা বিঞ্জান ও কলা বিভাগে স্নাতক পাশ করেন যথাক্রমে ১৯৬৮ ও ১৯৭৩ সালে, এবং ১৯৭৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭৫ সালের ১৩ই মার্চ আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত হন। দেওয়ানী, সাংবিধানিক এবং অন্যান্য বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টে অনুশীলন করেন। ১৯৯৭ সালের ১২ই মে কলকাতা হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারক হিসাবে উন্নীত হন। ২০০৫ সালের ৭ই জানুয়ারি এলাহাবাদ হাইকোর্টে বিচারক হিসাবে যোগদান করেন। ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারী থেকে ২০১০ সালের ২৫শে জুন, ২০১১ সালের ৩১ জুলাই থেকে ২০১১সালের ৪ঠা আগস্ট, এবং অবসর গ্রহণের তারিখ অবধি (০৮ আগস্ট, ২০১২) অবধি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসাবে ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে সমাজের বিভিন্ন স্তরে ও আইনজীবী মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে মিমের একাধিক নেতার যোগ তৃণমূলে

রাজ্যে মিমের একাধিক নেতা যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। তৃণমূলে যোগ দেওয়া মিমের বাংলার নেতৃত্বের তালিকা পড়ে শোনান ব্রাত্য বসু। সোমবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকে ব্রাত্য বসু বলেন, এআইএমএমের পশ্চিমবঙ্গের সব থেকে বড় স্তম্ভ, সব থেকে বড় মুখ। যিনি এ রাজ্যে মিমের ভিত সেই আনোয়ার হোসেন পাসা সহ রাজ্যের নানা জেলা থেকে মিমের একাধিক নেতা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। এই সরকারের কাজে ও উন্নয়নে আকৃষ্ট হয়ে মিমের রাজনীতিতে বিতশ্রদ্ধ হয়ে এঁরা সবাই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। জামিরুল হাসান মিমের তেমন কোনও নেতা নয় বলে পাল্টা দাবি করেছেন আনোয়ার পাসা। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে আমলাদের দুর্নীতি নিয়ে সরব ধনকড় পাসা বলেন, জামিরুল হোসেনকে কেউ চেনে না। উনি একজন শিল্পপতি। উনি একবছর হয়েছে দলে এসেছেন। আনোয়ার হাসান পাসাকে সকলে চেনে।। সারা বাংলায় আমরা মাটিতে থেকে সংগঠনের কাজ করেছি। আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে সার্বিক শক্তি দিয়ে ঝাঁপাব। এরাজ্যে বিজেপিকে রুখবই। বিহার হতে দেব না। পাসা আরও বলেন, ধর্মীয় মেরুকরণের চেষ্টা করা হচ্ছে দেশজুড়ে। এটাই এখন দেশে সবচেয়ে বড় সংশয়। সব ধর্মের সহাবস্থান বাংলায়। তাতে বিভাজনের চেষ্টা হচ্ছে।বিহারে ক্ষমতায় এসেছে ধর্মীয় মেরুকরণ করেই। বিহারে যা হয়েছে বাংলায় তা হতে দেওয়া যাবে না। গেরুয়া শক্তিকে রুখতে মমতার হাত শক্ত করুন।অন্যদিকে, বাংলার মিম নেতা সৈয়দ জামিরুল হাসান বলেন, আনোয়ারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। দল ৬ মাস আগেই আনোয়ার সহ অন্যদের সাসপেন্ড করেছে। এঁরা এখন মিমের কেউ নয়।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে আমলাদের দুর্নীতি নিয়ে সরব ধনকড়

যেভাবে রাজ্যে সরকারি আমলাদের সম্পত্তি বাড়ছে এবং তাঁরা দুর্নীতিতে জড়াচ্ছেন, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এবার আমলাদের দুর্নীতি নিয়ে টুইটে সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সোমবার তিনি এই প্রসঙ্গে লেখেন, দুর্নীতি নামক শিল্পকে রুখতে না পারার যে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, সেটাই এখন শহরের আলোচ্য বিষয়। সেটাই সরকারের মুখ পোড়াচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ ববি, মদন, প্রসূনকে নোটিশ ইডির দ্বিতীয় টুইটে গরুপাচার ও কয়লাকাণ্ড নিয়ে সোচ্চার হন রাজ্যপাল। লেখেন, তদন্তের মধ্যে দিয়ে উর্দিধারীদের মেগা দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করা দরকার। তাঁদের অসত্ উপায়ে অর্জিত সম্পত্তির খোঁজ করতে হবে। দুর্নীতির আঁতুরঘর ভেঙে গণতন্ত্র রক্ষা করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে, তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান রাজ্যপালকে বিজেপির মুখপাত্র বলে কটাক্ষ করেন।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
কলকাতা

ববি, মদন, প্রসূনকে নোটিশ ইডির

সামনেই বিধানসভা ভোট। তার আগেই নারদ কাণ্ডে ফের নোটিস পাঠানো হল তিন তৃণমূল নেতাকে। জানা গিয়েছে, ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র এবং প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডির তরফ থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, এই তিন তৃণমূল নেতার কাছে নোটিশ পাঠিয়ে আয়-ব্যায়ের হিসেব জানতে চেয়েছে ইডি। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে একটি সংবাদমাধ্যমের স্টিং অপারেশনে দেখা যায়, টাকা নিচ্ছেন একাধিক তৃণমূল নেতা-বিধায়ক-সাংসদরা। এরপরেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে ইডি-সিবিআই। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যম এর আগেও একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হয়েছে নারদায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের কাছে। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনীতির পারদ। এই অবস্থায় ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ইডির এই নোটিশ পৌঁছন গোটা ঘটনায় নয়া মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যম

কলকাতার মিডিয়ায় নতুন চ্যানেল আসতেই এদিক-ওদিক আসা-যাওয়া চলছে। অনেকে নতুন পদ পাচ্ছেন। সবাই নিজেদের সিঁড়ি হিসেবে বেছে নিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী সংক্রান্ত ব্রেকিং নিউজ! কেউ বলছেন, নিরাপত্তারক্ষী না নিয়ে অন্যের গাড়ি চড়ে কলকাতায় এসে বৈঠক করছেন শুভেন্দুবাবু! যা দেখে শুধুই হাসছেন শুভেন্দুবাবুর ঘনিষ্ঠরা। একটি আধা কমল মার্কা চ্যানেল তো নিজেরাই কনফিউজড। একবার দাবি করছে, শুভেন্দুবাবুকে আলটিমেটাম দিয়েছে দল, হয় এসপার, নয় ওসপার! পরক্ষণেই ওই চ্যানেল বলছে, শুভেন্দুবাবু নাকি তাঁর পর্যবেক্ষকের পদ ফিরিয়ে দিতে বলেছেন, শর্তও দিয়েছেন! শুভেন্দু অধিকারীকে যাঁরা কাছ থেকে বছরের পর দেখেছেন বা দেখছেন তাঁদের কথায়, এই চ্যানেলগুলো খবর না পেয়ে যা খুশি তাই বলে দিচ্ছে। শুভেন্দুবাবুকে এরা জানে না, বোঝে না। নিজের পদ চাওয়ার লোক আর যে হোন না কেন, জননেতা তা করবেন না। এমনকী তাঁকে পদ ফেরালে তিনি তা নেবেন কিনা সেটাও দেখার। ফলে তৃণমূল নেতৃত্ব সংবাদমাধ্যমের একাংশকে খবর খাওয়াচ্ছে আর শুভেন্দুবাবু ওই সাংবাদিকদের কিছু বলার প্রয়োজন বোধ না করায়, বাংলার সংবাদমাধ্যমগুলি গল্পের গরুকে গাছে তুলছে। শুভেন্দুবাবু যখন নিজে বলছেন, আমি যখন যা বলব তার আগে কিছু বিশ্বাস করবেন না। এরপরেও জল্পনা চলে কীভাবে?

নভেম্বর ২৩, ২০২০
কলকাতা

কংগ্রেসের বক্তব্যের সঙ্গে বামেরা সহমত , তা নয়ঃ বিমান

কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনের ডাকা দেশব্যাপী ধর্মঘটের প্রস্তুতি নিয়ে আজ রাজ্যের বামপন্থী নেতৃত্ব বৈঠক করলেন। রাজ্যের সমস্ত জেলায় বামফ্রন্টের সবকটি শরিক দলের কর্মীরা রাস্তায় নেমে ধর্মঘট পালন করবে। কৃষি আইনের বিরুদ্ধে স্বাধীন প্রচার ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়েছে রাজ্য বামফ্রন্ট। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি, বেকারির কর্মসংস্থানের দাবি জানিয়ে রাজ্যজুড়ে লাগাতার আন্দোলন করবে তারা। দেশব্যাপী ধর্মঘটে রেল রোকো, রাস্তা অবরোধ, সহ একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়েছে বামফ্রন্টের কর্মীরা। আসন সমঝোতা নিয়েও এদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে আমন্ত্রণ পায়নি বৈশাখী , না যাওয়ার সিদ্ধান্ত শোভনের আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে চলতি বছরের শেষ মাসে কংগ্রেসের সঙ্গে ফের বৈঠকে বসবে বামফ্রন্ট। রবিবার বামফ্রন্টের বৈঠক শেষে বিমান বসু বলেন, যৌথ কর্মসূচির মধ্যে দিয়েই সফল হবে জোট। কংগ্রেস একটা পৃথক দল। ওদের নিজেদের বক্তব্য থাকতেই পারে। এর মানে সেই বক্তব্যের সঙ্গে বামেরা সহমত, তা নয়। ওদের নিজস্ব স্বাধীনতা আছে। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে আগে এরকম কখনও হয়নি, যেখানে আমরা একটি নির্দিষ্ট মুখকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করে এগিয়েছি। তাই এই নিয়ে আমাদের কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।ইতিমধ্যেই রাজ্যে নির্বাচনের বুথের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বুথ স্তরে বামপন্থী কর্মীরা যাতে মানুষের সঙ্গে জনসংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

নভেম্বর ২২, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে আমন্ত্রণ পায়নি বৈশাখী , না যাওয়ার সিদ্ধান্ত শোভনের

বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল প্রাক্তন মেয়র তথা অধুনা বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। কিন্তু সেখানে শোভন আমন্ত্রণ পেলেও বৈশাখীকে নাকি ডাকা হয়নি। তাই দলীয় অনুষ্ঠানে থাকছেন না তাঁরা। এমনটাই সূত্রের খবর। শোভন চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, রবিবার সল্টলেকের ইজেডসিসি-তে বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে হাজির থাকার জন্য বৈশাখীর মোবাইল ফোনে ফোন করে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কিন্তু বৈশাখীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কয়েকদিন রাজ্য সফরে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এসে গভীর রাতে নিউটাউনের হোটেলে শোভন-বৈশাখীকে তলব করে বৈঠকও করেন। দিন দুয়েক আগে বঙ্গ বিজেপির সহ-পর্যবেক্ষক অরবিন্দ মেনন এবং সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী বৈঠক করেন শোভন-বৈশাখীর সঙ্গে। সেখানে উপহার বিনিময়ের পর দুজনকেই আরও দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আরও পড়ুন ঃ শিল্পীদের জন্য সব ধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অনুমতি নবান্নের গত বছর আগস্ট মাসে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা বিধায়ক শোভন এবং তাঁর বান্ধবী বৈশাখী। কিন্তু কোনও দলীয় কর্মসূচিতেই তাদের দেখা যায়নি। বিজেপির নেতাদের সঙ্গে তাদের দূরত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সদ্য রাজ্য কমিটিতে সদস্য পদ দেওয়া হয়েছে শোভন-বৈশাখীকে। কিন্তু আমন্ত্রণ বিতর্কে ফের দলের সঙ্গে শোভন-বৈশাখীর দূরত্ব তৈ্রি হল বলে মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের।

নভেম্বর ২২, ২০২০
কলকাতা

শিল্পীদের জন্য সব ধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অনুমতি নবান্নের

বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে অনুমতি দিল নবান্ন। শনিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, যাতে বাংলার শিল্পীরা তাদের জীবন-জীবিকায় উৎসাহ পান তার জন্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অবশ্যই কোভিড-বিধি মেনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হবে।গান, নৃত্য, আবৃত্তি কিংবা কোনও প্রদর্শনী অনুষ্ঠান নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্যের। এদিন মুখ্যসচিব জানান, যদি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তাহলে দেখতে হবে, অর্ধেক মানুষ নিয়ে তা আয়োজন করতে হবে। তিনি বলেন, বদ্ধ ঘর হলে যত আসন সংখ্যা থাকবে তার অর্ধেক দর্শক থাকতে পারে। প্রদর্শনীর ক্ষেত্রে ২০০ জন করে ছাড় দেওয়া হবে। যদি খোলা মাঠে কোনও মেলা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। যেখানে মাথার ওপর কোনও সিলিং নেই। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র করোনা বিধি মেনে দূরত্ব বজায় রেখে চললেই হবে। আরও পড়ুন ঃ সম্মান না পাওয়ায় তৃণমূল ভবনের সামনে বিক্ষোভ দলীয় কর্মীদের বাংলার সমস্ত মাপের শিল্পীদের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যসচিব। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে প্রত্যেক জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং কমিশনারেটের কমিশনারদের নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কলকাতার নগরপাল এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
কলকাতা

সম্মান না পাওয়ায় তৃণমূল ভবনের সামনে বিক্ষোভ দলীয় কর্মীদের

দলে পর্যাপ্ত সম্মান পাচ্ছেন না , এই অভিযোগে শনিবার তৃণমূল ভবনের সামনে বিক্ষোভে সামিল হলেন দলীয় কর্মীরা। এদিন বেলার দিকে মেদিনীপুর থেকে দার্জিলিং বিভিন্ন প্রান্তের কয়েকশো কর্মী জড়ো হন তৃণমূল ভবনের সামনে। নিরাপত্তারক্ষীরাও তাঁদের সরাতে পারেননি। সারা দুপুর তৃণমূল ভবনের সামনের রাস্তা দুধারে তাঁরা অবস্থান করেন। কখনও কখনও স্লোগান তুলে বিক্ষোভও দেখান। বারবারই দাবি করতে থাকেন যে তাঁরা নেত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাঁকেই সমস্যার কথা জানাবেন। আরও পড়ুন ঃ কেন্দ্রে এখন ফেক নিউজের সরকার চলছেঃ কাকলি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাঁদের বক্তব্য, আমরা দলের বহু পুরনো কর্মী। কিন্তু তেমন গুরুত্ব পাচ্ছি না। ভোট কিংবা দলের অন্যান্য কাজে আমাদের ডাকা হচ্ছে না। তাই আমরা নেত্রীর কাছে জানতে এসেছি, এর কারণ কী। আমরা আবার ভোটের কাজ করতে চাই আগের মতো। আমাদের দলকে ফের ক্ষমতায় আনতে চাই।এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে আসরে নামেন সুব্রত বক্সি। তিনি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন, অভিযোগের কথা শোনেন। তারপর জানান যে আগামী বৃহস্পতিবার তাঁদের এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তিনি নিজে আলোচনায় বসবেন। সমস্ত শুনে সমাধানের চেষ্টা করবেন। এতে খানিকটা আশ্বস্ত হন দলীয় কর্মীরা। অবস্থান বিক্ষোভ প্রত্যাহার করে ফিরে যান।

নভেম্বর ২১, ২০২০
কলকাতা

কেন্দ্রে এখন ফেক নিউজের সরকার চলছেঃ কাকলি

বাংলায় এখন শান্তি ফিরেছে। বিজেপি বাংলার সংস্কৃতি মানে না। বহিরাগত ইস্যুতে এবার সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপিকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এদিন তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, বাংলার সম্মান, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে অপমান করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়াও তিনি বলেন , কেন্দ্রীয় সরকারের উদাসীনতা এবং ভুল নীতিতেই করোনার প্রকোপ ক্রমশ বেড়েছে। যখন আমরা সংসদে এ নিয়ে জানুয়ারিতে বলেছিলাম, তখন আমাদের বলা হয়েছিল বাচ্চাদের মতো কথা বলবেন না, বসে পড়ুন। লকডাউনে অসংখ্য দিনমজুর মারা গিয়েছে। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনেই ৯০ জন অভিবাসী মারা গিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। লকডাউনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে এগিয়ে এসেছে রাজ্য সরকার। সেই জায়গায় অভিবাসী শ্রমিকদের কথা ভাবেনি কেন্দ্রীয় সরকার। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধনকড়ের তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ফেক নিউজের সরকার। মিথ্যাচার করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়েছে। ২০২১ বিধানসভা ভোটে রাজ্যের ক্ষমতা দখলে সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি। যা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না বলে উল্লেখ করে কাকলি বলেন, দেশে এখন ভয়ানক পরিস্থিতি চলছে। ভারতে দলিতদের উপর অত্যাচার চলছে। দলিতরা সুরক্ষিত নয়। দেশে নারীসুরক্ষা তলানিতে। গণপিটুনি চলছে। ধর্মের নামে ভাগাভাগি চলছে। অন্যদিকে , এদিন সকালে অর্জুন সিং শুভেন্দুকে বিজেপিতে স্বাগত জানিয়েছেন। সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন, অর্জুন সিং কি শুভেন্দু অধিকারীর মুখপাত্র ? শুভেন্দু অধিকারী দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা । একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ।

নভেম্বর ২১, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধনকড়ের

রাজ্যে নারী নির্যাতন বেড়েই চলেছে, কোনও প্রতিকার হচ্ছে না। এই অভিযোগে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি পরে তিনি টুইটও করেন। চিঠিতে রাজ্যে গত তিনমাসে নারীদের উপর অত্যাচারের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। যা তিনি সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সূত্রেই পেয়েছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। এরকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশাসনিক উদাসীনতা দেখে তিনি বিস্মিত। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর আবেদন, এসব অন্যায়ের প্রতিকারে তিনি সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনসচেতনতায় জোর দেবেন। পাশাপাশি এ বিষয়ে মুখ্যসচিবকে রাজভবনে আলোচনার জন্য প্রস্তাব পাঠালেও, তার কোনও জবাব আসেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ কেউ কেউ ভোটের সময় আসেনঃ মমতা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যের নানা নেতিবাচক দিক তুলে ধরে সতর্ক করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তাঁর এই ভূমিকাকে বারবার ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করার যে নিদর্শন তিনি দেখে আসছেন, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এ থেকেই বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আমলে পুলিশ প্রশাসনের রাজনীতিকরণ হয়েছে। এভাবে তাঁরা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিকে দুর্বল করে তুলছেন, যার প্রভাব জনমানসে পড়বে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
কলকাতা

কেউ কেউ ভোটের সময় আসেনঃ মমতা

কেউ কেউ ভোটের সময় আসেন, বড়সড় ভাষণ দিয়ে চলে যান। শুক্রবার ছটপুজো উপলক্ষে হেস্টিংসের তক্তাঘাটে উপস্থিত হয়ে বিজেপিকে এভাষাতেই আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, কিন্তু আমরা দুর্গাপুজোতেও যাই, ছটপুজোতেও যাই, ইদেও যাই আবার বড়দিনের অনুষ্ঠানেও সামিল থাকি।এটাই আমাদের পরম্পরা। কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, অনেক রাজ্যে বাড়িতেই ছট পালন করার কথা বলা হয়েছে বলে শুনেছি। কিন্তু বাংলায় তেমন নিয়ম জারি করা হয়নি। ছটে দুদিন ছুটিও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ঘরে বসে ছটপুজো করতে বলেছে আদালত। সম্ভব হলে তা-ই করুন। সম্ভব না হলে পুকুরে বা গঙ্গায় যেখানেই যান, ছোট ছোট দলে যান। আরও পড়ুন ঃ বাংলায় বহিরাগতদের তাণ্ডব চলছেঃ ব্রাত্য বিজেপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, যারা দাঙ্গা লাগায়, তারা যেন দেশ থেকে বিদায় নেয়। আগামীদিন আলোয় ভরে উঠুক।তিনি এদিন আরও বলেন, যেভাবে দুর্গাপুজো-কালীপুজোয় মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে সহযোগিতা করেছেন। ছটপুজোও সেভাবে করুন। তাড়াহুড়োর কিছু নেই। এক এক গঙ্গার ঘাটে নামুন। খেয়াল রাখবেন, ভিড় করবেন না।

নভেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় বহিরাগতদের তাণ্ডব চলছেঃ ব্রাত্য

গত কয়েকদিন ধরে বঙ্গ রাজনীতির মূল চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বহিরাগত। এবার এই ইস্যু্তে শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন রাজ্যের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তি মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথের জন্ম বোলপুরে বলা এবং বাংলা দখল করা, একইসঙ্গে সম্ভব? বিজেপি বহিরাগত তত্ত্ব খাঁড়া করতে এবার এমনই প্রশ্ন তুলে দিল তৃণমূল। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে ব্রাত্য বসুর দাবি, আপনারা বহিরাগত নিয়ে আমাদের নিয়ন্ত্রণ করবেন ? আমাদের জাতির কি এত বড় দুর্দশা এসে গেল। একসময় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করত এই বাংলা। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেই আন্দোলনের কাণ্ডারী ছিলেন। মন্ত্রী বলেন, নেতাজিতে তাড়ানো হয়েছিল, এবং দেশের ক্ষমতাভার কলকাতা থেকে সরানো হয়েছিল। সেইসময় বাংলার ওপর নিয়ন্ত্রণ করেছিল হিন্দিভাষীরা। বর্তমান সময়ই ঠিক একই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে। বিদ্যাসাগরের মূর্তি যেদিন ভাঙা হয় সেদিন ভাটপাড়ায় উল্লাস হয়েছিল৷ সত্যেন্দ্রনাথ বোস, জগদীশ বোসকে কেউ অপমান করলে আপনারা ছেড়ে দেবেন? আমাদের রাজ্যে ধর্ম দেখে ভাগ করা হয় না৷ আমাদের উপর যে সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে তা ঠিক না৷ তিনি আরও বলেন, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি আজাদ হিন্দ ফৌজ তৈরি করেছে। তার নাম তৃণমূল কংগ্রেস। সেই ফৌজ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য উত্তর ভারত থেকে বহিরাগতদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। যদিও পরে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি দাবি করেন, আমি একথা বলে কোনওমতেই নেতাজির সঙ্গে মমতার তুলনা করছি না। আরও পড়ুন ঃ রবীন্দ্র সরোবরে ছটপুজো করতে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ ব্রাত্য আরও বলেন, আমাদের এখানে রচপাল সিং থাকেন, ওনাকে আমরা নিজেদের লোকই ভাবি। কিন্তু বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে কোনও বাঙালিকে সম্মান দেওয়া হয় না। প্রশ্ন করেন, যদি এখানে অর্জুন সিং বিধায়ক থেকে সাংসদ হতে পারেন, তাহলে উত্তরপ্রদেশ-গুজরাতে কেন বাঙালি পদবিধারী ব্যক্তিরা নির্বাচিত সদস্য হন না? পাশাপাশি আরও একটি উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ১৯২৫-এ তৈরি আরএসএস কেন এখনও পর্যন্ত কোনও বাঙালি প্রধান পেল না? সীমান্ত এলাকায় যারা প্রচার করছেন তাদের প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হয় না? নাগপুরের বাহ্মণ হলেই ভাল, বাঙালি বাহ্মণ হলে খারাপ কেন? প্রশ্ন মন্ত্রীর। এছাড়াও ২০২০ সালের ২০ জুন গুজরাতের ভারুচে রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণের প্রসঙ্গ টেনে এনে ব্রাত্য বসু বলেন, ওইদিন ভারুচে বিস্ফোরণে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল৷ আহত হয়েছিলেন কমপক্ষে ২০০ জন কর্মী৷ কিন্তু আমরা বলছি না যে সেখানে নাশকতা ঘটানো হয়েছে৷ কিন্তু বাংলায় বিস্ফোরণ হলেই নাশকতা দেখতে পান৷ আসলে পুরোটাই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর চেষ্টা৷

নভেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

রবীন্দ্র সরোবরে ছটপুজো করতে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ

আদালতের নির্দেশের জেরে রবীন্দ্র ও সুভাষ সরোবরে নিষিদ্ধ ছটপুজো। রবীন্দ্র সরোবরের ৩ নম্বর গেটের সামনে শুক্রবার সকালে একদল পুণ্যার্থী জমা হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুজো করতে দেওয়ার দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে স্থানীয়রা। যদিও আদালতের নির্দেশের কথা উঠলে তারা জানান, পুণ্যার্থীদের দাবি, মাত্র ছঘণ্টার মধ্যে ছটপুজো সেরে নেওয়া সম্ভব। আর সামান্য সময়ে ছটপুজো করলে কোনও সমস্যা হবে না। রবীন্দ্র সরোবরে ঢোকার অনুমতি না মিললে মূল দরজার সামনেই ছটপুজো করা হবে বলে জানিয়ে দেন তারা। এছাড়াও তারা বলেছেন, প্রতি বছর এখানেই পুজো করেছেন তারা। তাদের পূর্বপুরুষরাও এখানে পুজো করেছেন। এভাবে তাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মীরা বোঝাতে গেলে তর্কাতর্কি শুরু হয়ে যায়। যাতে কেউ আদালতের নির্দেশ অমান্য করতে না পারেন তাই বিশাল পুলিশবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে মুকুল রায়ের প্রসঙ্গত , গ্রিন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে গতবারই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল রবীন্দ্র সরোবরের ছটপুজো। তারপর এই বছর সেপ্টেম্বর মাসে পরিবেশ আদালতের কাছে কেএমডিএ আবেদন করেছিল , শর্তসাপেক্ষে লেকে ছটপুজো করতে দেওয়া হোক। সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। জানিয়ে দেওয়া হয় , কোনও শর্তেই লেকে ছটপুজোর অনুমতি দেওয়া যাবে না। গত ১০ তারিখ কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, রবীন্দ্র সরোবরে ছট পুজোর ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টে যে মামলা চলছে, তা নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতই শেষ কথা বলবে। সেই মামলায় চূড়ান্ত নির্দেশ না দেওয়া হলে রবীন্দ্র সরোবরে এবং সুভাষ সরোবরে ছট পুজো নিষিদ্ধ। বিধিনিষেধ মেনে কেএমডিএ ছটপুজোর আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। কিন্তু আবেদন খারিজ হয় সেখানেও। এরপর এই দুই আদালতের রায়ের বিরোধিতায় সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে কেএমডিএ। এই আবেদনের শুনানি ২৩ তারিখ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আজ ছট পুজো হওয়ায় জরুরী ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার তিন বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি হয়। কিন্তু একই রায় বহাল রাখে শীর্ষ আদালত।

নভেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে মুকুল রায়ের

অস্ত্রোপচারের পর ভালো আছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার গলব্লাডারে অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর। সেই অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বুধবার হঠাৎ অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে বাইপাসের একটা বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে এসেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও তাঁকে দেখতে আসেন রাজ্যের বিজেপি পর্যবেক্ষক কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মুকুল রায়কে দেখে এসে দিলীপবাবু বলেন, মুকুলদা এখন ভালো আছেন। তিনি খুব শীঘ্রই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ তিনি। আজ সকালে তরল জাতীয় খাবার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। দু-একদিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছুটিও দেওয়া হবে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন দলীয় নেতা - কর্মীরা।

নভেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

যে কোনও রাজ্য থেকেই বাংলায় মানুষ আসুন না কেন, যে রাজ্য থেকেই মানুষ এসে বাংলায় থাকুন না কেন, আমাদের রাজ্যের মানুষ তাদের স্বাগত জানান। বাংলা এমনই একটা রাজ্য। কিন্তু যদি কোনও বহিরাগত তাদের অদ্ভুত চিন্তা এবং স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেবেন বলে লাল চক্ষু দেখান, তাহলে সেই বহিরাগতদের বাংলার মানুষ মানেন না। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। যাদেরকেই বাংলায় পাঠানো হচ্ছে, তাদের কারোর বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সম্পর্কে কোন রকম জ্ঞান নেই বলেই এদিন দাবি করলেন মন্ত্রী। বলেন, তারা বাংলার অলিগলি চেনেন না, বাংলার ২৩টি জেলা চেনেন না, বাংলার ৩৮,৬০০ গ্রাম চেনেন না, বাংলার ১০ কোটি মানুষের জন্য কখনও কিছু ভাবেননি। চন্দ্রিমার কথায়, বাংলা উন্নয়নের তীর্থস্থান। উন্নয়নের তীর্থস্থানের তীর্থযাত্রীর মতো যদি কেউ ভ্রমণ করতে আসেন তাহলে কোন আপত্তি নেই। কিন্তু দিবাস্বপ্ন দেখার যে লোভ তাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে, সেই বিষয় নিয়ে আপত্তি রয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রবীন্দ্র-সুভাষ সরোবরে ছট পুজো নয়, নির্দেশ সুপ্রিম কো্র্টের চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এদিন কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পকে কটাক্ষ করে বলেন , ওই প্রকল্পে দেশের ৫০ কোটি মানুষ সুবিধা পাবে। ৮০ কোটি মানুষ পরিষেবার বাইরে থাকবেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প তার আনেক আগে চালু হয়েছে। এই প্রকল্পে রাজ্যের ১০ কোটি বাসিন্দার মধ্যে ৭.৫ কোটি ইতিমধ্যে পরিষেবা পাচ্ছেন। তাছাড়া আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ৪০ শতাংশ টাকা রাজ্য সরকারকে দিতে হবে। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূরদর্শিতাতেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মেডিক্যাল কলেজ পর্যন্ত বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

রবীন্দ্র-সুভাষ সরোবরে ছট পুজো নয়, নির্দেশ সুপ্রিম কো্র্টের

রবীন্দ্র ও সুভাষ সরোবরে ছটপুজো করা নিয়ে মামলা হয়েছিল গ্রিন ট্রাইব্যুনালে। অনুমতি না মেলায় কেএমডিএ আবেদন করেছিল সুপ্রিম কোর্টে। শেষ পর্যন্ত গ্রিন ট্রাইব্যুনালের রায়কে বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। ফলে শুক্রবার রবীন্দ্র সরোবর বা সুভাষ সরোবরে ছটপুজো হবে না। গ্রিন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে গতবারই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল রবীন্দ্র সরোবরের ছটপুজো। তারপর এই বছর সেপ্টেম্বর মাসে পরিবেশ আদালতের কাছে কেএমডিএ আবেদন করেছিল , শর্তসাপেক্ষে লেকে ছটপুজো করতে দেওয়া হোক। সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। জানিয়ে দেওয়া হয় , কোনও শর্তেই লেকে ছটপুজোর অনুমতি দেওয়া যাবে না। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুর সঙ্গে মান-অভিমান চলছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ গত ১০ তারিখ কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, রবীন্দ্র সরোবরে ছট পুজোর ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টে যে মামলা চলছে, তা নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতই শেষ কথা বলবে। সেই মামলায় চূড়ান্ত নির্দেশ না দেওয়া হলে রবীন্দ্র সরোবরে এবং সুভাষ সরোবরে ছট পুজো নিষিদ্ধ। বিধিনিষেধ মেনে কেএমডিএ ছটপুজোর আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। কিন্তু আবেদন খারিজ হয় সেখানেও। এরপর এই দুই আদালতের রায়ের বিরোধিতায় সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে কেএমডিএ। এই আবেদনের শুনানি ২৩ তারিখ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আগামীকাল ছট পুজো হওয়ায় জরুরী ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার তিন বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি হয়। কিন্তু একই রায় বহাল রাখে শীর্ষ আদালত। হাই কোর্ট এবং জাতীয় পরিবেশ আদালতের রায়ে কোনও সংশোধন হবে না বলে জানিয়ে দেন তিন বিচারপতি।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 54
  • ...
  • 61
  • 62
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

খামেনেই বলেছিলেন ১ হাজার, রিপোর্ট বলছে ১৬ হাজার! ইরানে মৃত্যুমিছিল

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই দাবি করেছেন, দেশজুড়ে চলা গণবিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত অন্তত এক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র যে আরও ভয়াবহ, তা উঠে এসেছে একটি সাম্প্রতিক রিপোর্টে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানে বিক্ষোভ দমনের নামে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৬ হাজার ৫০০ মানুষ। আহত হয়েছেন প্রায় ৩ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি নাগরিক।মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস ইরানের একাধিক চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে বর্ণনা করা হয়েছে খামেনেই সরকারের নির্মম দমননীতির কথা। ইরানের এক চিকিৎসক আমির পারাস্তা জানিয়েছেন, বিক্ষোভের শুরুতে নিরাপত্তা বাহিনী রবার বুলেট ব্যবহার করছিল। কিন্তু পরে খামেনেইয়ের নির্দেশে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার শুরু হয়। দেখা মাত্রই আন্দোলনকারীদের মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালানো হচ্ছে। রাইফেল ও মেশিনগানের গুলিতে বহু মানুষের মাথা, বুক ও কাঁধ ঝাঁঝরা হয়ে যাচ্ছে। রক্তে ভিজে যাচ্ছে রাজপথ।ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হলেও এলন মাস্কের স্টারলিঙ্কের মাধ্যমে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন অনেকে। সেই পথেই ওই চিকিৎসক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। চক্ষু বিশেষজ্ঞ আমির পারাস্তার দাবি, গুলির আঘাতে চোখ হারিয়েছেন প্রায় ৭০০ থেকে এক হাজার মানুষ। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ১৬ হাজার থেকে ১৮ হাজারের মধ্যে। নিহতদের মধ্যে বহু শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা মহিলাও রয়েছেন।হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপ সামলানো যাচ্ছে না। রক্তের অভাবে বহু আহতের মৃত্যু হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও থামেনি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর দমন অভিযান।মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভাঙন, প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং কট্টর ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ জমছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে। সেই ক্ষোভই এবার রাস্তায় নেমে এসেছে। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই অভিযোগ উঠেছে, বিক্ষোভ দমাতে নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী।এর আগে আমেরিকার মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ দাবি করেছিল, ইরানে মৃতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে। তবে নতুন এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
বিদেশ

গ্রিনল্যান্ড বিতর্কে নতুন মোড়! ইউরোপের উপর বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করলেন ট্রাম্প

গ্রিনল্যান্ড কিনতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু গ্রিনল্যান্ড একটি স্বশাসিত দ্বীপ, যা ডেনমার্কের অধীনে। ফলে এই প্রস্তাবে স্বাভাবিক ভাবেই আপত্তি জানিয়েছে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক। শুধু তাই নয়, ফ্রান্স, ব্রিটেন-সহ একাধিক ইউরোপীয় দেশও ট্রাম্পের এই প্রস্তাব মানতে রাজি হয়নি। এর পরেই ক্ষোভ উগরে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইউরোপের কয়েকটি দেশের উপর বাণিজ্যিক শুল্ক চাপানোর ঘোষণা করলেন তিনি।শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, ব্রিটেন, নরওয়ে, জার্মানি, সুইডেন, নেদারল্যান্ড এবং ফিনল্যান্ড থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের উপর ১০ শতাংশ করে শুল্ক বসানো হবে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই শুল্ক কার্যকর হবে। এখানেই থামেননি ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনও সমঝোতা না হলে ১ জুন থেকে এই শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে।ট্রাম্পের দাবি, বহু বছর ধরে আমেরিকা ইউরোপের বিভিন্ন দেশকে নানা বাণিজ্যিক সুবিধা ও ভর্তুকি দিয়ে এসেছে। তাঁর বক্তব্য, এখন সেই সুবিধার পালা শেষ। ট্রাম্প আরও বলেন, গ্রিনল্যান্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য। তাঁর অভিযোগ, ডেনমার্ক নিজের সীমানা ঠিকমতো রক্ষা করতে পারছে না। সেই কারণেই আমেরিকার গ্রিনল্যান্ডের উপর নজরদারি দরকার বলে দাবি করেন তিনি।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, যেসব দেশের উপর এই শুল্ক চাপানো হয়েছে, তাদের প্রত্যেকটিই আমেরিকার দীর্ঘদিনের মিত্র দেশ। শুল্ক ঘোষণার একদিন আগেই ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তাঁর প্রস্তাবে যারা সমর্থন দেবে না, তাদের উপর বাণিজ্যিক চাপ বাড়ানো হবে। শনিবার সেই কথাই কার্যত বাস্তবায়িত করলেন তিনি।ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, চিন ও রাশিয়াও গ্রিনল্যান্ডের উপর নজর রাখছে। তাঁর মতে, বৈশ্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে আমেরিকার গ্রিনল্যান্ডে উপস্থিতি জরুরি। তিনি এটাও বলেন, গত দেড়শো বছরের বেশি সময় ধরে একাধিক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেনমার্ককে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে প্রতিবারই সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে ডেনমার্ক।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

খাওয়ার থালা হাতে নামতে গিয়েই ঘটে ঘটল.... সুন্দরবনের পর্যটকের মর্মান্তিক পরিণতিতে কেঁপে উঠল রাজ্য

শীতের মরশুমে সুন্দরবনে পর্যটকদের ভিড়ের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রাতের অন্ধকারে লঞ্চ থেকে মাতলা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন এক পর্যটক। তাঁর খোঁজে রবিবার সকাল থেকে চলছে তল্লাশি। নিখোঁজ যুবকের নাম সুমন্ত পাল। বয়স ২৬ বছর। তিনি দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার বাসিন্দা।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৬ জানুয়ারি গড়িয়া থেকে ২২ জনের একটি পর্যটক দল সুন্দরবনের কৈখালিতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁরা সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখেন। ওই দলেরই সদস্য ছিলেন সুমন্ত। দুদিন জঙ্গল ভ্রমণের পর শনিবার রাতে তাঁরা আবার কৈখালিতে ফিরে আসেন। মাতলা নদীর উপর একটি লঞ্চেই তাঁদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল।শনিবার রাতে ওই লঞ্চেই ঘটে যায় দুর্ঘটনাটি। জানা গিয়েছে, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ খাওয়াদাওয়ার সময় সুমন্ত হাতে ভাতের থালা নিয়ে লঞ্চের সিঁড়ি দিয়ে উপর থেকে নীচে নামছিলেন। সেই সময়ই তিনি ভারসাম্য হারিয়ে সিঁড়ি থেকে সরাসরি মাতলা নদীতে পড়ে যান। মুহূর্তের মধ্যেই নদীর স্রোতে তলিয়ে যান তিনি।ঘটনার পর লঞ্চের চালক ও সঙ্গে থাকা কয়েক জন জলে নেমে তাঁকে খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু মাতলা নদীতে স্রোত প্রবল থাকায় তাঁকে আর পাওয়া যায়নি। এরপর বনদপ্তর ও কুলতলি থানায় খবর দেওয়া হয়। রবিবার সকাল থেকে নদীতে তল্লাশি শুরু হলেও দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ যুবকের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।লঞ্চের চালক শুভেন্দু সরদার জানিয়েছেন, রাতে খাবার নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরেই ওই যুবক নদীতে পড়ে যান। পর্যটক দলের সদস্য জয় সাহা বলেন, তাঁদের সকলের বাড়িই গড়িয়ায়। ২২ জন বন্ধু মিলে সুন্দরবন ঘুরতে এসেছিলেন। এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।এই ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। লঞ্চে থাকা অন্যান্যদের জেরা করা হচ্ছে। নিখোঁজ যুবকের পরিবারের কাছেও ইতিমধ্যেই দুঃসংবাদ পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভিতর থেকে বন্ধ দরজা, ফোন ধরেননি দু’জনেই! মহেশতলায় রহস্যমৃত্যু

রবিবার সকালে মহেশতলায় একটি ফ্ল্যাট থেকে স্বামী-স্ত্রীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে মহেশতলা পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়ি ফুট এলাকায়। মৃতদের নাম তন্ময় দে (৫২) এবং তাঁর স্ত্রী রুমা রক্ষিত (৪৭)। পুলিশ দরজা ভেঙে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা দুজনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কুড়ি ফুট এলাকার একটি আবাসনের তিনতলায় ভাড়া থাকতেন ওই দম্পতি। রবিবার সকালে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। দীর্ঘক্ষণ ফোন না ধরায় সন্দেহ হয়। এরপর পরিবারের লোকজন ফ্ল্যাটে এসে দেখেন দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। অনেকবার ডাকাডাকি করা হলেও ভিতর থেকে কোনও সাড়া মেলেনি। দরজায় ধাক্কা দিয়েও কোনও শব্দ না পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে। শোওয়ার ঘরে খাটের উপর অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় স্বামী-স্ত্রীকে। তাঁদের পাশেই একাধিক ঘুমের ওষুধের খালি বাক্স পড়ে ছিল। দ্রুত দুজনকে উদ্ধার করে বেহালা বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দুজনেই আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে কী কারণে এই চরম সিদ্ধান্ত, তা জানার চেষ্টা চলছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু দিন ধরেই আর্থিক সমস্যায় ভুগছিলেন ওই দম্পতি। ঋণের চাপ বা অর্থনৈতিক দুশ্চিন্তা থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।দুটি দেহই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ ও সময় জানা যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে সিঙ্গুরে মোদির বড় ডাক! পরিবর্তনের বার্তা, তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে পালাবদলের মাটি সিঙ্গুরে এসে পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বাঙালি অস্মিতার কথা তুলে ধরেন এবং রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ করেন। বিশেষ করে অনুপ্রবেশ এবং এসআইআর পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।সম্প্রতি বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের হেনস্তার অভিযোগ ঘিরে সরব হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলা ও বাঙালিকে বঞ্চনার অভিযোগও দীর্ঘদিনের। সেই আবহে সিঙ্গুরে দাঁড়িয়ে মোদি দাবি করেন, বিজেপির মতো করে কেউ বাংলাকে সম্মান দেয়নি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি সরকারের আমলেই বাংলা ভাষা ধ্রুপদী ভাষার স্বীকৃতি পেয়েছে। এর ফলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণার নতুন পথ খুলেছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, বিজেপি সরকারের উদ্যোগেই দুর্গাপুজো ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিজেপিকে অবাঙালিদের দল হিসেবে তুলে ধরার অভিযোগ মোকাবিলায় বাঙালির ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসঙ্গকে গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও সিঙ্গুরের সভা থেকে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ান মোদি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল রাজ্য ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে আপস করছে। তিনি বলেন, তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের বিভিন্ন সুবিধা দেয় এবং তাদের রক্ষা করতে আন্দোলনেও নামে। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবেই দেখে তৃণমূল। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১১ বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারকে সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমির প্রয়োজনীয়তার কথা জানালেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হলে ভুয়ো নথির মাধ্যমে যারা দেশে থেকে গিয়েছে, তাদেরও নিজ দেশে ফেরত পাঠানো উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার তাঁদের নাগরিকত্ব নিয়ে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে সিএএ কার্যকর করে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে সিঙ্গুরের মঞ্চ থেকে একদিকে বাঙালি আবেগ, অন্যদিকে নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তা দিতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা হিংসার পরে মৃতের বাড়িতে সাংসদ, দেরি না দায়িত্ব— বিতর্ক তুঙ্গে

অশান্ত বেলডাঙায় এখনও থমথমে পরিস্থিতি। দুদিনের হিংসার পর এলাকাজুড়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ। আজও চলছে রুটমার্চ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিরোধীদের একটাই প্রশ্ন ছিল, এত বড় ঘটনার পরেও কোথায় ছিলেন বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠান? কেন তাঁকে এলাকায় দেখা যাচ্ছিল না? এই প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর।সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বেলডাঙায় দেখা গেল ইউসুফ পাঠানকে। তিনি যান নিহত পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের বাড়িতে। সেখানে গিয়ে আলাউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন সাংসদ। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তিনি।এর একদিন আগেই বহরমপুরে রোড শো করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি জানান, ইউসুফ পাঠান এলাকায়ই ছিলেন এবং বেলডাঙায় যেতে চেয়েছিলেন। অভিষেক বলেন, তাঁর র্যালি ও বৈঠক শেষ হলে সাংসদ, বিধায়করা একসঙ্গে নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়াবেন। পাশাপাশি প্রশাসনের তরফে আর্থিক সাহায্য ও মৃতের স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।এই ঘোষণার পরেই বেলডাঙায় ইউসুফের উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, আলাউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সময় ইউসুফও আর্থিক সাহায্য ও চাকরির বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বেলডাঙার বিধায়কও।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইউসুফ পাঠান বলেন, এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, পরিযায়ী শ্রমিকরা শুধু নিজের জন্য কাজ করেন না, যে রাজ্যে কাজ করেন সেই রাজ্যের উন্নয়নেও তাঁদের বড় ভূমিকা থাকে। তাই এই ধরনের ঘটনা হওয়া কখনওই কাম্য নয়।তবে দেরিতে এলাকায় আসা নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ মানতে নারাজ সাংসদ। তাঁর দাবি, তিনি এলাকাতেই ছিলেন এবং জনপ্রতিনিধিরা মাঠে নেমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কাজ করছিলেন। তাঁর কথায়, তাঁরা সব সময় মানুষের পাশেই আছেন।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

যে জমি দেখেছিল টাটার স্বপ্ন, সেখানেই মোদীর সভা! সিঙ্গুরে ইতিহাসের মোড়

যে জমি এক সময় বড় শিল্পের স্বপ্ন দেখেছিল, যেখানে হাজার হাজার মানুষের কাজের আশা জড়িয়ে ছিল, সেই জমিতেই আজ বড় রাজনৈতিক সভা। হুগলির সিঙ্গুরে সেই জমিতেই সভা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একদিন এই সিঙ্গুর ছেড়েই টাটার ন্যানো কারখানা চলে গিয়েছিল গুজরাটের সানন্দে। তারপর কেটে গিয়েছে বহু বছর। সেই জমিতে আর শিল্প ফেরেনি, চাষও হয়নি। সেই দীর্ঘ অধ্যায়ের মাঝেই আজ ফের সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র নজর।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলা ও অসমকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই আজ আরও একগুচ্ছ প্রকল্পের সূচনা করতে চলেছেন তিনি। হুগলির সিঙ্গুর থেকেই প্রায় ৮৩০ কোটি টাকার বেশি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। একই সঙ্গে একটি নতুন অমৃত ভারত ট্রেনেরও সূচনা করবেন তিনি।এ দিন অসম থেকে সরাসরি বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর তিনটের পর থেকে একের পর এক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করার কথা রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম বলাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট গেট সিস্টেম প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় তৈরি হবে একটি ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট টার্মিনাল এবং একটি রোড ওভার ব্রিজ। প্রায় ৯০০ একর এলাকা জুড়ে বলাগড়কে আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং টার্মিনাল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে, যার বার্ষিক পণ্য পরিবহণ ক্ষমতা প্রায় ২.৭ মিলিয়ন টন হবে।এই প্রকল্পে দুটি কার্গো জেটি তৈরি হবে। একটি কনটেনারবাহী পণ্যের জন্য এবং অন্যটি ড্রাই বাল্ক কার্গোর জন্য ব্যবহৃত হবে। এর ফলে ঘনবসতিপূর্ণ শহর এলাকা থেকে ভারী পণ্য পরিবহণ অনেকটাই সরানো যাবে। কলকাতায় যানজট ও দূষণ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবহণের নিরাপত্তা বাড়বে এবং নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। কম খরচে পণ্য পরিবহণের সুবিধা পাওয়ায় আঞ্চলিক শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা এবং কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছনো আরও সহজ হবে। এই প্রকল্প থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বহু কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলেও মনে করা হচ্ছে।এ দিন কলকাতায় একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রিক ক্যাটামারানেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্টের জন্য কোচি শিপইয়ার্ডে তৈরি এই ক্যাটামারানটি ছয়টি ইলেকট্রিক জাহাজের মধ্যে একটি। ৫০ জন যাত্রী বহনে সক্ষম এই হাইব্রিড ইলেকট্রিক ক্যাটামারানে রয়েছে আধুনিক প্রপালশন ব্যবস্থা ও লিথিয়াম-টাইটানেট ব্যাটারি প্রযুক্তি। এটি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক মোডে যেমন চলতে পারে, তেমনই দীর্ঘ সময় হাইব্রিড মোডেও চলতে সক্ষম। হুগলি নদী বরাবর যাত্রী পরিবহণ, পর্যটন ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী জয়রামবাটি থেকে বরগোপীনাথপুর হয়ে ময়নাপুর পর্যন্ত নতুন রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। এটি তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর নতুন রেললাইন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই রেলপথ চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ময়নাপুর থেকে জয়রামবাটি পর্যন্ত একটি নতুন ট্রেন পরিষেবাও শুরু হবে। এর ফলে বাঁকুড়া জেলার বাসিন্দারা সরাসরি রেল যোগাযোগের সুবিধা পাবেন। দৈনন্দিন যাত্রী, পড়ুয়া এবং তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত অনেকটাই সহজ ও সাশ্রয়ী হবে।বাংলার জন্য তিনটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনেরও সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই ট্রেনগুলি কলকাতা থেকে আনন্দ বিহার টার্মিনাল, শিয়ালদহ থেকে বারাণসী এবং সাঁতরাগাছি থেকে তাম্বরমের মধ্যে চলবে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে সিঙ্গুরের মাটি থেকেই উন্নয়ন ও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
বিদেশ

পেট্রোলের দাম চাইতেই মৃত্যু! বাংলাদেশে গাড়ি চাপা দিয়ে খুন হিন্দু যুবক

বাংলাদেশে ফের এক হিন্দু যুবকের নৃশংস মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। রাজবাড়ি জেলায় পেট্রোল পাম্পে কাজ করা এক যুবককে গাড়ি চাপা দিয়ে পিষে মারার অভিযোগ উঠেছে। নিহত যুবকের নাম রিপন সাহা, বয়স প্রায় ৩০ বছর। অভিযোগ, পেট্রোলের দাম চাইতেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাজবাড়ি জেলার গোয়ালান্দা মোড়ের করিম ফিলিং স্টেশনে ডিউটি করছিলেন রিপন। সেই সময় একটি কালো রঙের এসইউভি গাড়ি পেট্রোল পাম্পে আসে। গাড়িতে প্রায় ৫ হাজার টাকার তেল ভরানো হয়। কিন্তু তেল নেওয়ার পর টাকা না দিয়েই গাড়িটি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন চালক। রিপন সেই সময় গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে টাকা চাইতে যান। অভিযোগ, টাকা দেওয়ার বদলে গাড়িটি তাঁর উপর দিয়েই চালিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।পুলিশ জানিয়েছে, গাড়িটি একটি ল্যান্ড ক্রুজার। সেটির মালিক রাজবাড়ি জেলার প্রাক্তন বিএনপি নেতা আবুল হাসান ওরফে সুজন। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি। অভিযুক্ত আবুল হাসান অতীতে বিএনপির জেলা কমিটির ট্রেজারার ও যুবদলের সভাপতি ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। পেশায় তিনি একজন ঠিকাদার।ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে এসেছে। সেই ফুটেজে দেখা গিয়েছে, গাড়িটি পেট্রোল ভরে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রিপন ও তাঁর এক সহকর্মী সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। রিপন গাড়ির পিছনে দৌড়ান। কিছু দূর গিয়ে পেট্রোল পাম্পের আর এক কর্মী দেখতে পান, হাইওয়ের উপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে রিপনের দেহ। মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাত ছিল তাঁর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই যুবকের। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।এই ঘটনার পর আবারও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গত বছরের শেষে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে একের পর এক হিন্দু নিগ্রহ ও হত্যার অভিযোগ সামনে এসেছে। গত ১৮ ডিসেম্বর দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবকের নৃশংস মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চলতি বছরের জানুয়ারির শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত একাধিক হিন্দু হত্যার খবর সামনে এসেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal