• ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্য

বর্ষায় ত্বক ও চুলের যত্নে প্রসাধনী বাছাইয়ে সতর্কতা, কী রাখবেন বিউটি কিটে?

এ বছর বর্ষার আগমন কিছুটা দেরিতে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। তবে এখন বর্ষা সক্রিয় হওয়ায় একদিকে যেমন মিলেছে স্বস্তি, অন্যদিকে বেড়েছে বাতাসের আর্দ্রতা। এই পরিবর্তিত আবহাওয়ায় ত্বক ও চুলের ওপরও পড়ছে বিশেষ প্রভাব। অতিরিক্ত ঘাম, ধুলো এবং আর্দ্রতার কারণে ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষাকালে সঠিক প্রসাধনী নির্বাচন এবং নিয়মিত ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়া শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, সুস্থ থাকার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বর্ষা মানেই একদিকে স্বস্তির বৃষ্টি, অন্যদিকে ত্বক ও চুলের নানাবিধ সমস্যা। অতিরিক্ত আর্দ্রতা, ঘাম, ধুলো এবং বৃষ্টির জল মিলিয়ে এই সময়ে ত্বক হয়ে উঠতে পারে তৈলাক্ত, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা দেয় ব্রণ, র্যাশ বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের আশঙ্কা। তাই বর্ষাকালে প্রসাধনী ব্যবহারে প্রয়োজন বাড়তি সচেতনতা।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে ভারী বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত প্রসাধনীর বদলে হালকা, নন-কমেডোজেনিক (যা সহজে রোমছিদ্র বন্ধ করে না) এবং জলভিত্তিক পণ্য ব্যবহার করাই ভালো। এতে ত্বক সতেজ থাকে এবং ব্রণের ঝুঁকিও কমে।বর্ষার বিউটি কিটে কী কী রাখবেন?১. মৃদু ফেসওয়াশ:দিনে অন্তত দুবার মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকে জমে থাকা ঘাম, ধুলো ও অতিরিক্ত তেল দূর হয়। তবে অতিরিক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করাও ঠিক নয়, এতে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হতে পারে।২. হালকা ময়েশ্চারাইজার:অনেকেই মনে করেন বর্ষায় ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখতে হালকা জেল বা ওয়াটার-বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।৩. সানস্ক্রিন:মেঘলা আকাশ থাকলেও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর আগে উপযুক্ত এসপিএফ-যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।৪. ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ:বর্ষায় সাধারণ মেকআপ সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ওয়াটারপ্রুফ কাজল, মাসকারা, আইলাইনার ও লং-লাস্টিং ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ঠিক থাকে।৫. হালকা লিপ বাম:বৃষ্টির সময়েও ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করলে ঠোঁট নরম ও সুরক্ষিত থাকে।চুলের যত্নেও নজর দিনবর্ষায় চুলে আর্দ্রতার প্রভাব বেশি পড়ে। ফলে খুশকি, চুল পড়া বা স্ক্যাল্পে সংক্রমণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা কন্ডিশনার ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ বেঁধে রাখা বা অপরিষ্কার রাখা উচিত নয়।প্রসাধনী ব্যবহারে যেসব ভুল এড়াবেন* মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।* অন্যের মেকআপ বা প্রসাধনী ভাগ করে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।* ভেজা হাতে প্রসাধনীর পাত্রে বারবার হাত দেবেন না।* ত্বকে অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রসাধনী ব্যবহার বন্ধ করুন।* সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্যও গুরুত্বপূর্ণপ্রসাধনী ব্যবহার যতই হোক, পর্যাপ্ত জল পান, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুমই ত্বক ও চুল ভালো রাখার অন্যতম চাবিকাঠি। বর্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রসাধনী নির্বাচন করলেই এই মৌসুমেও সৌন্দর্য থাকবে অটুট।মনে রাখবেন: বাজারে নতুন কোনও প্রসাধনী কেনার আগে তার উপাদান, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিন। প্রয়োজন হলে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তবেই নতুন পণ্য ব্যবহার করুন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতরের নতুন নির্দেশ: সব ঔষধের দোকানে বাধ্যতামূলক কিউ–আর কোড, অভিযোগ জানানো আরও সহজ

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতর দেশের সমস্ত ঔষধের দোকানে কিউআর কোড (QR Code) বসানো বাধ্যতামূলক করে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। এই কিউআর কোড স্ক্যান করলেই সাধারণ উপভোক্তারা নির্দিষ্ট একটি সরকারি পোর্টালে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন। ফলে ওষুধ বিক্রি সংক্রান্ত অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, ভুল মূল্য নির্ধারণ, বা বেআইনি বিক্রির মতো সমস্যা দ্রুত নজরে আসবে।স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বাড়ানোই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। ক্রমবর্ধমান অনিয়ম রুখতে ও জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা কার্যকরী হবে বলে মনে করছে কেন্দ্র। এছাড়াও একটি টোল ফ্রী নম্বার প্রকাশ করা হয়েছে, যদি আপনি ওষুধ-সংক্রান্ত (নকল/জাল/ভুল বা সমস্যাজনিত) অভিযোগ করতে চান, আপনি টোল-ফ্রি নম্বর কাজে লাগাতে পারেন:Central Drugs Standard Control Organisation (CDSCO) এর জন্য: 1800-180-3024কীভাবে কাজ করবে এই কিউআর কোড?প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত মেডিসিন শপে দৃশ্যমান স্থানে একটি ইউনিক কিউআর কোড লাগাতে হবে।ক্রেতা কিউআর কোড স্ক্যান করলেই তিনি সরকারি অভিযোগ পোর্টাল/অ্যাপে পৌঁছে যাবেন।সেখানে দোকানের নাম, লাইসেন্স নম্বর, অবস্থান স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখাবে।ক্রেতা সহজেই অভিযোগ বা ফিডব্যাক জমা দিতে পারবেন।প্রাপ্ত অভিযোগ সরাসরি সংশ্লিষ্ট জেলার ড্রাগ কন্ট্রোল অফিসারের কাছে পৌঁছবে।কবে থেকে কার্যকর?দফতর সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সব দোকানে কিউআর কোড বসানো বাধ্যতামূলক। সময়সীমার পর নিয়ম না মানলে জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিল পর্যন্ত হতে পারে।কী বলছেন স্বাস্থ্য দফতর?দফতরের মতে, সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অভিযোগ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হচ্ছে। প্রত্যেক উপভোক্তা যেন দোকানের বিরুদ্ধে সরাসরি মতামত বা অভিযোগ জানাতে পারেন, এটাই লক্ষ্য।দোকানদারদের প্রতিক্রিয়াঅনেক ফার্মাসিস্ট এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও কিছু দোকান মালিকের দাবি, বাড়তি প্রশাসনিক চাপ বাড়বে। তবে অধিকাংশের মত, স্বচ্ছতা বজায় থাকলে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।কেন জরুরি এই উদ্যোগ?ওষুধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাফার্মেসিতে নিয়ম ভঙ্গ বন্ধনকল/মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থাগ্রাহককে ক্ষমতায়নকেন্দ্রীয় সরকারের এই উদ্যোগ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
স্বাস্থ্য

কোলকাতায় ডেঙ্গুর দেরিতে ঊর্ধ্বগতি, হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে!

কোলকাতায় মৌসুমের শেষের দিকে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেছে, যার ফলে শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।সূত্রের খবর থেকে জানা যাচ্ছে যে, কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (KMC) এলাকায় গত তিন সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৩২ থেকে বেড়ে ১,১০৬ হয়েছে। বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (BMC) জানিয়েছে, বিধাননগরএলাকায় নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই ৩২টি নতুন কেস ধরা পড়েছে; চলতি বছরের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩৭।বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও ভর্তি বাড়ছে জানা গিয়েছে, পিয়ারলেস হাসপাতালে বর্তমানে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন।ম্যানিপাল হাসপাতাল (ঢাকুরিয়া) তে গত এক সপ্তাহে ৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ২ জনের অবস্থা গুরুতর এবং তারা আইসিইউতে আছেন।কেন বাড়ছে সংক্রমণ?বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমের শেষ দিকেও অবিরাম ও ছিটেফোঁটা বৃষ্টি মশার প্রজননের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করছে। ফলে, সাধারণত অক্টোবরের শেষের দিকে যেখানেই সংক্রমণ কমে আসে, এ বছর সেটি নভেম্বরেও অব্যাহত রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই সপ্তাহ ধরে শহরে গড়ে প্রতিদিন সামান্য বৃষ্টি হয়েছে, যা মশার প্রজননস্থল নষ্ট করতে বাধা দিচ্ছে।চিকিৎসকরা বলছেন, বেশিরভাগ ডেঙ্গু রোগী হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার জ্বরে আক্রান্ত হলেও, উপেক্ষা করলে তা গুরুতর হতে পারে।ডাঃ সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেনঃঅনেকেই জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর ভেবে অবহেলা করছেন। কিন্তু জ্বরের সঙ্গে শরীর ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা বা র্যাশ দেখা দিলে দ্রুত রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত।ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে কি কি সতর্কতা অবলম্বন করবেন?১) KMC ও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর যৌথভাবে মশা দমন অভিযান শুরু করেছে। নাগরিকদের প্রতি তাদের আহ্বান ২) ঘর ও আশপাশে জমে থাকা জল ফেলে দিন,৩) জলের পাত্র সপ্তাহে অন্তত একবার পরিষ্কার করুন,৪) পুরো দেহ ঢাকা পোশাক পরুন,৫) এবং দিনের বেলায় মশার কামড় থেকে নিজেকে বাঁচান।স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নজরদারি দল কাজ করছে এবং আক্রান্ত এলাকায় বিশেষ স্প্রে অভিযান চলছে বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই সাবধান না হলে শহরে ডেঙ্গুর প্রভাব আরও বাড়তে পারে। তাই সাধারণ মানুষকে সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে কারণ ডেঙ্গুর কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ নেই, তবে সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসাই একমাত্র কার্যকর প্রতিরোধ।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
স্বাস্থ্য

দিনের পর দিন কাজ করেও বেতন জোটেনি, শেষমেশ অবস্থান-বিক্ষোভ মালদা মেডিক্যাল কলেজে

দিনের পর দিন বেতন না মেলায় অবশেষে ক্ষোভ দানা বাঁধলো মেডিক্যাল কলেজের শতাধিক অস্থায়ী কর্মীদের মধ্যে। কাজ করেও তাঁদের বেতন জোটেনি। বকেয়া বেতন মেটানোর দাবিতে সোমবার সকাল থেকেই কর্মবিরতির ডাক দিলেন মালদা মেডিকেল কলেজের শতাধিক অস্থায়ী কর্মী। এদিন সকাল থেকেই মেডিকেল কলেজের ট্রমা কেয়ার ভবনের সামনের অবস্থান-বিক্ষোভে বসে পড়েন অস্থায়ী কর্মীরা। যতক্ষণ পর্যন্ত বেতন সমস্যা না মেটানো হবে ততক্ষণ কর্মবিরতি চলবে বলেও সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হওয়া অস্থায়ী কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, পরিশ্রম করেও প্রতিমাসে নিয়ম করে বেতন মিলছে না। এই মেডিকেল কলেজের হাউসকিপিং, নিরাপত্তারক্ষী সহ বিভিন্ন বিভাগে প্রায় ১৮১ জন অস্থায়ী কর্মী রয়েছেন। ১৪ ঘণ্টারও বেশি কাজ করেন প্রত্যেকেই। কিন্তু বেতনের সময় এলেই আর নিয়ম করে তা দেওয়া হচ্ছে না। অধিকাংশ অস্থায়ী কর্মীদের ছয় মাসের বেতন মেলেনি। আবার কেউ চার মাস এবং তিন মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে এব্যাপারে গণস্বাক্ষর সম্বলিত চিঠি দেওয়া হলেও কোনওরকম সদুত্তর পাওয়া যায়নি। তাই নিজেদের বকেয়া বেতনের দাবিতে এদিন কর্মবিরতির ডাক দিয়ে এভাবে অবস্থান-বিক্ষোভে বসেছে। এদিন বিক্ষোভকারী এক অস্থায়ী কর্মী অম্লান মিশ্র বলেন, আমি নিজে ছয় মাস ধরে বেতন পাইনি। অথচ মেডিকেল কলেজের প্রতিদিনই ১২ থেকে ১৪ ঘন্টা ডিউটি করছি। আমার মতো শতাধিক অস্থায়ী কর্মী মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছে না। অথচ আমরা কর্তব্যে কোনও সময় গাফিলতি করি না। মালদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ পার্থ প্রতিম মুখোপাধ্যায় বলেন, নির্দিষ্ট একটি এজেন্সির মাধ্যমেই ওই অস্থায়ী কর্মীরা কাজ করেন। এখানে মেডিকেল কলেজের কোনও হাত নেই। তবুও বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জুন ০৯, ২০২৫
স্বাস্থ্য

দেশে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়িয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত, দেশে সক্রিয় কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৬,১৩৩ জনে পৌঁছেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬জন কোভিড-১৯ আক্রান্তের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। কর্ণাটকে দুজন, কেরালায় তিনজন এবং তামিলনাড়ুতে একজন।রবিবার পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রাজ্য কেরালা। সেখানে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ১,৯৫০ জনে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, এর পরেই রয়েছে গুজরাট, পশ্চিমবঙ্গ এবং দিল্লি। রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ জন নতুন কোভিড-১৯ আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে। যার ফলে সংখ্যাটি ৬৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, আজ সকাল পর্যন্ত দেশজুড়ে ৭৫৩ জন রোগীর নিরাময় হয়েছে।ভারতে করোনার বর্তমান বৃদ্ধির কারণ হল নতুন ওমিক্রন উপ-ভেরিয়েন্ট যেমন JN.1, NB.1.8.1, LF.7, এবং XFC। এগুলোর সংক্রমণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হালকা লক্ষণ দেখা গেছে। WHO বর্তমানে এগুলোকে পর্যবেক্ষণাধীন রূপ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করেছে। এখনও উদ্বেগের বিষয় নয়, তবে সতর্কতা প্রয়োজন। ইতিমধ্যে, কোভিড-১৯ এর জন্য দায়ী ভাইরাস SARS-CoV-2 অদৃশ্য হয়ে যায়নি।

জুন ০৯, ২০২৫
স্বাস্থ্য

ফের করোনা উদ্বেগ বাড়ছে বাংলায়, সতর্কতার ওপর জোর স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের

করোনা শুনলেই ফের মনে আতঙ্ক, উদ্বেগ বাড়তে থাকে। মনে পরে যায় ২০২০-২০২২ এর সেই ঘরবন্দি পরিস্থিতি। দেশ জুড়ে লোকডাউন। রোজগার চলে যাওয়া। মানুষের হাহাকার।। আবার সেই করোনা নামক অসুরের থাবা দেশ জুড়ে। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমবঙ্গে, বিশেষ করে কলকাতায় কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা বেশ কিছুটা বেড়েছে।এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে মোট সক্রিয় কোভিড-১৯ কেসের সংখ্যা ৩৭১। কলকাতায় ৪১টি নতুন কোভিড-১৯ কেস রিপোর্ট করা হয়েছে। চলতি বছরে এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত একটি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। মৃত ৪৩ বছর বয়সী মহিলা হাওড়ার বাসিন্দা ছিলেন। জানা গিয়েছে, তাঁর কিডনি ও হৃদরোগের মতো অন্যান্য কোমরবিডিটি ছিল। তার JN.1 ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। দেশের অন্যান্য রাজ্য যেমন কেরালা, মহারাষ্ট্র এবং তামিলনাড়ুতেও JN.1 ভ্যারিয়েন্টের কারণে মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।সতর্কতা: যদিও সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে, স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন যে আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি। তবে সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।কলকাতা পৌরসংস্থা (KMC) শহর জুড়ে ব্যানার লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে মানুষ মাস্ক পরা, ঘন ঘন হাত ধোয়া এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।কেএমসি-এর স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপসর্গযুক্ত ব্যক্তিদের এবং কোমরবিডিটি আছে এমন ব্যক্তিদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। হাসপাতালের প্রস্তুতি: হাসপাতালগুলোকে পর্যাপ্ত সংখ্যক বেড, অক্সিজেন সরবরাহ, অ্যান্টিবায়োটিক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ওষুধের স্টক নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। ভেন্টিলেটর, বাই-প্যাপ মেশিন, অক্সিজেন কনসেনট্রেটর এবং পিএসএ প্ল্যান্ট সহ সমস্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আরটি-পিসিআর পরীক্ষা বাড়ানোর উপর জোর দিচ্ছেন। বিশেষ করে JN.1 উপ-ভ্যারিয়েন্টের উচ্চ সংক্রমণ হারের পরিপ্রেক্ষিতে। * বুস্টার ডোজ: বিশেষ করে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর জন্য বুস্টার ভ্যাকসিন নেওয়ার সুপারিশ করা হচ্ছে।সাধারণ মানুষের জন্য পরামর্শ:* মাস্ক ব্যবহার: জনসমাগমপূর্ণ স্থানে মাস্ক পরুন।* হাতের স্বাস্থ্যবিধি: নিয়মিত সাবান ও জল দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস বজায় রাখুন বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।* সামাজিক দূরত্ব: ভিড় এড়িয়ে চলুন এবং অন্যদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।* উপসর্গ দেখা দিলে: জ্বর, সর্দি, কাশি বা শ্বাসকষ্টের মতো কোনও উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং নিজেকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখুন।* টিকাকরণ: যারা এখনও বুস্টার ডোজ নেননি, তাদের দ্রুত তা নেওয়ার কথা ভাবা উচিত, বিশেষ করে যদি তাদের কোমরবিডিটি থাকে।বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সরকারি নির্দেশিকা অনুসরণ করা সকলের জন্য জরুরি।

জুন ০৬, ২০২৫
স্বাস্থ্য

১৮ বছরের বধূ একসঙ্গে চার কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন

প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে ভর্তির পর একসঙ্গে চারটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন ১৮ বছর বয়সী গৃহবধূ। যদিও জন্মের পর ওই চারটি সদ্যজাতের ওজন কম হওয়ায় অপুষ্টি এবং শারীরিক গত সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে মালদা মেডিকেল কলেজের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা। চারটি সদ্যোজাতকে মাতৃমা বিভাগের আইসিইউতে ভর্তি রেখে চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছেন কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা।মালদা মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, গাজোল ব্লকের বাচাহার এলাকার গৃহবধূ রেহেনা খাতুন। তার স্বামী রেজাউল হোসেন পেশায় ভিন রাজ্যের শ্রমিক। স্ত্রী গর্ভবতী হওয়ার পর গত এক মাস আগেই রেজাউল হোসেন দিল্লি থেকে কাজ সেড়ে গাজোলের গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। গত সপ্তাহের শুক্রবার প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে মালদা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয় গৃহবধূর রেহেনা খাতুন। সোমবার রাতে ওই গৃহবধূ একসঙ্গে পরপর চারটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়। স্বাভাবিকভাবেই প্রসবের মাধ্যমেই এই কন্যা সন্তানগুলি জন্ম দিয়েছেন ওই গৃহবধূ বলে জানিয়েছে মালদা মেডিকেল কলেজের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা। কিন্তু জন্মের পর চারটি সদ্যোজাতের মধ্যে তিনটির ওজন হয়েছে ১ কিলো ৫০০ গ্রাম। আরেকটির ওজন হয়েছে এক কিলো। ওজন কম হওয়ার কারণেই পুষ্টিজনিত সমস্যা দেখা দিয়েছে ওই চার সদ্যোজাতের। তাদের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ারও ব্যবস্থা করেছে মালদা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ।এদিকে মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, আধার কার্ডের জন্ম পরিচয় অনুযায়ী ওই গর্ভবতী গৃহবধূ রেহেনা পারভীনের বয়স ১৮ বছর। তার স্বামী রেজাউল হোসেন জানিয়েছেন, সাড়ে ১৬ বছর বয়স থাকার সময় রেহেনাকে বিয়ে করেছিল সে। এদিকে এত অল্প বয়সে বিয়ে, তার ওপর সন্তান ধারণ। এক্ষেত্রে বাল্যবিবাহের প্রতিরোধ বিষয়টিও সামনে উঠে এসেছে।মালদা মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডাঃ প্রসেনজিৎ বর জানিয়েছেন, এটা একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা। একজন গৃহবধূ একসঙ্গে চারটি কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছে। তবে ওই সন্তানগুলি অপুষ্টিতজনিত কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছে। মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকেরা ওই গৃহবধূ ও তার চার কন্যা সন্তানের চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা চালিয়ে যাচ্ছে।এদিকে জেলায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে মালদার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুদীপ্ত ভাদুড়ি জানিয়েছেন, কিছু ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটছে। দুর্গম এলাকাগুলিতেই বেশ কিছু পরিবারের সদস্যরা অল্প বয়সে তাদের বাড়ির মেয়েদের বিয়ে দিচ্ছে। দুর্গম গ্রাম হওয়ার কারণেই সহজেই সেইসব খবর আমরা জানতে পারছি না। তবে স্বাস্থ্য দপ্তর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে সচেতনতা মূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। গত এক দশকের ব্যবধানে মালদা জেলায় ৪৪ শতাংশ থেকে বাল্যবিবাহ ১৬ শতাংশতে নামিয়ে আনা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
স্বাস্থ্য

চিকিৎসার জন্য আর বাইরে নয়,কল্যানীর এইমসে রোগী দেখানোর খুঁটিনাটি তথ্য রইল এই প্রতিবেদনে

রোগী দেখাতে আর বাংলার বাইরে ছুটতে হবে না। এখানেই গড়ে উঠেছে চিকিৎসা পরিষেবার বৃহত্তর হাসপাতাল। নদীয়ার কল্যানীতে গড়ে উঠেছে এইমস। সেই হাসপাতাল সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল। কীভাবে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন, যাবেন কীভাবে সমস্তই তথ্যই থাকছে এখানে।১৭৫৪ কোটি টাকা খরচ করে ১৮০ একর জায়গার ওপর গড়ে উঠেছে কল্যানীর এইমস। এই আধুনিক হাসপাতালে রয়েছে মোট ৯৬০টা বেড। তার মধ্যে এখন চালু হচ্ছে ৪৫০টি বেডের পরিষেবা। ধীরে ধীরে সমস্ত বেডই চালু হয়ে যাবে। এখানে চিকিৎসক দেখাতে হলে প্রথমেই ১০টাকা দিয়ে একটা বই করাতে হবে। এই বইটির মেয়াদ একবছর। একবছর ফ্রিতে ডাক্তার দেখাতে পারবেন। এই হাসপাতালে বেডের ভাড়া দিনপ্রতি মাত্র ৩৫টাকা। এই টাকার বিনিময়ে রোগী এখানে খাবারও পাবে। এখানে ভর্তির সময় ১০ দিনের টাকা অর্থাৎ ৩৫০টাকা দিতে হবে। কসান মানি দিতে হবে ২৫ টাকা। মোট খরচ ৩৭৫ টাকায় ১০ দিন এখানে চিকিৎসা হবে। যাদের কেন্দ্রীয় প্রকল্প আয়ুস্মান ভারতের কার্ড রয়েছে তাঁদের এই টাকাও লাগবে না। গরিব মানুষের ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। স্বাস্থ্যের সমস্ত ধরনের পরীক্ষা চালু রয়েছে। সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয় রেজিস্ট্রেশন। রোগী দেখা হয় ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত। সোম থেকে রবিবার পর্যন্ত খোলা থাকে আউটডোর। অনলাইনেও রেজিস্ট্রেশন করা যেতে পারে।কল্যানীতে কিভাবে যাওয়া যাবে?শিয়ালদা থেকে ট্রেন যোগে সহজেই যাওয়া যাবে কল্যানী। আবার যাঁরা মুর্শিদাবাদের দিক থেকে আসবেন তাঁরাও ট্রেনে যোগে এই স্টেশনে আসতে পারবেন। বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি থেকে এলে নৈহাটি থেকে ট্রেন ধরবেন। নৈহাটি থেকে একেবারেই কাছে। তাছাড়া যে কোনও প্রান্ত থেকে সড়ক যোগাযোগেও যাওয়া যেতে পারে কল্যানী। জিটি রোড ধরে হুগলির পান্ডুয়ার পরেই ঈশ্বরগুপ্ত সেতু পার হলেই কল্যানী।

অক্টোবর ৩০, ২০২৪
স্বাস্থ্য

মালদায় বার্ড ফ্লু নিয়ে শোরগোল! পরিস্থিতি উদ্বেগজনক নয়, বললেন স্বাস্থ্যকর্তা

মানবদেহে বার্ড ফ্লুর সংক্রমণ খতিয়ে দেখতেই মালদার কালিয়াচকে আক্রান্ত শিশুর বাড়িতে যান রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তিন প্রতিনিধি দল । শুক্রবার কালিয়াচক ১ ব্লকের আলিপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের সিলামপুর এলাকার আক্রান্ত ওই শিশুর বাড়িতে যান রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা ডা: দীপঙ্কর মাঝি সহ তিনজন কর্মকর্তা। তাঁরা কথা বলেন আক্রান্ত শিশুর পরিবারের সঙ্গে। তবে পরিস্থিতি খুব উদ্বেগ জনক নয় বলে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা ডা: দীপঙ্কর মাঝি জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে শিশুর শরীরে পশু-পাখির রোগের সংক্রমণ মিলতেই গোটা আলিপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত জুড়ে ব্যাপক আতংক ছড়িয়েছে। করোনার মত এই রোগ মানব দেহে দ্রুত ছড়াতে পারে কিনা তা নিয়েও রীতিমতো চিন্তিত রয়েছেন আক্রান্ত শিশুর পরিবার থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রামের বাসিন্দারা।এদিন ওই শিশুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে কথা বলার পর কালিয়াচক ১ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়েও বৈঠক করেন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মকর্তারা। আক্রান্ত শিশুর মা এবং বাবা জানিয়েছেন, গত চার মাস ধরে তার ছেলে জ্বরে আক্রান্ত রয়েছে। প্রায় দিনই অক্সিজেন দিতে হচ্ছে। একবার অক্সিজেন দিতে গেলে এক হাজার টাকা করে খরচ হচ্ছে। ঘটিবাটি বিক্রি করে তাঁরা ছেলের কোনরকমে চিকিৎসা চালাচ্ছেন । এই অবস্থায় ভালো চিকিৎসা পরিষেবার দাবিও জানিয়েছেন আক্রান্ত শিশুর পরিবার । তাঁরা দাবি করেছেন, ছেলের বার্ড ফ্লু হয়েছে। কিন্তু জানুয়ারি মাসের এই রোগ এতদিন পর কেন জানানো হলো তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।উল্লেখ্য, সিলামপুর এলাকার চার বছরের শিশুর গত জানুয়ারি মাসে জ্বর, পেটে ব্যথা, বমি নিয়ে মালদা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়। প্রায় একমাস চিকিৎসা চলার পর ওই শিশুকে মালদা থেকে কলকাতার নীলরতন সরকার হাসপাতালে রেফার করা হয়। এরপরই ওই শিশুর রক্ত সহ শারীরিক সমস্ত নমুনা সংগ্রহ করে মহারাষ্ট্রের পুনেতে চিকিৎসক বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়। প্রায় পাঁচ মাস পর গত তিনদিন আগে বার্ড ফ্লু জড়িত সংক্রমণ ওই শিশুর শরীরে মিলেছে বলে রিপোর্টে পাঠানো হয়। আর তারপর থেকেই রাজ্যজুড়ে চরম শোরগোল পড়ে যায় । ভারতের ইতিমধ্যে মহারাষ্ট্রের একজন এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদার কালিয়াচকের একজন মোট দুই মানবদেহে এই ধরনের পশু- পাখির রোগের সংক্রমণ মিলেছে। যা অতীতে ভারতবর্ষের কোথাও কোনদিন দেখা যায়নি। বিগতদিনে বাংলাদেশে একজন ব্যক্তি বার্ড ফ্লু আক্রান্ত হয়েছিল বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে।এদিন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা রাজ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ দীপঙ্কর মাঝি বলেন, বিষয়টি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে এসেছিলাম। আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই। তবে ওই শিশু এবং তার পরিবার নজরদারিতেই থাকবে। পাশাপাশি পুরো বিষয়ের রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে।

জুন ১৫, ২০২৪
স্বাস্থ্য

একেই ডেঙ্গি ঘুম কেড়েছে, এবার দোসর করোনা, ৩ কোভিড আক্রান্তের মৃত্যু বর্ধমান হাসপাতালে!

একেই ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত। চিন্তায় ঘুম উড়েছে সাধারণ মানুষের। সরকারের নাজেহাল দশা। এরই মধ্যে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরপর ৩ দিনে ৩ করোনা আক্রান্তের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।অন্য রোগ নিয়ে এঁরা বর্ধমান হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন চিকিৎসা করাতে। ২ জনের ছিল এনসেফ্যালাইটিস। অপরজন কিডনির সমস্যা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। নিজেরাও জানতেন না তাঁরা কোভিড আক্রান্ত।মৃতদের বাড়ি- একজনের ভাতারে, একজনের কীর্ণাহারে, বরেকজন দেওয়ানদিঘির বাসিন্দা। ক্রিটিক্যাল অবস্থা হওয়ায় এঁদের সিসিইউ ভর্তির পরামর্শ দেয় চিকিৎসকরা। তখন এই রোগীদের করোনা পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষায় ওই তিন রোগীর করোনা ধরা পড়ে। তাঁদের প্রত্যেকের ডেথ সার্টিফিকেটে করোনার উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের কতৃপক্ষের দাবি, ওই ৩ জনের করোনায় নয়, নিউমোনিয়ায় মৃত্যু হয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ কৌস্তভ নায়েক বলেছেন, মৃতদের সবার অ্যান্টিজেন টেস্ট পজিটিভ ছিল, অন্য কারণে মৃত্যু। আরটিপিসির পজিটিভ না হলে কোভিডে মৃত্যু বলা যাবে না। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ১০-১২ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় ভাতারের বাসিন্দাা বছর ৬০-এর এক বৃদ্ধ মারা যান। তাঁর কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ ছিল। অন্যদিকে, সোমবার সকালে মারা যান দেওয়ানদিঘি থানা এলাকার বাসিন্দা ৬১ বছরের এক বৃদ্ধ। তিনি কয়েকদিন আগে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এই রেগীরও কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে। মঙ্গলবার সকালে ২৫ বছর বয়সী যুবকের মৃত্যু হয়। যাঁর বাড়ি কীর্ণাহারে। অন্য হাসপাতাল থেকে রেফার হয়ে এসে তাঁর চিকিৎসা চলছিল বর্ধমানে।অন্যদিকে, জ্বর নিয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বেশ কয়েকজন। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, জুলাই মাসে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন ২১ জন। জানয়ারি মাস থেকে জেলায় আক্রান্ত ১০৯ জনের মধ্যে ভাতারে ২৩ জন, জামালপুরে ১২, কাটোয়া-১ নম্বর ব্লকে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ জন। বর্ধমান হাসপাতালে ২০ বেডের ডেঙ্গি ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। সেখানে ভর্তি রয়েছেন ৫ জন ডেঙ্গি রোগী।

আগস্ট ০১, ২০২৩
স্বাস্থ্য

হোস্টেলের দাবীতে আন্দোলনে বর্ধমান ডেন্টাল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা

বর্ধমানের ডেন্টাল কলেজের ছাত্ররা আন্দোলনে নেমেছেন। তারা দাবি তোলেন, ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে অবিলম্বে হোস্টেল চাই তাদের জন্য। রীতিমতো শ্লোগান দিয়ে তারা ধরণা চালিয়ে যাচ্ছেন।২০০৯ এ বর্ধমান ডেন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ছাত্রছাত্রীদের বক্তব্য ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও এই কলেজে এখনও পর্যন্ত কোনোও হোস্টেল নেই। নতুন নতুন নার্সিং থেকে মেডিকেল কলেজ সবার হোস্টেল আছে।শুধু তাঁদেরই নেই।তাদের আরো বক্তব্য হোস্টেল না থাকায় তাদের বাইরের মেস বা পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকতে হচ্ছে। জুনিয়র ডাক্তার বা ছাত্র হিসেবে এই সুযোগ তাদের প্রাপ্য। যদি কোনো ব্যবস্থা না হয় তারা আরও বড় আন্দোলনে নামবেন।তাদের কথায়, তারা জেলা এবং রাজ্যস্তরে জানিয়েছেন। কোনো ফল হয় নি তাতে। আজ থেকে তারা আন্দোলন শুরু করলেন। তবে আউটডোর সহ রোগীর পরিষেবা সব চালু রেখেছেন তারা।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
স্বাস্থ্য

ডক্টরস্ এক্সসেলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২২

ভগবানের পর আমাদের জীবনে যাদের অবদান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ তারা হলেন ডাক্তার। তাদেরই প্রয়াসে নতুন জীবন পাই আমরা। এবার সেই সব ডাক্তারদের সম্মাননা জ্ঞাপনের বিশেষ প্রয়াস নেওয়া হল। উদ্যোগে এস এস মিডিয়া এন্ড প্রোডাকশন। শনিবার তাদের উদ্যোগে আয়োজিত হল ডক্টর এক্সসেলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২২। স্বাস্থ্য পরিষেবা ক্ষেত্রে এই সব মানুষদের যে অবদান তাকে কুর্নিশ জানাতেই এই অ্যাওয়ার্ডের আয়োজন বলে জানালেন উদ্যোক্তা শুভাশিস সাহা। শুধু তাই নয় সাস্থ পরিষেবা ক্ষেত্রকে উৎসাহিত করতেও এবং এই ক্ষেত্রে যাতে আরো নতুন চিন্তা ভাবনা এবং উদ্ভাবন হয় সেটার ওপরও নজর দেন উদ্যোক্তারা। এবছর খ্যাতনামা চিকিৎসক রূপালি বসু প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ডা: জয়ন্ত কুমার গুপ্ত ও বিশেষ সম্মানে ভূষিত হলেন ডা: সুচেতনা সেনগুপ্ত। এছাড়া এস এস মিডিয়া অ্যান্ড প্রোডাকশন কর্তৃক আয়োজিত ডক্টরস অ্যাওয়ার্ড ২২ প্রদান করা হলো ডক্টর ইন্দ্রনীল মুখোপাধ্যায়, ডক্টর সঞ্জয় সেন, ডক্টর সায়ন্তনী সেনগুপ্ত, ডক্টর সুপর্ণা ব্যানার্জি, ডক্টর ক্যামিলা সাহা, ডক্টর বিনায়ক চন্দ , ডক্টর দীপঙ্কর রায়, ডক্টর , জয়ন্ত চক্রবর্তী, ডক্টর শৈবাল ব্যানার্জি, ডক্টর অনুজ কান্তি পোদ্দার, সমাজসেবী দিলীপ কুমার জয়সোয়াল, ডায়েটসিয়ান চেতু সিংহী সহ অন্যান্যদের। এদিন মঞ্চে ডাক্তারদের সম্মাননা প্রদান করার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।এই নিয়ে দ্বিতীয় বছরে পড়ল এস এস মিডিয়া অ্যান্ড প্রোডাকশনের এই উদ্যোগ। মূল উদ্যোক্তা শুভাশিস সাহার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপস্থিত সকলেই।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২২
স্বাস্থ্য

সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রাইভেট ল্যাবের নাম সুপারিসের অভিযোগ

এবার খোদ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বাইরের ল্যাবের নাম সুপারিস করার অভিযোগ উঠলো। সেই ল্যাব থেকে বাড়তি টাকা দাবি করায় পরীক্ষা না করিয়ে হাসপাতালের সুপারের কাছে অভিযোগ করেন রোগীর পরিজন। অভিযোগ করা হয়েছে বর্ধমান থানাতেও। ঘটনা বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।গত ১৫ আগস্ট বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক শিশুর জন্ম দেয় পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের ভাটাকুলের রাকিনা বেগম। তারপর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে শিশু বিভাগের এস এন সি ইউ-তে ভর্তি করা হয়। রোগীর পরিজনদের দাবি, গত ২৫ আগষ্ট শিশুটির একটি রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। তখন চিকিৎসক অমরেশ রায়, রোগীর পরিজনদের ডেকে বলেন, এই পরীক্ষা হাসপাতালে হয়না। এটি বাইরে থেকে করাতে হবে।পরিজনদের অভিযোগ, ওই ডাক্তারবাবু বাইরের ল্যাবের একজনকে ডেকে তাঁদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। এবং রক্ত পরীক্ষার জন্য ১৩০০০ টাকা লাগবে বলা হয়। কিন্তু, এত টাকা দেওয়া সম্ভব নয় বলে অনেক অনুরোধে ৮০০০ টাকায় রক্ত পরীক্ষা করার রফা হয়। তাঁকে প্রথমে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়। পরদিন তাঁকে বাকি টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। শিশুর কাকা সেখ জসীমউদ্দিনের বলেন, পরদিন ওই ল্যাব আরও বাড়তি টাকা দাবি করে। তখন তাঁরা বাধ্য হয়ে ফিরে আসেন। এবং সোমবার হাসপাতাল সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। সোমবার বিকালে বর্ধমান থানাতেও অভিযোগ করা হয়।পাশাপাশি পরিবারের দাবি, হাসপাতালের সুপার তাপস ঘোষ বলেন, পরীক্ষাটি বাইরে থেকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে করিয়ে দেওয়ায় আশ্বাস দিয়েছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই পরীক্ষা বর্ধমান হাসপাতালে হয়না। তাই বাইরে থেকে করানোর কথা বলা হয়েছিল। হাসপাতালের সুপার তাপস ঘোষ বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ভুল বোঝাবুঝির জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে। তবুও, একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে আসল তথ্য সামনে আসবে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
স্বাস্থ্য

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বেহাল চিকিৎসা পরিষেবার প্রতিবাদে তুমুল বিক্ষোভ

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বেহাল চিকিৎসা পরিষেবা। দীর্ঘদিন ধরে পরিষেবা না পেয়ে সোমবার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জড়ো হয়ে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। ঘটনা পূর্ব-বর্ধমানের আউশগ্রামের দিগনগরে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায় দশবছর ধরে চিকিৎসক নেই। এখানে নার্স ও ফার্মাসিস্ট চিকিৎসা করেন। তাও আবার অনিয়মিত। এছাড়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিকাঠামো ভেঙে একোবারে পড়েছে। ঠিকমতো পরিস্কার হয় না।সন্ধ্যা হলেই হাসপাতাল চত্বরে সমাজবিরোধীদের মদ জুয়ার আসর বসে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এইসমস্ত অভিযোগ তুলে এদিন স্থানীয়রা বিক্ষোভ শুরু করেন। অথচ এলাকার ৭ - ৮ টি গ্রামের ১০ থেকে ১২ হাজার বাসিন্দা এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল। অথচ স্থানীয় নেতা থেকে মন্ত্রী, কিংবা বিধায়কের কোন উদ্যোগ নেই।

আগস্ট ২৯, ২০২২
স্বাস্থ্য

Pig Heart: শুকরের হৃদয়ে মানুষের জীবনীশক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশ্বে মহাবিপ্লব

চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটালেন আমেরিকার এক দল চিকিৎসক। এক ঐতিহাসিক কান্ড করে বসলেন। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মানুষের শরীরে শূকরের হৃদয় (Genetically Modified Pig Heart) প্রতিস্থাপন করেছেন তাঁরা। ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টারের (University of Maryland Medical Center) হাসপাতাল কতৃপক্ষ সোমবার জানিয়েছেন যে, অস্ত্রপচারের তিন দিন পরেও রোগী জীবিত আছেন। অস্ত্রপচারের পর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রতিস্থাপিত হার্ট রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দনকে স্বাভাবিক রাখার কাজ করছে।আরও পড়ুনঃ ভামিকার জন্মদিনে সেঞ্চুরি হাতছাড়া, রান পেলেও ব্যর্থ বাবা কোহলিপ্রায় আট ঘণ্টা ব্যাপী এই অস্ত্রপচারটি শেষ হয়েছে শুক্রবার। যদিও চিকিৎসকরা কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে অস্ত্রপচারের সময় লাগানো কৃত্রিম হার্ট ও ফুসফুসের বাইপাস মেসিন এখনো খোলেননি। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নতুন হার্ট-ই কাজ করছে, বিকল হওয়ার কোনও সম্ভবনা আপাতত তাঁরা দেখছেন না। চিকিৎসকরা আশা করছেন খুব শীঘ্র-ই দু-এক দিনের মধ্যে সাপোর্ট সিস্টেম খুলে স্বাভাবিক অবস্থায় রেখে দেবেন।আরও পড়ুনঃ বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাওমুখ্য শল্য চিকিৎসক ডঃ বার্টলে পি গ্রিফিথ জানিয়েছেন, আমরা খুব মনযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছি পুরো পদ্ধতিটা এবং আমরা ভীষণ আশাবাদী যে সারা পৃথিবীর মানুষের জন্য একটা বিকল্প দিক খুলে দিতে পারব। যখন মানুষের অঙ্গ পাওয়া খুব-ই দুষ্কর ব্যাপার। তিনি আরও জানিয়েছে যে, এটা মনে রাখতে হবে, এর আগেও শূকরের কোষ, চামড়া, হার্টের ভাল্ব মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, কিন্তু অন্য জীবের পুর্নাঙ্গ অঙ্গ প্রতিস্থাপন সারা পৃথিবীতে এটাই প্রথমবার। এই ধরনের অস্ত্রপচার-কে বলে জেনোট্রান্সপ্লান্টেশন (Xenotransplantation)। করাচী অধিবাসী এক পাকিস্তানি চিকিৎসক ডঃ মহম্মদ মহিউদ্দিন এই অস্ত্রপচারে ডঃ বার্টলে পি গ্রিফিথকে মূল সহয়তা করেন।BREAKING; In a medical first, doctors transplanted a pig heart into a human in a last-ditch effort to save his life. A Maryland hospital says the patient is doing well three days after the highly experimental surgery. https://t.co/hAQcYbwaYl The Associated Press (@AP) January 10, 2022ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টার কতৃপক্ষ সোমবার জানিয়েছে, অত্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে অস্ত্রপচারের তিন দিন পরেও রোগীর স্বাস্থ্য ভালো আছে। ডঃ মহম্মদ জানিয়েছেন, এটা খুব কঠিন এক পদক্ষেপ ছিল, দীর্ঘ নয় মাস ধরে আমরা এই বিষয়ে গবেষণা চালিয়েছি। রোগীর শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল তাতে আমাদের এটা ডু-অর-ডাই অবস্থা। আর কোনও বিকল্প রাস্তা ছিল না। তিনি আরও জানান, এটা চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক দিগন্তের দেখা মিলল। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জীবনদায়ী এক পদ্ধতির দরজা খুলে গেল।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়েও জয় এল না এসসি ইস্টবেঙ্গলেররোগী ডেভিড বেনেটের ছেলে (৫৭) সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তাঁর বাবা ছয় সপ্তাহ যাবত একমো সাপোর্টে মেরিল্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ডেভিড জানতেন এই ধরনের অস্ত্রপচারের সাফল্যের কোনও নিশ্চয়তা নেই। রোগী মারাও যাতে পারেন। তিনি চেয়েছিলেন তাঁর শরীরে একটি মানব হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন করতে। বেনেট অস্ত্রপচারের একদিন আগে বলেছিলেন, এটি আমার জন্য করো বা মরো পরিস্থিতি। আমি বাঁচতে চাই, আমি জানি এটা অন্ধকারে তীর নিক্ষেপ করার মত, কিন্তু এটাই আমার কাছে শেষ বিকল্প।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
স্বাস্থ্য

Mamata banerjee: একে করোনা আতঙ্ক, এবার ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া নিয়ে সাবাধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

করোনা আতঙ্কে জেরবার রাজ্যবাসী। এবার তার সঙ্গে আতঙ্ক বাড়তে চলেছে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার। তবে তা যে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সেকথা জানাতে ভোলেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশ্ববাংলা শারদ সম্মান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সতর্ক থাকতে বলেছেন সাধারণ মানুষকে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, এখন একটু জ্বর হয়। এত ভয় পাওয়ার কারণ নেই। মাস্কটা পড়বেন। আর ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু থেকে সাবধান থাকবেন। তবে আউট অব কন্ট্রোল নয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এখনও পর্যন্ত ম্যালেরিয়ায় ২ জন ও ডেঙ্গুতে ৫ জন মারা গিয়েছে।কলকাতা ও শহরতলিতে বরাবরই ডেঙ্গু নিয়ে একটা আতঙ্ক থাকে। তাছাড়া ম্যালেরিয়ার প্রকোপ থেকেও মুক্ত নয় এই অঞ্চল। তবে করোনা পরিস্থিতির আগে বেশ কয়েক বছর ডেঙ্গু আতঙ্কে রীতিমতো জেরবার হয়েছে মহানগর। এবার ফের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তবে মুখ্যমন্ত্রী সাবধান থাকতে বললেও নিয়ন্ত্রণে বলে জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, মশা থেকে সকলকে সকর্ত থাকতে হবে। করোনার সঙ্গে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি ভয়ানক হয়ে দাড়াতে বলে চিকিৎসকরা মনে করছেন। মশা নিধনে পুরসভা ও সাধারণ মানুষকে উদ্য়োগী হতে আবেদন জানিয়েছেন চিকিৎসকমহল।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

Facial Paralysis: পৌষের শীতের আমেজের-র আড়ালে ফেসিয়াল প্যারালাইসিস-র সর্বনাশ

শীতকালের আগমন বার্তা বয়ে আনে দুর্গাপুজো আর কালী পুজো। এই উৎসব উৎসব মেজাজে বাঙালির ঘরে প্রবেশ করে উত্তরে হাওয়া। কবুগুরু রবীন্দ্রনাথ এর ভাষায়ঃশীতের হওয়ার লাগলো নাচন আমলকির এই ডালে ডালে।পাতাগুলি শিরশিরিয়ে ঝরিয়ে দিলো তালে তালে।।বাঙালি আবার শীত সহ্য করতে পারে না। কিন্তু সারা বছর শীতের অপেক্ষা করতে থাকে। আমার তো মনে হয় এই অপেক্ষা যত না শীতের জন্য তার থেকে বেশি নলেন গুড় আর মটরশুঁটির কচুরি খাবার জন্য। খাদ্যরসিক বাঙ্গালি বসে থাকে কবে শীতের দিনে ভালো করে চড়ুইভাতি করবে আর জমিয়ে আড্ডা দেবে।এই শীতেই আবার প্রকোপ দেখা যায় ফেসিয়াল প্যারালাইসিস এর। যদিও ফেসিয়াল প্যারালাইসিস এর সাথে শীতের কোনো সরাসরি সম্মন্ধ নেই কিন্তু এর একটি রিস্ক ফ্যাক্টর হলো শ্বাসনালীর ইনফেকশন এবং ঠান্ডা লেগে কানের ইনফেকশন যা এই শীতের সময় বাঙালিদের সঙ্গী। শীতকাতুরে বাঙালির আবার ফেসিয়াল প্যারালাইসিস কিংবা বেলস পালসি হলে আর রক্ষা নেই। ৭ নম্বর ক্রেনিয়াল নার্ভ এর ডিসফানশন হলে এই উপসর্গ দেখা যায়। এটি স্যার চার্লস বেলস (সার্জন,অনাটোমিস্ট) [১৭৭৪ থেকে ১৮৪২] প্রথম উল্লেখ করেন।কি হয় এতে?চোখ বন্ধ না করতে পারা।ঠোঁট ঠিকমতো নাড়তে না পারা, এর ফলে খেতে ও কথা বলতে অসুবিধা হয়।কিছু মানুষের খেতে অসুবিধা না হলেও শুধু কথা বলতে অসুবিধা হয়।চোখ খোলা থাকার জন্য শুকিয়ে যায় এবং এতে চোখের ইনফেকশন হয়।খাবার-এর স্বাদ চলে যায়। তাই যে বাঙালি সারাবছর এই সময়ের জন্য অপেক্ষা করেন, সাবধান। তবে সবার ক্ষেত্রে এই উপসর্গ দেখা যায় না।হাসি, ভুরু কোচকানো ও অন্য আরো ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন নষ্ট হয়ে যায়।কিছু পেশেন্টের এর সাথে মাথা ব্যথাও থাকতে পারে।অনেকের আবার শব্দ-তে কষ্ট হয়।এর কারণ কি?ফেসিয়াল প্যারালাইসিস ও বেলস পালসির সঠিক কারণ বলা মুশকিল তবে কিছু রোগের উপসর্গ হিসেবে এটি দেখা দিতে পারে। যেমনঃ ডায়াবেটিস।হাইপারটেনশন।যে কোনও ধরণের ফেসিয়াল ইনজুরি।জিবি সিনড্রোম।মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস (Myasthenia Graves)।ইনফেকশন।টিউমার (Tumour)।শ্বাসনালীর ইনফেকশন।আক্রান্ত হলে কি করণীয়?যখনি এই উপসর্গ গুলো দেখতে পাবেন অবহেলা করলে চলবে না। কারণ আপনি যত ডাক্তার দেখাতে দেরি করবেন তত নার্ভ ড্যামেজ হতে থাকবে। ডাক্তার আপনাকে Steroids ও এন্টি ভাইরাল ওষুধ দেবে। তার সাথে, পারলে প্রথম দিন থেকে ফিজিওথেরাপি করাতে শুরু করুন। ফিজিওথেরাপিস্ট আপনাকে এক্সারসাইজ করাবেন এবং ফেসিয়াল মাসল এর স্টিমুলেশন দেবেন যা প্রচন্ড উপকারী।শীতের আমেজ উপভোগ করুন দারুন ভাবে আর তার সাথে সাথে সতর্ক থাকুন যেন এই রোগে আক্রন্ত না হয়ে পড়েন। যদি উল্লেখিত উপসর্গের কোনো একটি দেখতে পান তাহলে দেরি না করে চলে যান ডাক্তার আর ফিজিওথেরাপিস্ট এর কাছে। যত দেরি করবেন তত সারতেও দেরি হবে।ডঃ সত্যেন ভট্টাচার্যDr. Satyen Bhattacharyya) (PT)MPT, COMT, CMT, CDNP, DOMTP (Pursuing), PhD Scholar.Associate Professor : Burdwan Institute of Medical and Life SciencesEx-Physiotherapist : Sports Authority of India, Bardhamanআরও পড়ুনঃ মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার এক নতুন রোগের বার্তা নিয়ে হাজির টেক্সট নেক সিনড্রোমআরও পড়ুনঃ বসার ভুলে কত বড় সর্বনাশ হতে পারে, বিস্তারিত জানুনআরও পড়ুনঃ নিঃস্বাস এ নেই বিশ্বাস

অক্টোবর ২৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

Text Neck Syndrome: মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার এক নতুন রোগের বার্তা নিয়ে হাজির "টেক্সট নেক সিনড্রোম"

দূর্গা পুজো শুরু হতে যাচ্ছে। করোনার আবহাওয়াতেও মানুষ যেন নিজেকে আনন্দে মশগুল করে নিতে চাইছে। এবার মায়ের ঘোড়ায় আগমন আর দোলায় গমন। ঘোড়ায় আগমন মানে ছত্রভঙ্গন্তরঙ্গমে অর্থাৎ প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি আর বিশৃঙ্খলা। দোলাং মড়কাং ভবেৎ অর্থাৎ মায়ের দোলায় গমনের জন্য প্রচুর মৃত্যু আর মড়ক হবে, শরীর খারাপ হবে। তাই মায়ের গমনের কথা মাথায় রেখে আমরা শরীর সম্পর্কিত একটি বিষয় আলোচনা করবো যে অসুবিধা আমাদের সবার জীবনেই আছে।মোবাইল আমাদের জীবনের খুব প্রয়োজনীয় অঙ্গ হয়ে গেছে। তার মধ্যে আবার ফেসবুক, হোয়াটসআপ ছাড়া আমাদের সময় কাটে না। ফেইসবুক, হোয়াটসআপ আর ইনস্টাগ্রাম যখন 4th Oct ডাউন হয়ে যায় তখন মনে হচ্ছিলো আমরা মোবাইল এর কাছে কিভাবে আসক্ত হয়ে গেছি। মোবাইল ছাড়া আমাদের একটুও সময় কাটে না। আর এই মোবাইলের প্রভূত ব্যবহারের ফলে আমাদের টেক্সট নেক সিনড্রোম হচ্ছে। আমরা ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রচুর এই ধরণের রোগী দেখছি, যার ফল মারাক্তক হতে পারে।কি এই টেক্সট নেক?টেক্সট নেক হলো এক বিশেষ ধরণের শারীরিক ভঙ্গিমা যাতে মাথা সামনের দিকে এগিয়ে থাকে ঠিক যেভাবে আমরা ফোন দেখি বা ফোনে টেক্সট করি। এই ভাবে দীর্ঘক্ষণ দিনের পর দিন করতে করতে শরীরের ভঙ্গিমার পরিবর্তন ঘটে। সমীক্ষায় বলছে ভারতীয়রা সারাদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা মোবাইল ব্যবহার করে.আমেরিকার কাইরোপ্র্যাক্টর Dr. Dean L. Fishman এই সিনড্রোমটির নামকরণ করেন।কখন বুঝবেন আপনার টেক্সট নেক হয়েছে?ঘাড় স্টিফ হয়ে থাকবে।ব্যথা হবে।ব্যথা হাত দিয়ে নামবে।Shoulder ব্যথা হবে।মাথা ব্যথা হবে।দীর্ঘদিন এই সমস্ত উপসর্গ কে অবহেলা করলেঃডিস্ক Prolapsedআর্থরাইটিসকইফোসিসলিগামেন্ট ইনজুরিনার্ভ ইনজুরিইত্যাদি হতে পারে।তাই সাবধান থাকার জন্য কয়েকটি টিপস আর এক্সারসাইজ দেখে নিই।প্রথমে বলি কি করা যাবে নাদীর্ঘক্ষণ মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না।এক রকম শারীরিক ভঙ্গিমায় দীর্ঘক্ষণ থাকা যাবে না।কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহার করলে তা চোখের লেভেল বরাবর করতে হবে এবং হাত ও ঘাড়ের পজিশন ঠিক রাখতে হবে।হাতে বেশি ওজন বহন করা যাবে না।বড়ো কোনো জিনিস হাতে দীর্ঘক্ষণ ধরে থাকা যাবে না।এবার আলোচনা করি কয়েকটা ব্যায়ামঘাড়ের ডান ও বাম দিকে ঘোরানো।চিন টাক বা রিট্রাকশন এক্সারসাইজ।Shoulder এর মুভমেন্ট এক্সারসাইজ।Cervical এক্সটেনশন এক্সারসাইজ।Dorsal Spine এক্সটেনশন এক্সারসাইজ।ক্যাট - কাওএক্সারসাইজ।ডাউনওয়ার্ড ফেসিং ডগ।পদহস্তাসন।ডঃ সত্যেন ভট্টাচার্যDr. Satyen Bhattacharyya) (PT)MPT, COMT, CMT, CDNP, DOMTP (Pursuing), PhD Scholar.Associate Professor : Burdwan Institute of Medical and Life SciencesEx-Physiotherapist : Sports Authority of India, Bardhaman

অক্টোবর ০৭, ২০২১
স্বাস্থ্য

WHO: করোনা নিয়ে সুখবর শোনালেন হু-র প্রধান বিজ্ঞানী

কিছুটা পূর্বাভাসের আকারেই সুখবর শোনাল হু। তবে এ বার আতঙ্কের বা কোনও আশঙ্কা কথা নয়। বরং করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের ভয় যখন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখনই একপ্রকার আশার কথা শোনালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন। তিনি মঙ্গলবার জানিয়েছেন, ভারত ক্রমশ সংক্রমণের এমন একটা পর্যায়ে প্রবেশ করছে যাকে এই ভাইরাসের একপ্রকার শেষের শুরু বলা যায়। ইংরাজিতে ভাইরাসের এই পর্যায়কে এন্ডেমিক স্টেজ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?ভারতীয় বংশোদ্ভূত হু-এর প্রধান বিজ্ঞানী জানাচ্ছেন, যেই সময় একটা গোটা জনজাতি ভাইরাসকে সঙ্গী করেই বাঁচতে শিখে যায়, তখন তাকে এন্ডেমিক স্টেজ বলা হয়। ভাইরাসের প্রভাব ক্রমশ বিলিন হতে শুরু হওয়ার আগের পর্যায় হিসেবে এই স্টেজ পরিচিত। অতিমারি বা এপিডেমিক পর্যায়ে সাধারণত ভাইরাস একটা জাতির উপর চেপে বসে। এন্ডেমিক পর্যায়ে এসে ভাইরাসকে সঙ্গী করেই বাঁচতে শিখে যায় মানুষ। ভারতও ক্রমশ সেই পথেই অগ্রসর হচ্ছে বলে তিনি বলেন। ঠিক যে সময় করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা বাড়ছে, তখন হু-এর প্রধান বিজ্ঞানীর এই মন্তব্যকে আশাব্যঞ্জক হিসেবেই ধরে নিতে হয়।অন্যদিকে, করোনা তৃতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় শিশুদের ক্ষতি হতে পারে বলে যতই পূর্বাভাস দেওয়া হোক না কেন, অভিভাবকদের বিন্দুমাত্র ভাবিত হতে না বলেছেন স্বামীনাথন। সেরো সার্ভেতে যে তথ্য উঠে এসেছে তাকে ভিত্তি করে হু-এর বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, শিশুদেহে সংক্রমণের ঘটনা ঘটলেও তাদের অসুস্থতা একেবারেই গুরুতর নয়। মৃত্যুর ঘটনাও প্রায় নগণ্য বলেই জানিয়েছেন তিনি। তবে মনে করিয়ে দিয়েছেন, সচেতন থাকার চেয়ে বড় ওষুধ কিছু হয় না। পূর্বাভাস ও পূর্ববর্তী তথ্য যাই বলুক না কেন, সাবধানতাই শ্রেষ্ঠ পন্থা।

আগস্ট ২৪, ২০২১
স্বাস্থ্য

Corona Update: উদ্বেগ বাড়িয়ে ডেল্টার প্রভাবে ফের বাড়ছে সংক্রমণ

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনার দৈনিক সংক্রমণ। স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত শনিবারের বুলেটিনে নতুন করে রাজ্যে ৭৬৯ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। উদ্বেগ বাড়িয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা ও উত্তরবঙ্গের সংক্রমণের হারও। কলকাতাতেও গত দুদিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে সংক্রমণ। জেলায় করোনা সংক্রমণের দিকে নজর করলে বোঝা যাবে, রাজ্যের কয়েকটি অংশে সিংহ ভাগ আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলা আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পঙ ও জলপাইগুড়ি মিলিয়ে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ২০৬। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দৈনিক আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে দার্জিলিঙে (৬৫), তার পরেই রয়েছে জলপাইগুড়ি (৬১)। আরও পড়ুনঃ অনুমতি ছাড়াই ম্যারাথনে দৌঁড়লেন দিলীপ-সৌমিত্ররাদক্ষিণবঙ্গে এখনও উদ্বেগের কারণ হয়ে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। শেষ ২৪ ঘণ্টায় এই জেলায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯, যা রাজ্যেও সর্বোচ্চ। জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে ব্যারাকপুর কমিশনারেট ও বারাসত পুর এলাকায় একাধিক কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, ভারতে করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও ফের বাড়ল সংক্রমণ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রবিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ৪১ হাজার ৮৩১। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৯ হাজার ২৫৮ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৩৫১ জনের। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ১৬ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮২৪। অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪ লক্ষ ১০ হাজার ৯৫২। করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৮ লক্ষ ২০ হাজার ৫২১ জন।এই মুহূর্তে ভারতে সংক্রমণ বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা নিচ্ছে ডেল্টা রূপ। ডেল্টার হাত ধরেই ভারতে তৃতীয় ঢেউ আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই প্রসঙ্গে গুলেরিয়া বলেন, হাম বা চিকেন পক্সের ক্ষেত্রে আর ভ্যালু প্রায় ৮। অর্থাৎ এক জনের থেকে আট জনের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আমরা দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় দেখেছি এক জনের থেকে পুরো পরিবারকে আক্রান্ত হতে। চিকেন পক্সের ক্ষেত্রেও এটাই হয়। ডেল্টা রূপে আক্রান্ত এক জনের পক্ষে গোটা পরিবারকে আক্রান্ত করার ক্ষমতা রয়েছে।ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে সেরো সার্ভেতে দেখা গিয়েছে অ্যান্টিবডির পরিমাণ অনেকটাই। তবে এই বিষয় নিয়ে বেশি খুশি হওয়ার কারণ নেই বলেই জানিয়েছেন গুলেরিয়া। তিনি বলেন, আমরা দেখেছি আগে কেরলে অ্যান্টিবডি অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সেখানে সংক্রমণ বাড়ছে। কারণ একটা সময়ের পরে শরীরে অ্যান্টিবডির পরিমাণ ও ক্ষমতা দুইই কমতে থাকে। ফলে একমাত্র টিকাই ভরসা। যত দ্রুত সম্ভব সবাইকে টিকা দেওয়া দরকার। তবেই দেশে সংক্রমণ কমানো যাবে বলে মনে করেন এইমস প্রধান।

আগস্ট ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! থানায় গিয়ে কী জানালেন বিজেপি নেতার স্ত্রী?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠল। বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের স্ত্রী মৌসুমী দাস ঘোষ।অভিযোগকারিণীর দাবি, গত শনিবার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কার্যালয় ভাঙচুরের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।মৌসুমী দাস ঘোষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তিনি লাগাতার হুমকি পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, সামাজিক মাধ্যমে অভিষেকের ডিজিটাল যোদ্ধারা তাঁকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করছেন। এই কারণে গত দুদিন ধরে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন।সোমবার সকালে তিনি বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে আমতলার পার্টি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সালে তাঁর স্বামী অভিজিৎ দাসের উপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, সেই সময় মারধরের ফলে তাঁর স্বামীর দুটি পা ভেঙে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা পুলিশি নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আমফানের ত্রাণ বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস নোদাখালি থানায় লিখিত অভিযোগ করে দাবি করেছিলেন, বজবজ ২ ব্লকে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ত্রাণ দুর্নীতি হয়েছে এবং ভুয়ো নথি তৈরি করে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

৪৪০ কোটির অ্যাকাউন্ট ফ্রিজেই থাকছে! হাইকোর্টের রায়ে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

কালীঘাট তৃণমূল হাইকোর্টে বড় আইনি ধাক্কা খেল। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এর এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়।আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্ট নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে তৃণমূলের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। দলের তহবিল থেকে বেআইনিভাবে অর্থ সরানোর অভিযোগে পুলিশ ও ইডি তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল। এর মধ্যে তিনটি মূল অ্যাকাউন্টে প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা ছিল।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর এজলাসে কালীঘাট তৃণমূল আবেদন জানিয়েছিল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য ওই তিনটি অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারির জন্য একজন বিশেষ আধিকারিকও নিয়োগ করা হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে ইডির তল্লাশি অভিযানের পর আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়। কালীঘাট তৃণমূলের দাবি ছিল, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণের পরও ইডি কীভাবে নতুন করে আরও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে পারে। এই অভিযোগ নিয়ে তারা পরে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসের দ্বারস্থ হয়। গত সপ্তাহেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল।সোমবার রায়ে বিচারপতি স্পষ্ট করেন, ইডি বর্তমানে তদন্ত চালাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্টের ওপর আদালত আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর অবশেষে নাড্ডার সাক্ষাৎ! সিজেপিকে কী আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

অবশেষে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এক্স-এ একটি পোস্ট করে জানান, দুই ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষার পর তিনি এবং আশুতোষ রঙ্কা নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। বৈঠকটি হয় নাড্ডার বাড়িতে এবং প্রায় দশ মিনিট স্থায়ী হয়।সৌরভ দাস লিখেছেন, দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর আশুতোষ আর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জে পি নাড্ডা। তাঁর বাড়িতে। তবে মাত্র দশ মিনিটের জন্য। আমরা একটি চিঠি জমা দিয়েছি, যেখানে আমাদের সব দাবির কথা লেখা রয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ মহলে কথা বলবেন।এদিকে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সংসদ চত্বর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, সেখানে আর কোনও বিক্ষোভকারী নেই, শুধুমাত্র পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে ২১ দিনের মাথায় পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দেন। সরকার যদি সেই শর্তগুলির মধ্যে কোনও একটি মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ জিতেই গোলপোস্টের নেট কেটে নেন কেন ফুটবলাররা? জানুন রীতির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ট্রফি জয়ের উচ্ছ্বাসে যখন গোটা দল মেতে উঠেছে, তখন একটি পরিচিত দৃশ্য আবারও ধরা পড়ল। স্পেনের একাধিক ফুটবলার কাঁচি হাতে গোলপোস্টের নেট কেটে নিজেদের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দিলেন। একই দৃশ্য প্রায় প্রতি বিশ্বকাপ, ইউরো কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের পর দেখা যায়।অন্যদিকে ক্রিকেটেও বড় টুর্নামেন্ট জেতার পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের পিচের দুই প্রান্তের স্টাম্প বা উইকেট খুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রশ্ন উঠতেই পারেএই রীতি কোথা থেকে এল? কেনই বা চ্যাম্পিয়নরা মাঠের এই অংশগুলো নিজেদের কাছে স্মৃতি হিসেবে তুলে রাখেন?স্মৃতিকে ধরে রাখার এক অনন্য ঐতিহ্যক্রীড়াজগতের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হলো বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়। একজন খেলোয়াড়ের জীবনে এমন মুহূর্ত হয়তো একবারই আসে। তাই সেই ঐতিহাসিক দিনের একটি বাস্তব স্মৃতি সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান অনেকেই।ফুটবলে গোলপোস্টের নেট এবং ক্রিকেটে স্টাম্পএই দুটি জিনিসই সেই ম্যাচের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে নেটে জয়ের গোল জড়িয়েছে কিংবা যে উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে ইতিহাস লেখা হয়েছে, সেটিই হয়ে ওঠে সাফল্যের প্রতীক।ফুটবলে নেট কাটার রীতি কবে থেকে?ফুটবলে গোলপোস্টের নেট কেটে নেওয়ার রীতির নির্দিষ্ট কোনও আনুষ্ঠানিক সূচনা নেই। তবে ক্রীড়া ইতিহাসবিদদের মতে, ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশক থেকে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন কলেজ ও পেশাদার খেলাধুলায় এই সংস্কৃতির প্রচলন শুরু হয়।বিশেষ করে বাস্কেটবলে এনসিএএ (NCAA) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর খেলোয়াড় ও কোচেরা সিঁড়ি বেয়ে উঠে বাস্কেটের জাল কেটে নেওয়ার যে ঐতিহ্য গড়ে ওঠে, তা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাতেও একই ধরনের আবেগঘন স্মৃতিচিহ্ন সংগ্রহের সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ে।বিশ্বকাপ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় টুর্নামেন্টে অনেক সময় খেলোয়াড়রা গোলপোস্টের নেটের ছোট একটি অংশ কেটে পরিবারের সদস্যদের উপহার দেন কিংবা নিজেদের ট্রফি কেবিনেটে সংরক্ষণ করেন।ফিফা কি এতে আপত্তি করে?না। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরে খেলোয়াড়রা নেটের ছোট অংশ কেটে নিতে পারেন। তবে সেটি অবশ্যই আয়োজকদের অনুমতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকে করা হয়। অনেক সময় মাঠকর্মীরাই খেলোয়াড়দের নেট কেটে দিতে সাহায্য করেন।ক্রিকেটে স্টাম্প নিয়ে যাওয়ার শুরু কীভাবে?ক্রিকেটে ম্যাচ শেষে স্টাম্প তুলে নেওয়ার ইতিহাস আরও পুরনো। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই বিশেষ ম্যাচ বা ঐতিহাসিক জয়ের স্মারক হিসেবে স্টাম্প সংরক্ষণের রেওয়াজ ছিল।ধীরে ধীরে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে বিশ্বকাপ, অ্যাশেজ, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা অন্য বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল জয়ের পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের স্টাম্প খুলে নিতে দেখা যায়।অনেক খেলোয়াড় সেই স্টাম্পে পুরো দলের স্বাক্ষর করিয়ে ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখেন। কেউ আবার তা নিজের ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, জাদুঘর বা পরিবারের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করেন।শুধু আবেগ নয়, ইতিহাসেরও অংশগোলপোস্টের নেট কিংবা স্টাম্পএগুলি আসলে কোনও সাধারণ সরঞ্জাম নয়। এগুলি সেই মুহূর্তের সাক্ষী, যখন একটি দল ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তাই ট্রফির পাশাপাশি এই ছোট্ট স্মৃতিচিহ্নও খেলোয়াড়দের কাছে অমূল্য সম্পদ হয়ে ওঠে।হয়তো বহু বছর পরে কোনও জাদুঘরে কিংবা নিজের ঘরের ট্রফি কেবিনেটে রাখা সেই নেটের টুকরো বা স্টাম্প দেখে আবার ফিরে আসবে সেই বিশ্বজয়ের রাত, দর্শকদের গর্জন আর সাফল্যের অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই ঐতিহ্যের পুনরাবৃত্তিনিউ জার্সির ফাইনালে স্পেনের ফুটবলারদের গোলপোস্টের নেট কেটে নিতে দেখা যাওয়ায় আবারও প্রমাণ মিললসময় বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু চ্যাম্পিয়নদের আবেগ বদলায়নি। ট্রফি জয়ের আনন্দের সঙ্গে মাঠের একটি ছোট্ট অংশকে স্মৃতি হিসেবে বয়ে নিয়ে যাওয়ার এই ঐতিহ্য আজও বিশ্ব ক্রীড়ার অন্যতম সুন্দর ও আবেগঘন অধ্যায়

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

‘ধন্যবাদ, ভারত!’ বিশ্বকাপ হারলেও ভারতীয় সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পরও ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ভারতে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো। সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ এক আবেগঘন বার্তায় তিনি ভারতীয় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, আর্জেন্টিনা দলের প্রতি এই বিশ্বকাপ জুড়ে ভারতীয় মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আবারও ধন্যবাদ, ভারত!বিশ্বকাপে শিরোপাধারী হিসেবে অভিযান শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে স্পেনের কাছে পরাজিত হয় লিওনেল মেসির দল।ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস, অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে। এই জয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন।পুরো ম্যাচে বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে বহুবার রক্ষা করেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যিনি একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন।Deeply grateful to the Indian People for the endless displays of support for the Argentine team during this latest World Cup. Thank you, India, once again! pic.twitter.com/kd9hmTBnON Mariano Caucino (@CaucinoMariano) July 20, 2026তবে ম্যাচের শেষদিকে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মেসিদের।অতিরিক্ত সময়ে প্রথমে নিকো উইলিয়ামস গোল করলেও ফাউলের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেরান তোরেস জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে বিশ্বকাপ এনে দেন।এই জয়ের ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্পেনের অপরাজিত থাকার রেকর্ড বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ ম্যাচে, যা ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে নতুন নজির। একইসঙ্গে ৬৪ বছর পর বিশ্বকাপ শিরোপা সফলভাবে ধরে রাখার আর্জেন্টিনার স্বপ্নও ভেঙে যায়।তবুও গোটা টুর্নামেন্টে ভারতীয় সমর্থকদের বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশেষ করে লিওনেল মেসিকে ঘিরে ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ বরাবরের মতোই নজর কেড়েছে। সেই ভালোবাসার স্বীকৃতি দিতেই বিশ্বকাপ শেষ হতেই ভারতীয় সমর্থকদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতার বার্তা দেন রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো।বিশ্বকাপ জয় হাতছাড়া হলেও, ভারত ও আর্জেন্টিনার ফুটবল-সম্পর্ক যে আরও গভীর হয়েছে, রাষ্ট্রদূতের এই বার্তাই যেন তারই প্রমাণ।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

পুলিশি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই পথে সিজেপি, যন্তর মন্তরে তুমুল ধুন্ধুমার

পুলিশ অনুমতি না দিলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে মিছিল বের করতেই রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করে যন্তর মন্তর চত্বর ঘিরে ফেলা হয়।দিল্লি পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, সংসদ অভিযানের জন্য সিজেপির পক্ষ থেকে কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি। এমনকি অনুমতি চাইলেও তা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, সংসদ ও তার আশপাশের এলাকা উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। তাই সেখানে কোনও মিছিল বা জমায়েত আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সংসদের দিকে কোনও মিছিল এগোতে দেওয়া হবে না।পুলিশের এই সতর্কবার্তার পরও সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, বৃষ্টি বা কড়া নিরাপত্তা কোনও কিছুই তাদের আন্দোলন থামাতে পারবে না। সেই অনুযায়ী সোমবার সকালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে।संसद के सामने युवाओं पर आँसू गैस छोड़ना बंद कीजिए।दमन की बजाय संवाद का रास्ता चुनिए।#संसद_मार्च pic.twitter.com/C2MHT55Mpk Cockroach Janta Party (@CJP_for_India) July 20, 2026নিরাপত্তার কারণে দিল্লির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনরাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থসাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যন্তর মন্তর ছাড়া দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে একুশ দিন পর পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দিয়েছেন। সরকার যদি তার মধ্যে কোনও একটি শর্ত মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে বিদেশ যেতে দিল না হাই কোর্ট! এসএসকেএমেই চিকিৎসার নির্দেশে তীব্র চাঞ্চল্য

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও এক বড় আইনি ধাক্কা খেলেন। তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার অনুমতি দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়লেও আপাতত বিদেশ যেতে পারবেন না অভিষেক। তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছে আদালত।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে উদ্দেশ করে অভিষেকের ডিজে বাজানোর মন্তব্য নিয়ে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানিতেই সোমবার বিষয়টি ওঠে। অভিষেকের আইনজীবী আদালতের কাছে আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানান। বিচারপতি সেই আবেদন মেনে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ান।তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ২৯ জুলাই চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, বিদেশেই কেন চোখের চিকিৎসা করাতে হবে? কলকাতাতেও চোখের চিকিৎসার জন্য একাধিক হাসপাতাল রয়েছে। প্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালে অভিষেকের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। তখন বিচারপতি জানান, আদালত কখনওই চান না আবেদনকারীর চিকিৎসায় কোনও সমস্যা হোক। তাই প্রথমে এসএসকেএম হাসপাতালে সমস্ত পরীক্ষানিরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্ট দেখে পরে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে, অভিষেক বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন কি না।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ডানকুনি হাইওয়ের কাছে এক পথ দুর্ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁ চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসা চলে। পরে তিনি আমেরিকাতেও চিকিৎসা করান এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেখানে চেকআপের জন্য যেতে হয়। তবে আদালতের নির্দেশ মেনে আপাতত আগামী দুমাস তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগেই বিস্ফোরণ! ফাইল খুলে কী প্রকাশ করবেন শুভেন্দু?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগের দিন বড় রাজনৈতিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার বিকেলে বিধানসভায় বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করবেন।সোমবার সকালে বিধানসভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে ১০ মিনিট সময় চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, বিকেলে ১০ মিনিট সময় নেব। ২১ জুলাই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট পড়ে শোনাব। আগের সরকার কমিশন তৈরি করলেও সেই রিপোর্ট কোনওদিন প্রকাশ করেনি। রিপোর্টে কী আছে, তা আজ জানানো হবে।১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সচিত্র পরিচয়পত্রের দাবিতে যুব কংগ্রেস মহাকরণ অভিযান করেছিল। সেই আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সরকারের আমলে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই ঘটনায় ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল।এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তখনকার যুব কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন এবং ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হন। ক্ষমতায় আসার পর তিনি ২১ জুলাইয়ের ঘটনার তদন্তের জন্য বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করেন।তবে দীর্ঘ ১৫ বছর সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। রিপোর্টটি ফাইলবন্দি অবস্থায় ছিল। এদিকে সেই সময় গুলিচালনার নির্দেশ দেওয়া প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তকে পরে বিধায়ক ও মন্ত্রী করা হয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।মঙ্গলবার ৩৩তম শহিদ দিবস পালিত হবে। তার আগের দিনই এই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করার ঘোষণা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, সেই রিপোর্টে ঠিক কী কী তথ্য সামনে আসে।

জুলাই ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal