• ২০ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার ০৪ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

দেশ

দেশ

কাশ্মীরে জঙ্গি মদতে চিনের হাত

লাদাখের পর এবার জম্মু-কাশ্মীরের দিকে হাত বাড়াল চিন। নয়াদিল্লিকে বিপাকে ফেলতে উপত্যকায় বহুল পরিমাণে অস্ত্রশস্ত্র ঢোকানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। আর এ ব্যাপারে ইসলামাবাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে চিন, গোয়েন্দা সূত্রে এমনই খবর। সম্প্রতি ভূস্বর্গে তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র মজুত করেছে সেনা। আর সেই অস্ত্রভাণ্ডারেই মিলেছে চিনের তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র ও যুদ্ধের সরঞ্জাম। আর এক্ষেত্রে পাক-চিন যোগসূত্র নিয়ে সন্দেহ আরও জোরদার হয়েছে নয়াদিল্লির। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জম্মু ও কাশ্মীরে বারুদের স্তূপ বানাতে ইসলামাবাদকে তোল্লাই দিচ্ছে বেজিং। ভারতের সেনা সূত্রে খবর, সম্প্রতি উপত্যকায় নিরস্ত্র জঙ্গি অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে‌। জঙ্গিদের অস্ত্র পাঠানো হয়েছে ড্রোন মারফত। গত কয়েক মাসে ভূস্বর্গের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বেশ কয়েকটি জায়গায় অস্ত্রশস্ত্র ছাড়াও ড্রোন উদ্ধার হয়েছে। সেগুলি যে চিনের সেই প্রমাণও মিলেছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
দেশ

বিস্ফোরক ক্যাগ, নিশানায় কেন্দ্র

কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে একের পর এক তির ছুঁড়ে চলেছে 'দ্য কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অব ইন্ডিয়া' বা ক্যাগ। রাফাল যুদ্ধ বিমান ক্রয়ে ফরাসি সংস্থা দাসোর বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছিল ক্যাগ। এবার কেন্দ্রকে নিশানা করল জিএসটি ক্ষতিপূরণ নিয়ে। এক্ষেত্রে কেন্দ্র নিজের নিয়ম নিজেই ভেঙেছে বলে বিস্ফোরক দাবি ক্যাগের। দাবি করা হয়েছে ৪৭ হাজার ২৭২ কোটি টাকা জিএসটি কমপেনসেশন সেস ফান্ডে কেন্দ্র পাঠায়নি। নিয়ম লঙ্ঘনে ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের ঘটনা রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে। সিএফআইতে ওই টাকা না পাঠিয়ে অন্য খাতে খরচ করার অভিযোগ উঠেছে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে। জিএসটি ক্ষতির জন্য রাজ্যগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান কোনও আইনে নেই বলে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এখানেই শেষ নয়। খনিজ তেল, শিল্প, উন্নয়ন ও পরিকাঠামো খাতে সংগৃহীত শুল্ক নির্দিষ্ট ফান্ডে স্থানান্তরিত করা হয়নি বলেও অভিযোগ ক্যাগের। বর্তমানে সংসদ বন্ধ। শীতকালীন অধিবেশনে সরকারকে চেপে ধরতে ক্যাগের রিপোর্টই যে বিরোধীদের প্রধান অস্ত্র, তা বলাই যায়।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
দেশ

বিহার ভোটের দামামা

ভোট বড় বালাই। দিন দিন করোনা সংক্রমণ যেভাবে হাইজাম্প দিচ্ছে, তাতে নো পড়োয়া ভোেটর ক্ষেত্রে। করোনা আবহেই শুক্রবার বিহার বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করলেন মুখ‍্যনির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। দিনক্ষণের পাশাপাশি ঘোষিত হল ভোটের আচরণবিধিও। তিন দফায় নির্বাচন হবে বলে ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভার। প্রথম দফার ভোট হবে আগামী ২৮ অক্টোবর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোট হবে ৩ ও ৭ নভেম্বর। প্রথম দফায় ৭১ কেন্দ্রে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে ৯৪ ও ৭৮টি কেন্দ্রে। ভোটগ্রহণ নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে কমিশন। ভোটগ্রহণের জন‍্য নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আরও ১ ঘণ্টা বেশি সময় বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানান অরোরা। শেষ এক ঘণ্টায় ভোটদান করতে পারবেন কেবলমাত্র কোভিড আক্রান্তরাই। ৮০ বছরের বেশি ভোটারদের জন‍্য থাকছে পোস্টাল ব‍্যালটের ব‍্যবস্থা। ভোটপ্রচার জন‍্য রাজনৈতিক দলগুলি কেবলমাত্র ভার্চুয়াল সমাবেশ করতে পারবে। বাড়ি বাড়ি ভোটপ্রচারে প্রার্থী সহ পাঁচ জনের বেশি কর্মী থাকতে পারবে না। অনলাইনে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। টাকাও জমা দিতে পারবেন অনলাইনে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সর্বাধিক ২ জন কর্মী প্রার্থীর সঙ্গে থাকতে পারবেন। ভোটকেন্দ্রে সর্বাধিক এক হাজার ঢুকতে পারবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ভোট দিতে এসে কেউ যাতে সংক্রমিত না হন তার জন‍্য থাকছে ৪৬ লক্ষ মাস্ক, ৬ লক্ষ পিপিই কিট, ২৩ লক্ষ গ্লাভস ও ৭ লক্ষ স‍্যানিটাইজারের বোতল। ইভিএসে বোতাম প্রেসের আগে ভোটারদের দেওয়া হবে গ্লাভস। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির মধ‍্যে তৎপরতা। বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে চতুর্থবার রাজ‍্যে শাসন ক্ষমতার দখলের দৌঁড়ে আছেন নীতীশ কুমার। লোকজনশক্তি পার্টি ছাড়াও, নতুন বন্ধু হিেসবে নীতীশ পেয়েছেন জিতন রাম মাজির হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চাকেও। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃতু‍্যকে হাতিয়ার করে ইতিমধ‍্যে এনডিএ নেমে পড়েছে প্রচারেও। চ‍্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে তৈরি আরজেডি ও কংগ্রেস জোটও। জেলে থেকেই লাল্লুপ্রসাদ রণকৌশল তৈরি করে দিচ্ছেন বলে খবর। আরজেডি ও কংগ্রেসের হাতে নতুন অস্ত্র নয়া কৃষি বিল। লড়াইটা শেয়ানে শেয়ানে হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে শেষ হাসি কে হাস‍বে, তারজন‍্য অপেক্ষা করতে হবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। কারণ ওই দিনই তো ফল ঘোষণা বিহার বিধানসভা নির্বাচনের।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
দেশ

কৃষি বিল, মোদীর নিশানায় বিরোধীরা

সংসদের দুই কক্ষে পাশ হওয়া সত্ত্বেও, কৃষি বিল ক্রমশ চেপে বসছে বিজেপির উপর। শুক্রবার দেশজুড়ে বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন বিলের প্রতিবাদে ভারত বন্ধে সামিল হয়। শুধু কৃষক সংগঠন নয়, রাজনৈতিক দলগুলিও বিলের প্রতিবাদে সরব হয়েছে। তার মধ্যে গোঁদের উপর বিষ ফোঁড়ার মতো হয়েছে বিহার বিধানসভা নির্বাচন। এদিনই নির্বাচনের নির্ঘন্ট জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কৃষি বিল নির্বাতনে বোমেরাং হয়ে ফিরবে না তো? আর সেটা মাথায় রেখেই কৃষি বিল নিয়ে ভুল বোঝানোর অভিযোগ করে বিরোধীদের ফের নিশানা করলেন নরেন্দ্র মোদী। সংঘ পরিবারের পথপ্রদর্শক দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ১০৪ তম জন্মদিবসের মঞ্চ থেকে অলআউট খেললেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের দুরবস্থার দায় যেমন কংগ্রেসের ঘাড়ে চাপিয়ে দিলেন, তেমনি কৃষকদের আয় বাড়াতেই নয়া কৃষি বিল বলে প্রচার চালালেন মোদী। বিরোধীরা নতুন বিল নিয়ে শুধু ভুল বোঝাচ্ছে না, একই সঙ্গে কৃষকদের বিপথে চালিত করছে বলেও মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী। এখানেই থামলেন না। নতুন কৃষি বিলের সমর্থনে পথে নামার জন্য দলীয় নেতা কর্মীদের দিলেন বার্তা। নতুন বিলে আগের থেকে বেশি সহায়ক মূল্য কৃষকরা পাবেন বলে আশ্বাস দেন। শুধু কৃষি বিল নয়, নয়া শ্রমিক বিল নিয়েও কংগ্রেসকে তুলোধুনা করেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের মতো শ্রমিকদের দূরবস্থার পিছনে কংগ্রেসের নীতিকে দায়ি করেন। দেশের ৫০ কোটির বেশি শ্রমিক যাতে সময়ে বেতন পান, তা নিশ্চিত করতেই নতুন শ্রম বিল বলে সওয়াল করেন মোদী। যদিও মোদী সওয়ালে মন গলেনি বিরোধীদের। বিলের প্রতিবাদে সরব হয়ে জোড়া আক্রমণ চালিয়েছেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। টুইট বার্তায় মোদীকে কটাক্ষ করে রাহুল লেখেন, ত্রুটিতে ভরা জিএসটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে ধ্বংস করেছে। এবার কৃষি বিল কৃষকদের দাসে পরিণত করবে। কৃষক সংগঠনের ডাকা ভারত বনধকে সমর্থন করে, এই বিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর কথা মনে করিয়ে দিল বলে জানান প্রিয়াঙ্কা। তিনি লেখেন, কৃষকদের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ছিনিয়ে নিয়েছে মোদী সরকার। চুক্তিভিত্তিক চাষ আসলে কোটিপতিদের হাতে কৃষকদের বেচে দেওয়ার কৌশল। দাম ও সম্মান কিছুই মিলবে না। নিজেদের জমিতেই দিনমজুর হবেন কৃষকরা। কৃষি বিল নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বিরোধী শিবির। বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ কেন্দ্র কতটা সামাল দিতে পারে, সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
দেশ

মোদীর মেক ইন ইন্ডিয়ায় ধাক্কা

যুদ্ধ বিমান রাফাল ক্রয়ে ফরাসি সংস্থা দাসো অ্যাভিয়েশনের সঙ্গে চুক্তি করেছিল মোদী সরকার। ছত্রিশটির মধ‍্যে ইতিমধ‍্যে পাঁচটি বিমান চলে এসেছে ভারতের হাতে। কিন্তু ফরাসি সংস্থা দাসো রাফাল ক্রয়ের চুক্তি ঠিকমতো পালন করেনি বলে সংসদে পেশ করা রিপোর্টে অভিযোগ তুলল সিএজি অর্থাৎ কম্পট্রোলার অ‍্যান্ড অডিটর জেনারেল। রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাফাল ক্রয়ের শর্ত হিসেবে যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা গবেষণায় উন্নতি প্রযু্ক্তি দিয়ে সাহায‍্য করবে । কিন্তু সেই চুক্তি দাসো পালন করেনি বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে বলে খবর। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, চুক্তির শর্ত হিসেবে দেশীয় সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার আগে প্রযুক্তি ও উন্নত সংস্করণ নিয়ে আলোচনা হয়। কিন্তু চুক্তির পর দাসো দায়বদ্ধতা দেখায়নি বলে জানা গেছে। এছাড়া লাইট কমব‍্যাট এয়ারক্রাফ্টের ইঞ্জিন তৈরিতেও দাসো প্রযুত্তিগত কোনও সাহ‍ায‍্য করেনি বলেও অভিযোগ রয়েছে রিপোর্টে। বিদেশি সংস্থা কীভাবে দায় এড়াচ্ছে, তা নিয়ে রিপোর্টে তোলা হয়েছে প্রশ্ন। রাফাল চুক্তি নিয়ে মোদী সরকারকে নিশানা করেছিলেন রাহুল গান্ধী। ইতিমধ‍্যে কেন্দ্রে নয়া কৃষি বিল নিয়ে বিরোধীরা ঐক‍্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নেমেছেন। সিএজি রিপোর্ট বিরোধীদের হাতে নতুন করে অস্ত্র তুলে দিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে রাফাল নিয়ে সিএজি রিপোর্টকে ঘিরে বিতর্কের মধ‍্যেই বারাণসীর শিবাঙ্গী সিংহের মুকুটে নতুন পালক। দেশের প্রথম মহিলা পাইলট হিসেবে রাফাল যুদ্ধবিমান চালাবেন বারাণসীর এই বাসিন্দা। ২০১৭ সালে ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দিয়েছিলন শিবাঙ্গী। ইতিমধ‍্যে উড়িয়েছেন মিগ-২১। এক যুদ্ধবিমান থেকে আরেক যুদ্ধবিমান চালাতে গেলে নিতে হয় বিশেষ প্রশিক্ষণ। ইতিমধ‍্যে সেই প্রশিক্ষণ শুরু করেছেন। শেষ হলেই আম্বালা এয়ারবেসে যোগ দেবেন তিনি। এখনও পর্যন্ত বায়ুসেনায় মোট ১০ জন মহিলা পাইলট রয়েছেন। শিবাঙ্গীই প্রথম রাফাল যুদ্ধবিমান চালানোর কৃতিত্ব দেখাবেন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
দেশ

দিল্লি হিংসা, চার্জশিটে খুরশিদ

দিল্লি হিংসা মামলায় পুলিশের চার্জশিট বিতর্ক কিছুতেই থামছে না। সীতারাম ইয়েচুরি, যোগেন্দ্র যাদবের পর এবার নাম জড়াল প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদের। সতরো হাজার পাতার চার্জশিটে খুরশিদের নাম থাকায় স্বভাবতই তৈরি হয়েছে কৌতূহল। কৌতূহল চেপে রাখতে পারেননি প্রবীণ কংগ্রেস নেতাও। হিংসার পিছনে কী উস্কানি তিনি দিয়েছেন, তা জানার জন‍্য উদগ্রীব বলে জানিয়েছেন খুরশিদ। তাঁর মন্তব্যে হিংসার ইন্ধন যুগিয়ে থাকলে তখন কেন গ্রেফতার করা হয়নি, তা নিয়েও বিস্ময়প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ইতিমধ্যে দিল্লি পুলিশের পেশ করা এই চার্জশিট নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র, অনুরাগ ঠাকুররা উস্কানিমূলক মন্তব‍্যের অভিযোগের পরও কেন চার্জশিটে নাম নেই, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
দেশ

কৃষি বিল: বিরোধী ঐক‍্য অটুট

বিতর্কিত কৃষি বিলকে ঘিরে রবিবারই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল বিরোধী ঐক্য। দিন যত গড়াচ্ছে ঐক্য তত জমাট বাঁধছে। বিলে আপত্তি জানিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে নালিশ ঠোকার আগে পর্যন্ত বুধবার আলোচনা ও রণকৌশল তৈরিতে ব্যস্ত রইলেন বিরোধী নেতৃত্ব। বৈঠক ছাড়াও প্ল্যাকার্ড হাতে সংসদ চত্বরে মিছিল করতে দেখা যায় সমস্ত বিরোধী দলকে। গুলাম নবি আজাদ, ডেরেক ওব্রায়েন, জয়া বচ্চন-সহ তাবড় বিরোধী নেতারা কৃষি বিলের প্রতিবাদে প্যাকার্ড হাতে মিছিল করেন। কোনও প্যাকার্ডে লেখা ছিল শ্রমিক বাঁচাও, গণতন্ত্র বাঁচাওয়ের স্লোগান, আবার কোনও প্ল্যাকার্ডে ছিল মোদী সরকারের গৃহীত নীতির সমালোচনা। কৃষি বিল নিয়ে তাঁকে ঘিরে বিরোধীদের প্রতিবাদ নিয়ে ক্ষোভ ছিল ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিংয়ের। সন্ধির বার্তা দিতে সংসদ চত্বরে সাসপেন্ডের ধর্না মঞ্চে গিয়ে দিয়েছিেলন চায়ে পে চর্চার বার্তাও। কিন্তু সাসপেন্ডেড সাংসদরা সেই বার্তা খারিজ করায় চটে গিয়েছিেলন ডেপুটি চেয়ারম্যান। মঙ্গলরবাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন একদিনের প্রতিকী অনশনের। বিরোধীরা যখন বিলের প্রতিবাদে ঘুঁটি সাজাচ্ছেন, তখন নিঃশব্দে অনশন ভঙ্গ করলেন হরিবংশ নারায়ণ। সাংসদ সাসপেন্ড ও কৃষি বিলের প্রতিবাদে আগেই রাজ্যসভা অধিবেশন বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দলগুলো। আর বুধবার বিরোধী শূন্য রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গেল শ্রম বিল। বিরোধী শূন্য সভায় বিল পাসকে গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকারক বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেসের গুলাম নবি আজাদ। সেই সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতুবি হয়ে গেল রাজ্যসভার অধিবেশনও।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
দেশ

বিহার ভোটকে মাথায় রেখেই হরিবংশকে দরাজ সার্টিফিকেট মোদীর?

আট বিরোধী সাংসদকে সাসপেনশনের জেরে রাজ্যসভায় জোরালো প্রতিবাদ। রাতভর গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ করেন সাসপেন্ড হওয়া সাংসদ-সহ বিরোধী দলের সাংসদরা। বিজু জনতা দল, বহুজন সমাজ পার্টি বাদে বিরোধী দলগুলি মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর শর্ত আরোপ করে অধিবেশন বয়কট করে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডুর অনুরোধেও কাজ হয়নি। কংগ্রেসের সাংসদ গুলাম নবি আজাদ বলেন, সাংসদদের সাসপেনশন প্রত্যাহার করতে হবে। মিনিমাম সাপোর্ট প্রাইসের কমে যাতে কোনও বেসরকারি সংস্থা বা ব্যক্তি কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদিত পণ্য না কিনতে পারে তা সুনিশ্চিত করতে হবে। মূল্য নির্ধারণে স্বামীনাথন কমিশনের সুপারিশ মানতে হবে। সরকার বা এফসিআই কৃষকদের কাছ থেকে যে শস্য কিনবে তার মূল্য নির্দিষ্ট রাখতে হবে যাতে কৃষকদের কোনও ক্ষতি না হয়। এই শর্তগুলি না মানা অবধি বিরোধীরা রাজ্যসভার চলতি অধিবেশন বয়কটের রাস্তা থেকে সরবে না। এর মধ্যে আবার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ বিক্ষোভরত সাংসসদের জন্য সকালে চায়ের ব্যবস্থা করেন। যদিও সকলেই হরিবংশকে কৃষকবিরোধী আখ্যা দিয়ে চা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর হরিবংশ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে আবেগমথিত চিঠি লিখে জানান, তিনি একদিনের জন্য অনশন করবেন। রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যানের পক্ষে সওয়াল করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইটে লেখেন, দুদিন আগে গণতন্ত্রের মন্দিরে যে ঘটনা ঘটেছে, যাঁরা হরিবংশজিকে হেনস্থা ও আক্রমণ করেছেন এবং তারপর তাঁরাই বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন তাঁদের জন্য সকালে চায়ের ব্যবস্থা করে হরিবংশজি উদারতা ও মহানতার পরিচয় রেখেছেন। বিহার থেকে আমরা গণতন্ত্রের শিক্ষা পাই। সেখানকার জনপ্রতিনিধি হয়ে ডেপুটি চেয়ারম্যান যে ভূমিকা নিয়েছেন তা প্রশংসনীয়। রাষ্ট্রপতিকে লেখা তাঁর চিঠিটিও সকলের পড়া উচিত। বিহার ভোটের কথা মাথায় রেখেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামা মোদী হরিবংশকে দরাজ সার্টিফিকেট দিচ্ছেন বলে মত বিরোধীদের। আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব বলেন, ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদী বিহারের কথা বলেন, ভোটের পর ভুলে যান। আমরা কৃষকদের স্বার্থে বিরোধিতা চালিয়ে যাব। সাসপেন্ডেড সাংসদদের আন্দোলনকে সমর্থন করে একদিনের অনশন করবেন বলে জানিয়েছেন শরদ পাওয়ার। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ দোলা সেন জানিয়েছেন, অনেক দল রাজ্যসভার অধিবেশন বয়কট করে আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থন করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ঘনঘন খবর নিয়েছেন। ধরনা তুলে নিয়ে সকলে মিলে একসঙ্গে এই আন্দোলন গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে দিতে হবে। তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ওব্রায়েন টুইটে লেখেন, আমাকে সাসপেন্ড করতে পারো, চুপ করাতে পারবে না।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
দেশ

সাংসদ সাসপেন্ড, সরব তৃণমূল

রাজ্য সরকারের কৃষি বিলের প্রতিবাদ করার ফল হাতেনাতে পেয়েছেন দুই তৃণমূল সাংসদ-সহ আপ, কংগ্রেস ও সিপিআইএমের মোট আটজন সাংসদ। শাস্তি হিসেবে আগামী সাত দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁদের। যার অর্থ সংসদের বাদল অধিবেশনের বাকি দিনগুলি আর তাঁরা উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এরপরই সাসপেনশনের প্রতিবাদে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলনেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটে লেখেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা করতে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ৮ সাংসদ সাসপেন্ড হওয়ার ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। এতে সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের প্রকাশ দেখা গেল, যারা গণতান্ত্রিক নীতি, আদর্শের প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধাশীল নয়। তবে আমরা নত হবো না। সংসদ থেকে রাস্তায় নেমে সর্বত্র এই ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস টুইটে লিখেছে, আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসের আগেই বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। রাজ্যসভায় যে ঘটনা ঘটেছে তা অবিশ্বাস্য। নিষ্ঠুরভাবে বিরোধী দলের নেতাদের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর একনায়কতন্ত্র আর বিজেপির গণতন্ত্র হত্যার বিরুদ্ধে দেশের মানুষকে প্রতিবাদে মুখর হতে হবে। তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আট সাংসদকে সাসপেনশনের প্রতিবাদে টুইটে লিখেছেন, রাজ্যসভায় যা হয়েছে তা সাংবিধানিক রীতিবিরুদ্ধ। কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া কৃষি নীতি কৃষকদের স্বার্থের পরিপন্থী। তারই প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিরোধীরা। কিন্তু বিরোধী সাংসদদের ভোটাধিকার কেড়ে নিল কেন্দ্র। এভাবে বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যাই করল। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র টুইটে লেখেন, সংসদীয় রীতি-নীতির তোয়াক্কা না করে বুলডোজ করিয়ে কৃষি বিল রাজ্যসভায় পাশ করাল কেন্দ্র। রাজ্যসভায় প্রয়োজনীয় সংখ্যা নেই বলেই কি ভোটাভুটিতে না গিয়ে জোর করে ধ্বনি ভোটে বিলগুলি পাশ করানো হলো? সকলকে জাগ্রত হতে হবে, সংসদে জঙ্গলের রাজত্ব চলতে পারে না। গণতন্ত্র ও আইনি বিধানকে সাসপেন্ড করে বিজেপি সংসদে বিরোধী কণ্ঠস্বরকেই সাসপেন্ড করতে চাইছে। সাংসদদের সাসপেনশনের প্রতিবাদে সংসদের ভিতরে চলা তুমুল বিক্ষোভে দফায় দফায় রাজ্যসভার অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়। গান্ধী মূর্তির সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করেন বিরোধী দলের সাংসদরা। সবমিলিয়ে কৃষি বিল নিয়ে সংসদ যে আগামী দিনগুলিতেও উত্তপ্ত হবে তা সহজেই অনুমেয়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
দেশ

রাজ্যসভায় বিক্ষোভ দেখিয়ে সাসপেন্ড দুই তৃণমূল সাংসদ-সহ ৮

কৃষি বিল নিয়ে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর উত্তপ্ত হয়েছিল রাজ্যসভা। ওয়েলে নেমে চলে নজিরবিহীন বিক্ষোভ। এর জেরে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ৮ সাংসদকে এক সপ্তাহের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। তাঁরা হলেন তৃণমূলের ডেরেক ওব্রায়েন, দোলা সেন, আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিং, কংগ্রেসের রাজু সাতাভ, রিপুন বোরা, সৈয়দ নাসির হুসেন, সিপিআইএমের কে কে রাগেশ ও এলামারান করিম। এই শাস্তির ঘোষণা করেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডু। এরপর বিরোধীদের বিক্ষোভে সকাল ১০টা অবধি মুলতুবি করা হয় অধিবেশন।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
দেশ

পিএম কেয়ারস ফান্ড আর করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে কী বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী?

পিএম কেয়ারস ফান্ড তৈরি হয়েছিল করোনা অতিমারি মোকাবিলায়। এর হিসেব নিয়ে চলছে জোর চাপানউতোর। রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর লোকসভায় এই বিষয়টি উত্থাপন করেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন জানান ওই ফান্ড থেকে তাঁর মন্ত্রক ও রাজ্য সরকারগুলি কতো টাকা পেয়েছে এবং কোন খাতে? জবাবে হর্ষ বর্ধন বলেন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক পিএম কেয়ারস ফান্ড থেকে ৮৯৩.৯৩ কোটি টাকা পেয়েছে এবং তা দিয়ে ভারতে তৈরি ৫০ হাজার ভেন্টিলেটর কেনা হয়েছে। ভ্যাকসিনের প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে বিশ্বে ১৪৫টি ভ্যাকসিন প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর্যায়ে রয়েছে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে ৩৫টি ভ্যাকসিনের। ভারতে ৩০ জনের শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ হচ্ছে। এক থেকে তিন নম্বর ধাপ অবধি ভ্যাকসিন প্রয়োগ ও মূল্যায়নের প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছেন ৩ জন, ৪ জনের বেশি রয়েছেন প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
দেশ

তুমুল অশান্তিতে পাশ কৃষি বিল, ঐতিহাসিক দিনকে গণতন্ত্রের হত্যা বলল বিরোধীরা

লোকসভায় নির্বিঘ্নে পাশ হলেও রাজ্যসভায় কৃষি বিল পাশ যে সহজে হবে না তার ইঙ্গিত ছিল। কৃষি বিপণন মন্ত্রী হরসিমরত কউর বাদলের পদত্যাগকে হাতিয়ার করে বিরোধীরা যে অল আউট যাবে তাতে আশ্চর্যের কী! অশান্তির আশঙ্কা মিলে গেল রবিবারের রাজ্যসভায়। কৃষি বিলের বিরোধিতায় হই-হট্টগোল, ওয়েলে নেমে বিরোধীদের তপ্ত স্লোগান, রুল বুক ছিঁড়ে ফেলা, মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা কোনও কিছুই বাদ গেল না। সবই হলো, কিন্তু শেষ হাসি হাসল সরকারপক্ষই। ধ্বনিভোটে রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গেল কৃষি সংস্কার সংক্রান্ত দুটি বিল। কৃষি বিল নিয়ে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর অধিবেশন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। এক সময় করোনা বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিলের প্রতিবাদে ওয়েলে নেমে স্লোগান দিতে দেখা যায় বিরোধী সদস্যদের। সরকারপক্ষের পাল্টা স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে অধিবেশন। তখন সভা পরিচালনা করছেন ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিং। তিনি সদস্যদের আসন গ্রহণ করতে বলেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা? তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ওব্রায়েন-সহ কয়েকজন বিরোধী সাংসদকে দেখা যায় রুল বুক-সহ কাগজপত্র ও মাইক নিয়ে টানাটানি করতে। পরে ডেরেক টুইটে বলেন, সরকারপক্ষ প্রতারণা করেছে। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে, তাঁদের কথা যাতে দেশের মানুষের কাছে না পৌঁছয় সেজন্য রাজ্যসভা টিভির সম্প্রচার সেন্সর করা হয়েছে। সাংসদদের সাংবিধানিক অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে গণতন্ত্রের পীঠস্থান সংসদে আজ সবচেয়ে খারাপ দৃষ্টান্ত রাখল বিজেপি। যদিও নরেন্দ্র মোদী এদিনও একাধিক টুইট করে বোঝাতে চেয়েছেন এই বিল পাশের ফলে কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষিত হবে। এদিন বিরোধীরা ভোটাভুটি চাইলেও শেষে বিলটি ধ্বনিভোটে পাশ করিয়ে হাঁফ ছাড়ে সরকারপক্ষ। ৭০ বছর পর ভারতের কৃষকরা বঞ্চনার হাত থেকে রক্ষা পেল বলে সওয়াল করেন বিজেপির সভাপতি জে পি নাড্ডা। যদিও কৃষি বিলকে কৃষকদের মৃত্যু পরোয়ানা বলে দাবি করে সরব হয় বিরোধীরা। দুই নতুন কৃষি বিল চাষিদের ক্রীতদাসে পরিণত করবে বলে দাবি করা হয়। একইসঙ্গে বিলের বিরোধিতা করছে এনডিএ শরিক শিরোমণি অকালি দল। বিলকে কৃষক-বিরোধী বলে দাবি করে প্রতিবাদে সরব হয় তারা। বিলের বিরোধিতায় এনডিএ ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে শিরোমণি অকালি দল। সঙ্গ ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন হরিয়ানার দুষ্মন্ত চৌতালাও। সংসদের দুই কক্ষে বিল পাশ হলেও আগামী দিনে মোদী সরকারকে এই বিল বেকায়দায় ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিন বিলের বিরোধিতা করে পথে নেমেছে বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থানের পর এবার প্রতিবাদে শরিক হয়েছে উত্তর ভারতে প্রভাবশালী কৃষক সংগঠন ভারতীয় কৃষক ইউনিয়ন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
দেশ

ঝুলি থেকে বের হলো বেড়াল

মাত্র চার দিনে বদলে গেল সরকারি বয়ান। গত সোমবার ১৫ সেপ্টেম্বর বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনে করোনা এবং লকডাউনে কতো শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে, তার তথ‍্য সরকারের কাছে নেই বলে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গোয়ার। এ নিয়ে কেন্দ্রকে নিশানা করে সরব হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। যেহেতু শ্রমিক মৃত্যু নিয়ে কোনও তথ‍্য নেই, তাই প্রশ্নোত্তর পর্বের প্রয়োজন নেই বলে শুক্রবার লোকসভায় সরকারের মনোভাবকে কটাক্ষ করে টুইট করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সেপ্টেম্বরের ৯ তারিখ পর্যন্ত শ্রমিক স্পেশালে ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনের এক প্রশ্নের উত্তরে শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর রাজ‍্যসভায় জানালেন রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। রেলমন্ত্রী আরও বলেন, ৯৭ জনের মধ‍্যে ৮৭ জনের দেহ ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। এর মধ‍্যে এখনও পর্যন্ত ৫১ জনের রিপোর্ট হাতে পাওয়া গেছে। মৃত্যুর ক্ষেত্রে হার্টের রোগ, লিভারের অসুখ, মাথায় আঘাতকে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানান গোয়েল।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০
দেশ

করোনা যোদ্ধাদের রক্ষায় বিল

করোনা অতিমারির মধ্যেও বেশ কয়েকটি জায়গায় ঘটেছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর আক্রমণের ঘটনা। হামলার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিল চিকিৎসকদের সংগঠনও। এবার হামলা রুখতে ও কোভিড যোদ্ধাদের পাশে থাকার বার্তা দিল কেন্দ্র। কড়া পদক্ষেপ হিসেেব চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের রক্ষায় আনা হলো নতুন বিল। শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর রাজ্যসভায় পাশ হল দ্য এপিডেমিক ডিজিজ অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২০। করোনা মোকাবিলায় কর্মরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলা হলে কমপক্ষে তিন মাস ও সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাবাসের বিধান রয়েছে নতুন বিলে। পাশাপাশি রয়েছে ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার ব্যবস্থাও। রাজ্যসভায় বিলটি পেশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন বলেন, করোনা মোকাবিলায় যুক্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হেনস্থা রুখতে গত এপ্রিল মাসে অধ্যাদেশ জারি করেছিল কেন্দ্র। করোনা দূর হলেও, এই আইন লাগু থাকবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এই বিলের আওতায় শুধু চিকিৎসক, নার্স নন, একই সঙ্গে প্যারামেডিক্যাল কর্মী, হেলথ ওয়ার্কার ছাড়া অতিমারি নিয়ন্ত্রণে যুক্তদেরও আনা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০
দেশ

কৃষি বিল: ড‍্যামেজ কন্ট্রোলে আসরে মোদী

নয়া কৃষি বিল নিয়ে বেশ চাপে বিজেপি। চাপ আরও বাড়িয়েছে বিলের বিরোধিতা করে কৃষি বিপণন মন্ত্রী হরসিমরত কউরের পদত্যাগ। ড্যামেজ কন্ট্রোলে এবারে তাই আসরে নামতে হলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার ১৮ অক্টোবর বলেন, নয়া কৃষি বিল নিয়ে ভুল বোঝানো হচ্ছে। যারা দশকের পর দশক ধরে দেশ চালিয়েছে তারাই এখন কৃষকদের বিভ্রান্ত করছে। বিলটি আইনে পরিণত হলে কৃষিক্ষেত্রে ফোঁড়ে বা দালাল রাজের অবসান হবে। একই সঙ্গে নয়া কৃষি বিল বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলেও সওয়াল করেন মোদী। এতে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি হবে বলেও মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, আগামী দিনেও ফসলের ন্যায্যমূল্য বেঁধে দেওয়া হবে। কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য আগের মতোই কিনবে সরকার। সরকারের এই পদক্ষেপ কৃষকদের স্বাধীনতা বাড়াবে। তাঁদের উৎপাদিত ফসল বিপণনের ক্ষেত্র শুধু বিস্তৃতই হবে না কৃষকদের জন্য নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি হবে। কৃষকদের বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আবেদনও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার লোকসভায় পাশ হয় ফার্মার্স প্রডিউস ট্রেড কমার্স বিল ও ফার্মার্স এগ্রিমেন্ট অন প্রাইস অ্যান্ড ফার্মস সার্ভিসেস বিল। লোকসভায় বিল দুটি পাশ হলেও, রাজ্যসভায় পাশ হওয়া বাকি। কিন্তু বিলের প্রতিবাদী শরিকি দল শিরোমণি অকালি দলের একমাত্র মন্ত্রী হরসিমরত কউর পদত্যাগ করায় নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর এটাকে ঢাল করে আসরে নেমে পড়েছে বিরোধী দলগুলিও। দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে তারা।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
দেশ

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ

পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণমন্ত্রী হরসিমরত কৌর বাদল। কৃষকস্বার্থ বিরোধী অর্ডিন্যান্স আনার প্রতিবাদেই তাঁর এই পদত্যাগ। বৃহস্পতিবার ১২ সেপ্টেম্বর সংসদে কৃষি বিল নিয়ে আলোচনা চলাকালীন এর তীব্র বিরোধিতা করেন শিরোমণি অকালি দলের প্রধান সুখবীর সিং বাদল। কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে-সহ বিরোধী দলগুলিও এই বিলের বিরুদ্ধে মত পোষণ করে। বাদল বলেন, দেশে খাদ্যভাণ্ডার সুনিশ্চিত করতে পাঞ্জাবের কৃষকদের অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু কৃষক স্বার্থবিরোধী এই অধ্যাদেশ কৃষকদের ৫০ বছরের বেশি সময়কার তপস্যা বরবাদ করে দেবে। এই বিলকে সমর্থন করবে না অকালি দল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় শিরোমণি অকালি দলের একমাত্র সদস্য পদত্যাগ করবেন। এর কিছু পরেই টুইট করে পদত্যাগের ঘোষণা করে দেন হরসিমরত। I have resigned from Union Cabinet in protest against anti-farmer ordinances and legislation. Proud to stand with farmers as their daughter sister. Harsimrat Kaur Badal (@HarsimratBadal_) September 17, 2020

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
দেশ

লাদাখ নিয়ে নরমে-গরমে রাজনাথ

ঘটনার সূত্রপাত গত ফ্রেব্রুয়ারি মাসে। লাদাখে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর টহলদারি দিতে গিয়ে বেগ পেতে হয় ভারতীয় সেনাকে। বাড়তে থাকে উত্তেজনা। প‍্যাংগংয়ে চিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে আগ্রাসনের। ঘটনাকে চরম আকার দেয় আগ্রাসন রুখতে গিয়ে ২০ ভারতীয় জওয়ানের শহিদ হওয়া। সেই শুরু, যার রেশ রয়েছে এখ‍নও। দুই দেশের সেনা ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা হলেও, অধরা থেকেছে সমস‍্যা সমাধানের। চিন কি সত্যিই ভারতের ভূখণ্ড বেআইনিভাবে দখল করে আছে? সরকারি বিবৃতি দাবি করে সরব হয়েছে বিরোধী পক্ষ। সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনে লোকসভায় এ নিয়ে বিবৃতিও দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর রাজ‍্যসভায় একই পুনরাবৃত্তি করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতীয় সেনার টহলদারি রোখার মতো ক্ষমতা বিশ্বে কারোর নেই বলে হুঁশিয়ারি দিলেন রাজনাথ। লাদাখ পরিস্থিতির জন‍্য ফের চিনকেই দায়ী করেন তিনি। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর নজারদারিতে ভারতীয় সেনাকে বেগ পেতে হচ্ছে, এই অভিযোগও নস‍্যাৎ করেন। যদিও লাদাখ ইস্যুতে আলোচনা পর্বে সেনার টহলদারি থেকে পিছু না হঠা নিশ্চিত করার দাবি জানান ইউপিএ আমলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কে অ‍্যান্টনি। উত্তরে রাজনাথ সিং বলেন, যে এলাকাগুলিতে ভারতীয় সেনার টহলদারির অধিকার আছে, সেখান থেকে তাদের সরানোর ক্ষমতা বিশ্বের কারোর নেই। তবে, এখনও আলাপ আলোচনার মাধ‍্যমে সমস‍‍্যা সমাধানের উপরই জোর দেন রাজনাথ। কোনও অবস্থাতেই দেশের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে কোনওরকম আপোষ নয়। এর জন্য প্রবল শীতেও লাদাখে সেনা মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সেই সঙ্গে জানান, চিন বেআইনিভাবে ৩৮ হাজার বর্গকিলোমিটার জায়গা দখল করে রেখেছে। ১৯৬৩-র সিনো-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৫১৮০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা পাকিস্তান চিনকে দিয়েছে বলে জানান রাজনাথ। রাজনাথের বিবৃতির পর পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেজিংও। সীমান্ত সমস‍্যার সমস্ত দায় নয়াদিল্লির উপর চাপিয়ে দিয়েছে। এদিকে লাদাখ পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবারও এনএসএ বৈঠক হয়েছে। এরপর হবে সেনা পর্যায়ে বৈঠক। তবে, লাদাখ সমস‍্যা এখনই যে মিটছে না, সেই ইঙ্গিত কিন্তু স্পষ্ট হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
দেশ

জন্মদিনে মোদী সাইক্লিস্ট?

আজ নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন। সেই জন্মদিনেই প্রধানমন্ত্রী কি ধরা দিলেন নতুন অবতারে? সাইক্লিস্ট হিসেবে? ছবি দেখলে তেমনটাই মনে হচ্ছে। বাস্তবে তা নয়। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দিল্লিতে বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর সাইকেল র্যালির সূচনা করেন সাংসদ অরুণ সিং। সেখানেই এক সাইক্লিস্ট এসেছিলেন মোদীর মুখোশ আর সানগ্লাস পরে। দূর থেকে দেখে তাই এই ভুল হতেই পারে যে, নরেন্দ্র মোদী সাইক্লিস্ট অবতারে অবতীর্ণ হয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
দেশ

করোনাকে হারালেন শতায়ু প্রবীণা

দশ দিনেই করোনাকে জয় করলেন অসমের শতায়ু প্রবীণা মাই হান্দিক। হাতিগাঁর মাদারস ওল্ড এজ হোমের এই আবাসিক দিন দশেক আগে করোনা আক্রান্ত হন। গুয়াহাটির মহেন্দ্র মোহন চৌধুরী হাসপাতাল থেকে এই শতায়ু করোনাজয়ী ছাড়া পেলেন বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর। তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করেছেন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। মাই হান্দিক প্রত্যুত্তরে সাংবাদিকদের বলেছেন, আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী খুব ভালো কাজ করছেন করোনা মোকাবিলায়। চাই এভাবেই তিনি মানুষের পাশে থাকুন। মাই হান্দিক বৃদ্ধাবাসে ফেরার আগে তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্সরা। আনন্দে বেশ কয়েকটি অহমিয়া গান গেয়ে ওঠেন এই শতায়ু করোনাজয়ী। কেমন কাটল হাসপাতালের দিনগুলি? হাসপাতালে সকলের প্রিয় হয়ে ওঠা আইতা (ঠাকুমা) বললেন, খুব ভালো। ডাক্তার, নার্স সকলেই যত্ন নিয়েছেন, তাঁরা খুব ভালো। খাবার-দাবারও খুব ভালো। কলা আর ডিম রোজ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও বেশিরভাগ দিন খাদ্যতালিকায় ছিল হয় মাছ নয়তো মাংস। সঙ্গে রুটি, সব্জি। ১০০ বছরের এই করোনাজয়ী নিঃসন্দেহে সকলের মনোবল বাড়াবেন করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। তিনি যে বৃদ্ধাবাসে থাকেন সেখানকার ১২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ইতিমধ্যেই ছাড়া পেয়েছেন ৫ জন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
দেশ

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে 'রাফাল'

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে রাফাল। আম্বালায় ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ারবেসে সর্বধর্ম পূজায় কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। রয়েছেন ফ্রান্সের আর্মড ফোর্সের মন্ত্রী ফ্লোরেন্স পার্লি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 53
  • 54
  • 55
  • 56
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মিঠুন জল্পনা উড়িয়ে শেষমেশ রাহুলই ভরসা! রাজ্যসভায় যাচ্ছে বিজেপির পুরনো সৈনিক

রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। বাংলা থেকে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রাহুল সিনহাকে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় মোট পাঁচটি আসন ফাঁকা রয়েছে। তার মধ্যে চারটি আসনে ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। বাকি একটি আসনে কাকে প্রার্থী করবে বিজেপি, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। একাধিক নাম ঘুরছিল রাজনৈতিক মহলে। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাহুল সিনহার নামেই সিলমোহর দিল।মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ছয়টি রাজ্যের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। বিহার, অসম, ছত্তীসগঢ়, হরিয়ানা, ওড়িশা এবং বাংলা থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বিহার থেকে প্রার্থী হচ্ছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। অসম থেকে তেরাস গোয়ালা ও যোগেন মোহন, ছত্তীসগঢ় থেকে লক্ষ্মী বর্মা, হরিয়ানা থেকে সঞ্জয় ভাটিয়া এবং ওড়িশা থেকে মনমোহন সমল ও সুজিত কুমারের নাম ঘোষণা হয়েছে।বাংলার ক্ষেত্রে পঞ্চম আসনে বিজেপির ভরসা রাহুল সিনহা। এর আগে অনন্ত মহারাজ ও শমীক ভট্টাচার্য রাজ্যসভায় গিয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাহুলের নাম। তিনি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি এবং দীর্ঘদিনের সংগঠক। তবে গত কয়েক বছরে তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে তেমন দেখা যায়নি। দলের অন্দরেই অনেক সময় তাঁকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে বলে আলোচনা ছিল।শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকেই রাহুল সিনহাকে আবার সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়। বিভিন্ন সভা, মিছিল ও কর্মসূচিতে অংশ নিতে শুরু করেন তিনি। একইভাবে দিলীপ ঘোষকেও নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্য নির্বাচনের আগে পুরনো মুখদের সামনে আনার কৌশল নিয়েছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রাহুল সিনহা এখনও পর্যন্ত যে কটি নির্বাচন লড়েছেন, সবকটিতেই পরাজিত হয়েছেন। চারবার বিধানসভা এবং পাঁচবার লোকসভা নির্বাচনে লড়ে জিততে পারেননি তিনি। মোট নয়বার ভোটে হেরেছেন। বরাবরই তাঁর আক্ষেপ ছিল, রাজ্য সভাপতি হলেও কখনও বিধায়ক বা সাংসদ হতে পারেননি। রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুযোগ পেলেন তিনি।আগামী ১৬ মার্চ বাংলার পাঁচটি আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন হবে। চারটি আসনে তৃণমূল প্রার্থী করেছে কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয়, মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারকে। সেই তালিকা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। বিশেষ করে মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারের নাম ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে।পাঁচটি আসনের মধ্যে একটি আসন বিজেপির দখলে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত ছিল। তবে সেই আসনে কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে জল্পনা ছিল প্রবল। রাহুল সিনহার পাশাপাশি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী এবং এক পদ্মশ্রী প্রাপক সঙ্গীতশিল্পীর নামও শোনা যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত দলের পুরনো মুখের উপরেই ভরসা রাখল বিজেপি।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

এক ভোটার, দু’টি কেন্দ্র! এসআইআর চূড়ান্ত তালিকায় বড়সড় গরমিল ফাঁস

মৃত ভোটার, স্থানান্তরিত ভোট এবং একাধিক জায়গায় একই নাম বাদ দিতেই এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হয়েছিল বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ, শুনানি এবং তথ্য যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু সেই তালিকাতেই এবার ধরা পড়ল বড় গরমিল। একই ভোটারের নাম পাওয়া গেল দুই আলাদা বিধানসভা কেন্দ্রে। এক জায়গায় শ্যামপুকুর, অন্য জায়গায় অশোকনগর। শুনানির পরও কীভাবে দুজায়গায় নাম থেকে গেল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা গিয়েছে, ওই ভোটার এবং তাঁর বাবার নাম দুই জায়গাতেই একই রয়েছে। শুধু বয়সে সামান্য পার্থক্য। একটি কেন্দ্রে বয়স লেখা ৫৬ বছর, অন্য কেন্দ্রে ৫৮ বছর। ডিসেম্বর মাসেই সিইও দফতর জানিয়েছিল, ওই ভোটারকে শোকজ করা হয়েছে। কেন তিনি দুই বিধানসভা কেন্দ্রে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ বিষয়টি আগে থেকেই কমিশনের নজরে ছিল। তবুও চূড়ান্ত তালিকায় দুজায়গায় তাঁর নাম থেকে যাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।শ্যামপুকুর উত্তর কলকাতার একটি বিধানসভা কেন্দ্র। অশোকনগর উত্তর ২৪ পরগনার অন্তর্গত। কীভাবে এই ভুল থেকে গেল, তা জানতে চেয়ে দুই জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় ৬২ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। আবার প্রায় ৬০ লক্ষ নাম রয়েছে অমীমাংসিত তালিকায়। তাঁদের নথি এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে একই ভোটারের নাম দুই জায়গায় থাকার ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়াল।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বাহিনী ও কর্মী সঙ্কট, বাংলায় একদিনে ভোট অসম্ভব! অবশেষে মানল নির্বাচন কমিশন

বাংলায় এক দফায় বিধানসভা ভোট করার প্রস্তুতি শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাহিনীর অপ্রতুলতা এবং পর্যাপ্ত ভোটকর্মীর অভাবের কথা জানিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি তুলেছিল রাজ্য সরকার। তাদের দাবি ছিল, একদিনে ভোট করা বাস্তবে সম্ভব নয়। অবশেষে দুদিনের পর্যালোচনা বৈঠকের পর রাজ্যের সেই বক্তব্যই মানতে বাধ্য হল কমিশন। সিইও কার্যালয় সূত্রে খবর, এক দফায় নির্বাচনের ভাবনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে। তবে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আগামী ৯ মার্চ দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধি দল। দুদিন রাজ্যে থেকে তারা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করবেন। তার আগে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের শীর্ষ কর্তারা রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ মহাপরিচালক, আইনশৃঙ্খলা বিভাগের শীর্ষ কর্তা ও জেলাশাসকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দিল্লি থেকেও দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শীর্ষ আধিকারিক ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।বৈঠকে স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিশন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, প্রয়োজন মতো বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। পাশাপাশি বাহিনী যাতে কোনও রকম আতিথেয়তা গ্রহণ না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে রাজ্য পুলিশকে।এ বার বিধানসভা ভোটে ওয়েব কাস্টিং নিয়েও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে কমিশন। সূত্রের খবর, নজরদারির দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মচারীদের আরও বেশি জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। একজন কর্মী চার ঘণ্টার বেশি দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। দায়িত্ব শেষের পর লিখিতভাবে জানাতে হবে ওই সময়ের মধ্যে কী কী দেখেছেন। পরবর্তীতে কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে দায় নিতে হতে পারে। প্রয়োজনে ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদেরও নিয়োগ করা হতে পারে।কমিশনের প্রতিনিধি দল রাজ্য সফর সেরে ফেরার পরই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এক দফা ভোটের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের পালটা আঘাত? কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন যুদ্ধবিমান, ভাইরাল বিস্ফোরণের ভিডিও

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল কুয়েতে। তেহরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের মাটিতে ভেঙে পড়ল আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ পনেরো। প্রাথমিক অনুমান, ইরানের হামলার জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানটি। যদিও শেষ মুহূর্তে পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন বলে জানা যাচ্ছে।ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মাঝ আকাশে বিস্ফোরণের পর আগুন জ্বলতে জ্বলতে প্রায় তিরিশ সেকেন্ড চক্কর খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। এই ভিডিও ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।তবে দুর্ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি আমেরিকা বা কুয়েত। একাংশের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলায় বিমানটি ভেঙে পড়েছে। আবার অন্য একটি সূত্রের মতে, ভুলবশত মিত্রপক্ষের হামলাতেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পর থেকেই পালটা আঘাত হানছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক মার্কিন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।রবিবার ইরান রিভলিউশনারি গার্ড দাবি করে, তারা আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনের উপর একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যদিও এ বিষয়ে আমেরিকার তরফে এখনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা যুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল। ইরান-আমেরিকা সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

হরমুজ বন্ধ, তেলের দামে আগুন! চাপে ভারত, বাড়বে কি পেট্রল-ডিজেলের দাম?

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। শেয়ার বাজারে ধস নামার পর এবার তেলের দামে বড় উল্লম্ফন। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কার্যত থমকে গেছে। তার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ছয় শতাংশ বেড়েছে।সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি আশি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। শুক্রবার এই দাম ছিল প্রায় বাহাত্তর দশমিক নয় ডলার। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনে ব্যারেল প্রতি প্রায় দশ ডলার বৃদ্ধি। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ভারতের উপরও পড়ছে। কারণ দেশের প্রায় নব্বই শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে।পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকে, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে।মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ব্যারেল প্রতি দশ ডলার দাম বাড়লে ভারতের বার্ষিক আমদানি খরচ তেরো থেকে চোদ্দ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকার বেশি।বর্তমানে ভারতের হাতে চুয়াত্তর দিনের তেল মজুত রয়েছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালী দিয়ে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ আসে। তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশও এই পথেই আসে। সারা বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় কুড়ি শতাংশ সরবরাহ হয় এই প্রণালী দিয়ে। ফলে এই পথ বন্ধ থাকায় বিশ্ব জুড়েই চাপ বাড়ছে।এখন বিকল্প উৎসের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি। আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলা-সহ ল্যাটিন আমেরিকা এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে তেল আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত এক বছরে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কিছুটা কমিয়েছে ভারত। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের পরিবহন খরচ, শিল্প উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। এখন নজর হরমুজ প্রণালী কবে খুলবে এবং আন্তর্জাতিক বাজার কতটা স্থিতিশীল হয় তার উপর।

মার্চ ০২, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি সমাবেশে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন, নজর মতুয়া গড়ে

রাজ্য জুড়ে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি ভোটে জোর দিচ্ছে তৃণমূল। সোমবার কলকাতার নজরুল মঞ্চে তফশিলি সমাবেশের আয়োজন করেছে ঘাসফুল শিবির। সেখানে তফশিলি জাতি ও উপজাতি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।লোকসভা নির্বাচনের আগেও তফশিলি সংলাপ কর্মসূচি নিয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এবার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও সেই রণকৌশলেই ফিরছে দল। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিধায়ক, সংগঠক ও নেতা উপস্থিত থাকবেন।বৈঠকে থাকছেন ভোট কুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনও। তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে কীভাবে জনসংযোগ বাড়ানো যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে। বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে মতুয়া গড়। সম্প্রতি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর মতুয়া সমাজের বহু মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে দাবি করেছেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। এই বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে।রাজ্যের একশোরও বেশি বিধানসভা আসনে তফশিলি জাতি ও উপজাতি ভোটারদের প্রভাব রয়েছে। ফলে ভোটের অঙ্কে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে যে রূপরেখা তৈরি হবে, তার ভিত্তিতে আগামী দিনে দুয়ারে দুয়ারে প্রচার চালাবেন জনপ্রতিনিধিরা। প্রচার গাড়ি নিয়ে তফশিলি অধ্যুষিত গ্রাম ও এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সমস্যা, দাবি এবং অভাব-অভিযোগ শোনা হবে বলে দল সূত্রে জানা গিয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তফশিলি জনগোষ্ঠীর বড় অংশের বাস। উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটের হার ছিল প্রায় পঁয়তাল্লিশ থেকে ছেচল্লিশ শতাংশ। এবার সেই হার আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই তফশিলি সমাবেশকে বড় কৌশল হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২৬
বিদেশ

মুসলিম বিশ্বে একঘরে ইরান! দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী, তেহরানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইরানের লাগাতার হামলায় রক্তাক্ত একাধিক মুসলিম দেশ। সৌদি আরব, কাতার, ওমান-সহ বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে তেহরানের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে ইরানকে কার্যত একঘরে করার পথে হাঁটল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। তেহরানে থাকা তাদের দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইরানে নিযুক্ত কূটনীতিকদেরও ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি ইরানের মাটিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-সহ একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিত্বের। তার পর থেকেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তেহরান। শনিবার ও রবিবার দুবাই, আবুধাবি, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং সৌদি আরবে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।ইরানের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আরব দেশগুলি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে এভাবে আগ্রাসী হওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, নিজেদের যুদ্ধ অন্য দেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।কিন্তু সতর্কবার্তার পরও হামলা থামেনি। বরং আক্রমণের মাত্রা বেড়েছে বলেই অভিযোগ। ফলে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় আমিরশাহী। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক জানায়, এই হামলা সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন। কয়েক দশকের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম ইরানে দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী।শনিবার মার্কিন হামলার পরই দুবাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পাম জুমেইরাহ অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। বিশ্বের অন্যতম উঁচু ভবন বুর্জ খলিফা-র কাছেও বিস্ফোরণের খবর মেলে। নিরাপত্তার কারণে খালি করে দেওয়া হয় ওই ভবন।রবিবারও হামলা অব্যাহত থাকে। আবুধাবির একটি নৌসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুবাইয়ের রুওয়াইস শিল্পাঞ্চলে ছোড়া রকেট আছড়ে পড়ে। একাধিক মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে। মুসলিম বিশ্বের বড় অংশ ইরানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের আগুন কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্য জ্বলছে, দিল্লিতে তৎপরতা! নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেই কড়া বার্তা দিলেন মোদী

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার গভীর রাতে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে কথা হয়। সূত্রের খবর, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। একইসঙ্গে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করার আবেদনও জানিয়েছেন মোদী।শনিবার থেকে ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। আমেরিকাও ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে ইরান। একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার খবর মিলেছে। পরিস্থিতি নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লিতে ফিরে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পরই নেতানিয়াহুকে ফোন করা হয় বলে জানা গিয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে মোদী জানান, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ভারতের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন। যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ বন্ধের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও মত জানান তিনি।এদিকে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সার-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।রবিবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান-এর সঙ্গেও কথা বলেন মোদী। সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। নিহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে আশ্বাস দিয়েছেন, কঠিন সময়ে ভারত পাশে রয়েছে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন মোদী। সেখানে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয় এবং বিশেষ সম্মানও দেওয়া হয় তাঁকে। সেই সফর শেষে ভারতে ফেরার আগেই ইরানের উপর যৌথ হামলা শুরু হয়। ফলে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে চাপের মুখে পড়েছে ভারত।হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল আমদানিও প্রভাবিত হচ্ছে। দেশে ফিরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা, তেল আমদানি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনই ইরান থেকে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই। বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা ভারতীয় ছাত্রছাত্রী ও কর্মীদের কারণে পরিস্থিতি জটিল। কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে সকলকে।মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থির পরিস্থিতিতে ভারতের কূটনৈতিক পদক্ষেপ এখন নজরে আন্তর্জাতিক মহলের। যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা সফল হয়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal