• ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩, রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

দেশ

দেশ

All Party Meeting: আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠকে যোগ দেবে তৃণমূল

আফগানিস্তান ইস্যুতে কেন্দ্রের ডাকা সর্বদল বৈঠকে যোগ দেবে তৃণমূল।দেশ ও দশের স্বার্থে আটকদের স্বার্থে রাজ্য কেন্দ্রের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্নে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে দেশের ব্যাপার জড়িয়ে, রাজ্যের ব্যাপার জড়িয়ে। আমরা একসঙ্গেই কাজ করছি। সবাইকে যাতে ফিরিয়ে আনা যায় এখন সেটাই লক্ষ্য। বিস্তারিত যখন হাতে পাব, আমাদের কাছে রিপোর্টিং করবে, তখন আমরা আপনাদের জানাতে পারব।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবআফগান-পরিস্থিতি নিয়ে আগামী ২৬ অগস্ট সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এই বৈঠক হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বক্তব্য, বিদেশ মন্ত্রক যদি সর্বদল ডাকে, আফগান তালিবানের মতো বিষয়ে যদি বৈঠক ডাকা হয় সেখানে নিশ্চয়ই যাবে।তিনি বলেন, আফগানিস্তানে আটকদের ফেরাতে কেন্দ্র-রাজ্য একসঙ্গে কাজ করেছে। ২৬ অগস্ট কেন্দ্রের ডাকে সর্বদলীয় বৈঠকে যাবে তৃণমূল।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরআফগানিস্তান সংকট নিয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবারই সর্বদল বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সোমবার টুইট করে এ কথা জানান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি টুইটে লেখেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ মন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছেন সংসদে সব দলের নেতাকে আফগান পরিস্থিতি নিয়ে অবহিত করতে। সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী টুইটে জানিয়েছেন, ২৬ অগস্ট সকাল ১১টায় সর্বদল বৈঠক বসবে। সেখানে বিদেশ মন্ত্রক সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের অবহিত করবে।

আগস্ট ২৩, ২০২১
দেশ

Tripura Challenge: তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেব

ত্রিপুরা যাচ্ছেন দেব। তৃণমূলের ত্রিপুরা চ্যালেঞ্জ-এ এবার অস্ত্র হতে চলেছেন অভিনেতা সাংসদ দেব। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই তাঁর আগরতলা সফর হতে পারে বলে তৃণমূল সূত্রের খবর। ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূলের সভাপতি আশিসলাল সিং বলেন, চলতি সপ্তাহেই আমাদের দলের অভিনেতা সাংসদ দেব আগরতলায় আসতে পারেন। তবে তাঁর কর্মসূচি এখনও স্থির হয়নি। তা স্থির হলেই সংবাদমাধ্যমকে জানাব।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!বিধানসভা ভোট তৃতীয় বার বাংলা দখলের পরেই তৃণমূলের নজর দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির দিকে। সেই উদ্দেশ্য মাথায় রেখেই ত্রিপুরায় দলের গতিবিধি বাড়িয়েছেন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। এ বার সেই রণনীতি মেনেই পাঠানো হতে পারে ঘাটালের অভিনেতা সাংসদ দেব তথা দীপক অধিকারীকে। তৃণমূল সূত্রে খবর, অন্যান্য নেতাদের যেমন সংগঠন বৃদ্ধির কাজের জন্য ত্রিপুরায় পাঠানো হবে, তেমনই নায়ক দেবের স্টারডম- কেও কাজে লাগাতে চায় তৃণমূল। কারণ পশ্চিমবঙ্গের পর ত্রিপুরাতেই সবচেয়ে বেশি বাঙালির বাস। আর সিনেমাপ্রেমী বাঙালির মধ্যে অভিনেতা দেবের জনপ্রিয়তা বিপুল। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের ভোটারদের কাছে টলিউডের এই নায়কের গ্রহণযোগ্যতা যথেষ্টই। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই অভিনেত্রী তথা যুব তৃণমূলের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভানেত্রী সায়নী ঘোষকেও পাঠানো হয়েছিল ত্রিপুরায়। তিনিও সেখানে গিয়ে বেশ কিছু দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এবার তৃণমূলের নতুন তাস সাংসদ দেব।

আগস্ট ২৩, ২০২১
দেশ

Corona 3rd wave: অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!

উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ্যে আনল এনআইডিএম। অক্টোবরেই কোভিডের তৃতীয় ঢেউ শিখর ছুঁতে পারে। এই বার প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ মেনে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে গঠিত বিশেষজ্ঞদের একটি কমিটি রিপোর্ট দিয়ে জানাল এ কথা। আরও পড়ুনঃ বিনিসুতোয়-এর জার্নি শেয়ার করলেন অর্পণারিপোর্টে বলা হল, দেশে ইতিমধ্যেই আছড়ে পড়েছে কোভিডের তৃতীয় ঢেউ। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকে দেশে আর ভ্যালু ১-এর উপর উঠে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, এক জন সংক্রমিতের থেকে কত জন আক্রান্ত হচ্ছেন, তা বোঝানো হয় এই আর ভ্যালু দিয়ে।কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে যাতে আরও সতর্ক হয়ে আসন্ন ঢেউয়ের মোকাবিলা করা হয়, তার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে জমা দেওয়া ওই রিপোর্ট বলছে, তৃতীয় ঢেউয়ের সময়ে বিপুল সংখ্যক শিশু সংক্রমিত হলে তাদের চিকিৎসার জন্য যত সংখ্যক চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং পরিকাঠামো প্রয়োজন, তা নেই দেশে। এই বিষয়টির দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া পরামর্শ দিয়েছে বিশেষজ্ঞদের ওই কমিটি।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে উদ্ধার বিরল প্রজাতির ক্যামেলিয়ন, পুলিশের হাতে তুলে দিল দিনমজুর যুবকএই রিপোর্ট সামনে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মধ্যে। কারণ, অক্টোবর থেকেই বাংলায় পুজোর মরশুম হচ্ছে।তার মধ্যেই কোভিডের তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়া এবং তা শিখর ছোঁয়ায় পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে, তা নিয়ে আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

আগস্ট ২৩, ২০২১
দেশ

Economy: বেসরকারিকরণ হতে পারে টয় ট্রেন, কলকাতা মেট্রো

বেসরকারিকরণ হতে চলেছে টয় ট্রেন, কলকাতা মেট্রো! জাতীয় সড়ক থেকে রেলস্টেশন। ট্রেনের রুট, বিদ্যুতের লাইন থেকে শুরু করে গ্যাসের পাইপলাইন-পরিকাঠামো। এমন বহু সরকারি সম্পদ কর্পোরেট সংস্থাকে ব্যবহার করার সুযোগ দিয়ে আগামী চার বছরে ৬ লক্ষ কোটি টাকা লাভের অংশ তুলতে চাইছে কেন্দ্র।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে উদ্ধার বিরল প্রজাতির ক্যামেলিয়ন, পুলিশের হাতে তুলে দিল দিনমজুর যুবকআগামী চার বছরে কোন কোন ক্ষেত্রের কী কী সম্পত্তি বেসরকারি সংস্থাকে কাজে লাগাতে দেওয়া হবে, সোমবার তার বিশদ পরিকল্পনা (ন্যাশনাল মনিটাইজেশন পাইপলাইন) ঘোষণা করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সরকারি সূত্রের ব্যাখ্যা, এক দিকে এয়ার ইন্ডিয়া, ভারত পেট্রোলিয়ামের মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণের মাধ্যমে রাজকোষে টাকা আনার চেষ্টা হচ্ছে। অন্যদিকে, সরকারি সম্পত্তি বেসরকারি সংস্থার হাতে তাদের পরিকল্পনামাফিক ব্যবহারের জন্য তুলে দিয়েও (অ্যাসেট মনিটাইজেশন) রাজকোষ ভরতে চাইছে কেন্দ্র। নীতি আয়োগের সুপারিশ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সচিবদের একটি কোর গ্রুপ প্রায় ৩০টি ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করেছে। তাদের প্রায় ১০০টি সম্পত্তি বেসরকারি ব্যবহারের পথ খুলে দেওয়া হবে। এর মধ্যে যেমন বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অব্যবহৃত জমি, বাড়ি রয়েছে, তেমনই রয়েছে জাতীয় সড়ক, রেলের প্রকল্পও।সূত্রের খবর, দিল্লি মেট্রোর কিছু রুট, রেলের ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর, কলকাতা মেট্রোর কিছু পরিকাঠামো এই তালিকায় রয়েছে। জাতীয় সড়কের ১২টি অংশও (দৈর্ঘ্য প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার) চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৫০টি যাত্রিবাহী ট্রেন, নয়াদিল্লি, মুম্বই-সহ ৫০টি রেলস্টেশন এই তালিকায় আছে। ইন্ডিয়ান অয়েল, গেল-এর পাইপলাইন, পাওয়ার গ্রিডের বিদ্যুৎ পরিবহণ লাইনও বেসরকারি সংস্থাকে ব্যবহার করতে দেওয়ার সম্ভাবনা।

আগস্ট ২৩, ২০২১
দেশ

Provident Fund: বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনের

প্রভিডেন্ট ফান্ডের পুরো টাকাই দেবে কেন্দ্র। কোভিডে যারা কাজ হারিয়েছেন, তাঁদের জন্য এ বার বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শনিবার জানিয়েছেন, কর্ম-হারা কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা এ বার কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে। সাধারণত দুভাগে এই টাকা দেওয়া হয়। একটি অংশ দেয় সেই সংস্থা যেখানে কোনও কর্মী কর্মরত অবস্থায় রয়েছেন। দ্বিতীয় অংশটি ওই কর্মীর বেতন থেকে কেটে নেওয়া হয়। উভয় ভাগের টাকাই কেন্দ্রের পক্ষ থেকেই দেওয়া হবে বলে এ দিন ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। আগামী ২০২২ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কর্মচারী, এবং সংস্থা; উভয় পক্ষের পিএফ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।If in a district, more than 25,000 migrant workers working in the informal sector return to their native place will get benefits from 16 Central schemes for employment. In 2020, we increased the MGNREGA budget from Rs 60,000 cr to around Rs 1 lakh cr due to COVID:Finance Minister pic.twitter.com/9azlNN24D4 ANI (@ANI) August 21, 2021অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্যও এ দিন বড় ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, করোনার কারণে যদি কোনও জেলায় কমপক্ষে ২৫ হাজার শ্রমিক অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করেন, তবে তাঁদের সুবিধার জন্য এবং রোজগার বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে মোট ১৬ টি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে। যার লাভ তাঁরা নিতে পারেন। অতিমারির কারণে যেহেতু প্রচুর পরিমাণ দিনমজুর এবং পরিযায়ী শ্রমিক নিজেদের বাড়ি ফিরে গিয়েছেন, তাই সেই মানুষগুলির কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে মনরেগার বাজেট ৬০ হাজার কোটি থেকে বাড়িয়ে ১ লক্ষ কোটি টাকা করেছে কেন্দ্র। এমনটাও জানান অর্থমন্ত্রী।

আগস্ট ২১, ২০২১
দেশ

Land Slide: কয়েক সেকেন্ডের তফাতে প্রাণে বাঁচলেন যাত্রীরা, কীভাবে জানুন

কয়েক দিন আগে ঘটে যাওয়া হিমাচল প্রদেশের কিন্নরের ভয়ানক স্মৃতি ফের একবার উস্কে দিল শনিবারের ঘটনা। পাহাড়ের উপর থেকে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে এল বিশাল ধস।অল্পের জন্য রক্ষা পেল যাত্রীবোঝাই বাস। আতঙ্কে বাস থেকে লাফ মারলেন অনেকে। কেউ কেউ জানলা দিয়ে গলে বেরোনোর প্রাণপণ চেষ্টাও করলেন। শনিবার সকালে নৈনিতালে পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল একটি বাস। হঠাৎ কয়েক হাত দূরে হুড়মুড়িয়ে ধস নামতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। চালক কোনওক্রমে বাস থামিয়ে দেন। বাস থামতেই আতঙ্কে বাস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন যাত্রীরা। কেউ আবার জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করেন। তবে এই ঘটনায় কারও মৃত্যু হয়নি। আহত হওয়ারও কোনও খবর নেই। এক মিনিটের একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। দেখা যাচ্ছে বাসটির সামনেই ধস নেমেছে। পাহাড় থেকে লাগাতার পাথর, বোল্ডার ও কাদামাটি নেমে আসছে। ধস কিছুটা কমতেই যাত্রীরা হাতে ব্যাগ নিয়ে বাস থেকে নেমে পড়েন ও পিছন দিকে দৌ্ঁড়তে থাকেন। বাসের চালককেও দেখা যায়, রিভার্সে বাসটিকে ধসের জায়গা থেকে কিছুটা পিছিয়ে আনতে।#WATCH | Uttarakhand: A bus carrying 14 passengers narrowly escaped a landslide in Nainital on Friday. No casualties have been reported. pic.twitter.com/eyj1pBQmNw ANI (@ANI) August 21, 2021কয়েক দিন আগেই হিমাচল প্রদেশের কিন্নরের পাহাড়ি রাস্তায় যাত্রিবোঝাই বাস, বেশ কয়েকটি গাড়ির উপর আছড়ে পড়েছিল ধস। সেই ঘটনায় বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছিলেন অনেকে। ধসের ধাক্কা পাহাড়ের খাদে আছড়ে ফেলেছিল বাস এবং কয়েকটি গাড়িকে। ভয়ানক সেই ঘটনার স্মৃতি ফিকে হতে না হতেই নৈনিতালের এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

আগস্ট ২১, ২০২১
দেশ

Opposition meeting: সনিয়ার ডাকা বিরোধী-বৈঠকে মমতার বার্তা

পাখির চোখ ২০২৪। বিজেপি বিরোধী জোটে শান দিতে মোট ২০ টি দল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হওয়া বৈঠকে অংশ নিয়েছিল। সেখানেই সম্মিলিতভাবে মোট ১১ টি দাবি পেশ করা হয় কেন্দ্রের সামনে। সূত্রের খবর, সমস্ত দল মিলে আগামী মাসের ২০ তারিখ থেকে গোটা দেশে কেন্দ্র-বিরোধী আন্দোলন আরও তীব্র করবে বলে জানিয়েছে। যৌথভাবে গোটা দেশের নানা প্রান্তে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। আজকের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অবশ্য অংশ নেয়নি সপা এবং বসপা। তবে তৃণমূল মনে করছে, এদিনের বৈঠকের মাধ্যমে ২০২৪-এর লক্ষ্যে একটা প্রক্রিয়া অন্তত শুরু হল।আরও পড়ুনঃ মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না ইস্টবেঙ্গলেরযখনই বিরোধী জোটের কথা আসে, তখন পাল্লা দিয়ে আরেকটা প্রশ্নেরও উত্থাপন হয়। সূত্রের খবর, এ দিনের বৈঠকে সেই প্রশ্নটাই ভুলে যেতে বলেছেন মমতা। কে নেতা, তা ভুলে যান। আসুন ব্যক্তিগত স্বার্থকে আমরা একপাশে রাখি। মানুষই আমাদের নেতৃত্ব দেবে, বৈঠকে এমনটাই বলেন মমতা। অন্যদিকে, আজকের বৈঠকের পর একটি সম্মিলিত বিবৃতি প্রকাশ করে মোট ১১টি দাবি কেন্দ্রের নিকট তুলে ধরে অংশগ্রহণকারী ২০ টি রাজনৈতিক দল। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের পথে আরেকধাপ এগোনোর প্রতিশ্রুতি নিলেন বিরোধী নেতারা। বৈঠকে ছিলেন শিবসেনা সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে, এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার, ডিএমকে-র এমকে স্ট্যালিন, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার হেমন্ত সোরেন। তবে গরহাজির ছিলেন এসপি ও বিএসপি নেতৃত্ব। আরও তাৎপর্যপূর্ণভাবে সনিয়ার ডাকা বৈঠকে মমতার পাশাপাশি ছিলেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি।

আগস্ট ২০, ২০২১
দেশ

Post Poll violence: ৪ রাজ্যের অফিসারদের নিয়ে গঠিত সিবিআইয়ের বিশেষ দল

কলকাতা হাইকোর্টে সবুজ সংকেত মিলতেই দিল্লিতে শুরু হয়ে গিয়েছে তৎপরতা।এ রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্তে চারটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করল সিবিআই। সূত্রের খবর, প্রতি দলের নেতৃত্বে থাকবেন জয়েন্ট ডিরেক্টর পদমর্যাদার এক অফিসার। এছাড়াও বিশেষ তদন্তকারী দলে রাখা হচ্ছে ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার অফিসারদের। লখনউ, পাটনা, দিল্লি ও দেরাদুনের সিবিআই অফিসারদের নিয়ে গড়া হচ্ছে এই বিশেষ দল। গতকালই কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে এ রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার তদন্ত করবে সিবিআই। তদন্তে নজরদারি করবে উচ্চ আদালত।আরও পড়ুনঃ দেশের সাধারন মানুষের জন্য অর্থ সংগ্রহে নেমেছেন আফগান ক্রিকেটার রশিদ খানপাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে নির্দেশ আদালতের নজরদারিতে, খুন, ধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগের তদন্ত করবে সিবিআই বলে বৃহস্পতিবার নির্দেশ দিয়েছে। অনান্য অভিযোগের তদন্ত করবে সিট। নজরদারিতে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।ভোটের পর শাসকদলের মদতে বিরোধীদের ওপর হিংসা, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ, ওঠে। কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয় একাধিক মামলা। আদালতের নির্দেশে রাজ্য ঘুরে রিপোর্ট দেয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কমিটি। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি-সহ পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে ৩ অগস্ট শুনানি শেষ হয়।

আগস্ট ২০, ২০২১
দেশ

Corona Update: ফের বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরল

ফের দেশে সংক্রমণের হার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এরাজ্যেও সংক্রমণের সংখ্যাটা উপরের দিকেই। এরইমধ্যে দেশের দৈনিক সংক্রমণ বুধবারের তুলনায় একটু বাড়লেও বৃহস্পতিবার তা ৪০ হাজারের নীচেই রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬ হাজার ৪০১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ২৩ লক্ষ ২২ হাজার ২৫৮।পাঁচ দিন পর দেশের দৈনিক মৃত্যু ফের ৫০০ ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৫৩০ জনের। গোটা অতিমারি পর্বে করোনা প্রাণ কেড়েছে ৪ লক্ষ ৩৩ হাজার ৪৯ জনের। এর মধ্যে মহারাষ্ট্র (১৫৮) এবং কেরলে (১৭৯) দৈনিক মৃত্যু হচ্ছে সবথেকে বেশি।আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেন কবে চালু হবে, জানালেন মমতাএখনও দেশের মধ্যে সংক্রমণ বেশি হচ্ছে কেরলে। দৈনিক সংক্রমণের অর্ধেকেরও বেশি হচ্ছে দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্যে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজার ৪২৭ জন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মহারাষ্ট্রের দৈনিক সংক্রমণ কেরলের চারভাগের এক ভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ১৩২ জন। এর পর রয়েছে তামিলনাড়ু (১,৭৯৭), অন্ধ্রপ্রদেশ (১,৪৩৩), কর্নাটক (১,৩৬৫), ওডিশা (৯৯৩), পশ্চিমবঙ্গে (৬৪৬) এবং অসম (৬৩৯)। সংক্রমণ কম হওয়ায় দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমছে। দেশে এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ৬৪ হাজার ১২৯ জন। ভারতে করোনা পরীক্ষার মোট সংখ্যা ৫০ কোটি ছাড়িয়েছে। অতিমারির শুরু থেকে এখন অবধি দেশে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৫০ কোটি ৩ লক্ষ ৮৪০।এদিকে, সংক্রমণে রাশ না পড়লে এবং গ্রামাঞ্চলে ৫০ শতাংশ টিকাকরণ না হলে লোকাল ট্রেনে চালানো হবে না বলে বুধবারই নবান্নে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান মুখ্যমন্ত্রী। লোকা ট্রেন চালানোর দাবিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভও দেখাচ্ছেন যাত্রীরা। যে ট্রেন চালানো হচ্ছে, তাতে ভিড় বাড়ছে, ফলে সংক্রমণের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কাও দেখা দিচ্ছে।

আগস্ট ১৯, ২০২১
দেশ

NDA: মহিলাদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের

সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির প্রবেশিকা পরীক্ষায় মহিলারাও বসতে পারবেন। বুধবার একটি জনস্বার্থ মামলায় অন্তবর্তী রায় দিয়ে জানাল সুপ্রিম কোর্ট। পরীক্ষায় মহিলাদের বসতে না দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় সেনাকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে শীর্ষ আদালত। বিষয়টি লিঙ্গবৈষম্যের সামিল বলেও ব্যাখ্যা করেছে ওই বেঞ্চ।আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির প্রবেশিকা পরীক্ষা হওয়ার কথা। ওই পরীক্ষায় মহিলাদের বসতে দেওয়া হচ্ছে না, এই অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন দিল্লির আইনজীবী কুশ কালরা। তিনি জানিয়েছিলেন, শুধু মাত্র লিঙ্গের কারণে মহিলাদের পরীক্ষায় বসতে না-দেওয়ার সিদ্ধান্তে আদতে লঙ্ঘিত হয়েছে ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪, ১৫, ১৬ এবং ১৯। বুধবারের শুনানিতে আদালতে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, ভারতীয় সেনায় মহিলাদের সমান সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। সশস্ত্র বাহিনীতে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনও রকম মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয় না।

আগস্ট ১৮, ২০২১
দেশ

Sashi Tharoor: সুনন্দা পুষ্কর হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি শশী থারুরের

অবশেষে সুনন্দা পুষ্কর-র মৃত্যু মামলায় অব্যাহতি পেলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। বুধবার দিল্লি আদালত-র তরফে এই মামলা থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পরই কংগ্রেস নেতা শশী থারুর আদালতে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। সাড়ে সাত বছর ধরে অকথ্য অত্যাচার থেকে মুক্তি পেলাম। দেশের বিচার ব্যাবস্থার উপর ভরসা ছিল। এ বার আমরা সবাই সুনন্দার জন্য শোকপালন করতে পারব। শশী থারুরের আইনজীবীও এ দিন আদালতে জানান, বিশেষ তদন্তকারী দল বিনা কারণে শশী থারুরকে হেনস্থা করেছেন। কোনও প্রমাণ জমা দিতে না পারায় তাঁকে সমস্ত মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক। তদন্তে জানা গিয়েছিল, মৃত্যুর এক সপ্তাহ আগেই স্বামী শশী থারুরকে একটি ই-মেইল পাঠিয়েছিলেন সুনন্দা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, আমার বেঁচে থাকার আর কোনও ইচ্ছা নেই। শুধু আমার মৃত্যুই চাইছি। যদিও এই মেইলের কোনও জবাব দেননি শশী। এরপরই তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কে ফাটলের তত্ত্ব সামনে উঠে আসে। আরও পড়ুনঃ নতুন ছবির প্রস্তুতি শুরু মিমিরউল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি দিল্লির একটি পাঁচতারা হোটেল থেকে উদ্ধার হয় সুনন্দা পুষ্করের দেহ। দিল্লি পুলিশ শশী থারুরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও নৃশংসতার অভিযোগ আনে। তবে এ দিন আদালতের তরফে শশী থারুরের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়। ২০১৪-র ১৭ জানুয়ারি দিল্লির একটি অভিজাত হোটেল থেকে উদ্ধার হয় ৫২ বছর বয়সী সুনন্দা পুষ্করের দেহ। ময়নাতদন্তে তাঁর পাকস্থলীতে বিষের উপস্থিতি মেলে। এরপরই অভিযোগের তীর ওঠে কংগ্রেস সাংসদের বিরুদ্ধে। সুনন্দার মৃত্যুর কারণ আরও স্পষ্ট ভাবে জানতে এফবিআইয়ের কাছে ভিসেরার নমুনা পাঠানো হয়। পাকস্থলী, প্লীহা, যকৃৎ ও মূত্রের নমুনা পরীক্ষা করে নমাস পরে রিপোর্ট পাঠায় এফবিআই। সেই রিপোর্টে জানানো হয়, নমুনা হিসাবে পাঠানো প্রত্যেকটি দেহাংশেই বিষের উপস্থিতি মিলেছে। সুতরাং বিষক্রিয়ার কারণেই অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল সুনন্দা পুষ্করের।

আগস্ট ১৮, ২০২১
দেশ

Pegasus: পেগাসাস-কমিশন নিয়ে রাজ্যকে নোটিস শীর্ষ আদালতের

পেগাসাস নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গঠন করা তদন্ত কমিশন বাতিলের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। ওই মামলায় এ বার রাজ্যকে নোটিস পাঠাল শীর্ষ আদালত। রাজ্যের গঠন করা তদন্ত কমিশন খারিজের দাবিতে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছেন মামলাকারীর পক্ষে আইনজীবী সৌরভ মিশ্র। কিন্তু এখনই ওই কমিটি ভাঙার নির্দেশ দেয়নি আদালত।রাজ্য সরকার কমিটি গঠনের ঘোষণা করতেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। আইনজীবী মহলের একাংশের বক্তব্য ছিল, পেগাসাসের মতো আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে তদন্ত কমিশন গঠন করার এক্তিয়ারই নেই কোনও রাজ্য সরকারের। আদালতে মামলা হলেই খারিজ হয়ে যাবে ওই কমিটি। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাও এ দিন বলেন, এই তদন্ত কমিশন অসাংবিধানিক, এটুকুই বলতেই পারি।আরও পড়ুনঃ ১০০ পুরসভায় বড়সড় রদবদলউল্লেখ্য, বিরোধী নেতা, বিচারপতি, সাংবাদিক এবং সমাজকর্মীদের ফোনে আড়িপাতার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর রাজ্যে তদন্ত কমিশন গঠন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রশান্ত কিশোরের ফোনেও নজরদারি চালানো হয়েছিল, এই রিপোর্ট সামনে আসতেই জুলাই মাসে দিল্লি সফরের আগেই তদন্ত কমিশন গঠনের ঘোষণা করে মমতা জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মদন বি লোকুর নেতৃত্বে গঠন করা হয়েছে ওই দুই সদস্যের তদন্ত কমিশন। বাংলার সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তার পরই মামলা দায়ের হয় শীর্ষ আদালতে। মামলার পরবর্তী শুনানি ২৫ অগস্ট।

আগস্ট ১৮, ২০২১
দেশ

Cabinet Meeting: বিপদের দিনে আফগান হিন্দু ও শিখদের পাশে ভারত

আফগান হিন্দু ও শিখদের আশ্রয় দেবে ভারত। মঙ্গলবার নিজের বাসভবনে নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে এমনই বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মানুষ সাহায্য চাইলে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশও দেন তিনি। সূত্রের খবর, মোদি বৈঠকে জানিয়েছেন, ভারত কেবলমাত্র নিজের দেশের নাগরিকদের রক্ষা করবে না। তিনি বলেছেন, আফগানিস্তানে সংখ্যালঘু শিখ ও হিন্দুদের অবশ্যই আমাদের আশ্রয় দিতে হবে। যে আফগান ভাইবোনেরা সাহায্যের জন্য ভারতের দিকে তাকিয়ে আছেন, তাঁদেরও প্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দিতে হবে। সোমবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কেবল আফগান হিন্দু ও শিখ শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। আশ্রয় দেওয়ার কথা না বললেও আফগান নাগরিকদের সাহায্যের আশ্বাস দেন মোদি।আরও পড়ুনঃ সুপার ড্যান্স শো তে ফিরলেন শিল্পাভারতীয় বায়ুসেনার বিমানে মঙ্গলবার আফগানিস্তান থেকে দেশে ফিরেছেন ১৪০ জন ভারতীয়। এর মধ্যে রয়েছেন আফগানিস্তানে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত রুদ্রেন্দ্র ট্যান্ডন, দূতাবাসের কর্মী, ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (আইটিবিপি) কর্মী ও সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা। ট্যান্ডন দেশে ফিরেই হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট বৈঠকে। সেখানে তিনি আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে সবিস্তারে জানিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। মঙ্গলবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর রাজধানীর বাইরে থাকায় মন্ত্রকের হয়ে বৈঠকে অংশ নেন বিদেশ সচিব। এ ছাড়াও বৈঠকে ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও।

আগস্ট ১৮, ২০২১
দেশ

Assam Congress: তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত? কংগ্রেস ছাড়লেন সুস্মিতা দেব

জল্পনা জিইয়ে কংগ্রেস ছাড়লেন দলের প্রাক্তন সাংসদ তথা মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী সুস্মিতা দেব। কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সনিয়া গান্ধিকে চিঠি লিখে নিজের পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন সুস্মিতা। অসমের শিলচরের প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দল ছাড়ার পরেই জল্পনা শুরু হয়েছে, তবে কি এ বার তৃণমূলে যোগ দেবেন তিনি।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে গোল দিলীপের২০১৪ সালে শিলচরের সাংসদ হয়েছিলেন সুস্মিতা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রার্থী নির্বাচন ও দলে তাঁর মতামতকে গুরুত্ব না দেওয়ায় দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। এরইমধ্যে আরও একটি জল্পনা উঠে আসছে। তাহলে কী তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন সুস্মিতা? ত্রিপুরার পরে অসমে নিজেদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই নির্দল বিধায়ক অখিল গগৈকে দলে নিতে প্রস্তাব পাঠিয়েছে তারা। এই পরিস্থিতিতে সুস্মিতা তৃণমূলে যোগ দেন কি না সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।সূত্রের খবর, সম্ভবত বর্তমানে কলকাতায় রয়েছেন সুস্মিতা দেব। সোমবারই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি। সনিয়াকে লেখা চিঠিতে সুস্মিতা বলেন, জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে তিন দশকের সম্পর্ক শেষ করছি। আমার পাশে থাকার জন্য সতীর্থ ও দলের নেতা-মন্ত্রীদের ধন্যবাদ। তিন দশকের স্মৃতি আমি সারা জীবন মনে রাখব।

আগস্ট ১৬, ২০২১
দেশ

Independence Day: দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে বীর বিপ্লবীদের পীঠস্থান বর্ধমান

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছে বর্ধমান জেলার নাম। দেশ মাতৃকাকে ব্রিটিশ শৃঙ্খল মুক্ত করার শপথ নিয়ে এই জেলার বহু বীর সন্তান বিপ্লবী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে অবশ্যাই অগ্রগণ্য এই জেলার সদর দক্ষিণ মহকুমার বটুকেশ্বর দত্ত, রাসবিহারী বোস, রাসবিহারী ঘোষ ও অনিল বরণ রায়। এই চার দেশবরেণ্য বিপ্লবীর নাম আজও ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। এনারা ছাড়াও অবিভক্ত বর্ধমান জেলার আরও অনেকে আছেন যারা দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনকে জোরদার করার কাজে সামিল হয়েছিলেন। তাঁরা হয় তো বিস্মৃতির অতলে রয়ে গিয়েছেন। তবে দেশের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসে তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে ব্রতী হবেন বর্ধমান জেলার আপামর বাসিন্দা। ঐতিহাসিক তথ্য থেকে জানা যায়, লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে ১৯০৫ সালে সমগ্র ভারতবর্ষ জুড়ে যে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল তার ঢেউ আছড়ে পড়েছিল বর্ধমান জেলাতেও। শুধু শহর বর্ধমানের মানুষজনই নয়, গ্রামীন বর্ধমানের মানুষজনও সেই সময়ে সামিল হয়েছিলেন বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদ আন্দোলনে। তদানীন্তন সময়কালে অবিভক্ত বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামের সন্তান কাজী নজরুল ইসলামের দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা স্বাধীনতা আন্দোলনকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ১৯২৫ সালে বর্ধমানে এসে বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চাঁদের আতিথ্য গ্রহন করেছিলেন। এইসবের পরিপ্রেক্ষিতে ইতিহাসবিদরা মনে করেন দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে কোন অংশেই কম ছিল না বর্ধমানের গুরুত্ব। স্বদেশী আন্দোলন থেকে শুরু করে বিপ্লবী আন্দোলন, সবেরই উত্তোরণের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বর্ধমানের বিপ্লবীদের নাম। এই জেলার জ্যোতিন্দ্রনাথ বন্দ্যেপাধ্যায় যৌবনে বিপ্লবী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। পরে অবশ্য তিনি আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করে নিরালঙ্গ স্বামী নামে পরিচিত হন। ১৮৭৬ সালে সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ভারত সভা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই ভারত সভার তিনটি শাখা গড়ে উঠেছিল বর্ধমান জেলার বিভিন্ন প্রান্তে।ওই শাখাগুলি বর্ধমান শাখা, কালনা শাখা ও পূর্বস্থলী হিতকরী সভা নামে আত্মপ্রকাশ করে। কালনার কবিরাজ বংশীয় উপেন্দ্রনাথ সেন ও দেবেন্দ্রনাথ সেনের উদ্যোগে কালনা ও কাটোয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বঙ্গভঙ্গ বিরোধী সভা।ঐতিহাসিক তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, সেই সভায় স্বয়ং সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন।কালনা মহকুমা ইতিহাস ও পুরাতত্ব চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সিদ্ধেশ্বর আচার্য্য বলেন, স্বদেশী আন্দোলনের ঢেউ সেই সময়ে কালনার বাঘনা পাড়ার যুবক মহলে প্রভাব ফেলেছিল। ১৯০৬ সালে বিদেশী দ্রব্য লুঠ করে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছিল কালনার বাঘনা পাড়ার যুবকরা। সেই ঘটনায় ব্রিটিশ পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিলেন গৌর গোবিন্দ গোস্বামী, মণিগোপাল মুখোপাধ্যায়, সন্তোষ বন্দ্যোপাধ্যায়, বৃন্দাবন গোস্বামী, বলাই গঙ্গোপাধ্যায় ও বলাই দেবনাথ। সিদ্ধেশ্বরবাবু এও বলেন, এদের গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত মোকদ্দমাই ছিল বঙ্গে প্রথম রাজনৈতিক মোকদ্দমা। তদানিন্তন সময়ে বাঘনা পাড়ায় স্বদেশী ভাণ্ডারও প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। ১৯৪২ শে ভারত ছাড়ো আন্দোলনে বাঘনা পাড়ার যুবকরা জড়িত হয়েছিলেন বলে সিদ্ধেশ্বর আচার্য্য জানিয়েছেন। জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে উৎসাহিত করার জন্য নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু দুবার বর্ধমানে এসেছিলেন। ইংরেজ আমলে জাতীয় শিক্ষা নিয়েও বর্ধমান জেলা উদ্যোগী ভূমিকা নিয়েছিল। ইংরেজি বিদ্যালয়ের পরিবর্তে জাতীয় বিদ্যালয় স্থাপনে খণ্ডঘোষের তোরকোনায় রাসবািহারী ঘোষ প্রভূত অর্থ দান করেছিলেন। কালনা, বর্ধমান সদর, বৈকন্ঠপুর নানা স্থানে জাতীয় বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বান্ধব সমিতি, মহামায়া সমিতি প্রভৃতি নামে জেলার কালনা, পূর্বস্থলী ও মন্তেশ্বরে বিপ্লববাদী গুপ্তসমিতি গড়ে উঠেছিল। মানকরের জমিদার রাজকৃষ্ণ দিক্ষিত ও দুর্গাপুরের ভোলানাথ রায় সেই সময়ে স্বদেশী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে কারারুদ্ধ হন।স্বরাজ তহবিলের চাঁদা তোলার জন্য ১৯২১-২২-তে চিত্তরঞ্জন দাস বর্ধমানে এসেছিলেন। তাঁর আগমনে বর্ধমান জেলায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ভিন্ন মাত্রা পেয়েছিল। জাতীয়তাবাদী কবিতা লোখার জন্য বর্ধমানের জামালপুরের গোপালপুর গ্রাম নিবাসী গোবিন্দরাম বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্কুল থেকে বিতাড়িত হতে হয়েছিল । ১৯২২ সালের ৫ জানুয়ারি এই গোপালপুরের ইংরেজ বিরোধী মানুষজনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা পায় গোপালপুর মুক্তকেশী বিদ্যালয়। গান্ধীজীর অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে বিদ্যালয়ের প্রথম পরিচালন সমিতি এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত হয়, ইংরেজদের নিয়ম মেনে রবিবার নয় - বিদ্যালয় ছুটি থাকবে সোমবার। সেই থেকে আজও রবিবার পুরোমাত্রায় পঠনপাঠন চালু থাকে গোপালপুর মুক্তকেশী বিদ্যালয়ে। এই বিদ্যালয় ছুটি থাকে সোমবার। পরাধীন ভারতবর্ষের মাটিতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে ভিন্নমাত্রায় পৌছে দিতে বর্ধমানের মহিলারাও মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। এই বিষয়ে উল্লেখযোগ্য নির্মলা সান্যাল ও সুরমা মুখোপাধ্যায়ের নাম । ১৯৩১ -তে কংগ্রেসের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় বর্ধমান জেলা কৃষক সমিতি। তদানীন্তন কালেই কৃষক সমিতির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যে সভার সভাপতি হয়েছিলেন ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত। তাঁর নামেই পরবর্তীকালে হাটগোবিন্দপুরে গড়ে ওঠে ভূপেন্দ্রনাথ মহাবিদ্যালয়।পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে অবিভক্ত বর্ধমান জেলাবাসীর অবদান কোন অংশেই কম ছিল না। এই জেলার বটুকেশ্বর দত্ত, রাসবিহারী বসু, রাসবিবাহী ঘোষ, অনিলবরণ রায় প্রমুখ দেশবরেণ্য বিপ্লবীর নাম দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। এঁরা ছাড়াও জেলার আরও যাঁরা দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন তাঁদের অবদানও জেলাবাসী মনে রেখেছে। ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসে বর্ধমানবাসী সকল বিপ্লবী স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহনকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে তাই ব্রতী হবেন।

আগস্ট ১৫, ২০২১
দেশ

Terrorists: স্বাধীনতা দিবসে হামলার ছক, রেহাই পেল না ৪ জইশ জঙ্গি

স্বাধীনতা দিবসে বড়সড় হামলার ছক কষেছিল জঙ্গিরা। তার ২৪ ঘণ্টা আগে চার জইশ জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে সেই ছক ভেস্তে দিল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। গোপন সূত্রে পুলিশ খবর পেয়েছিল বিপুল পরমাণ অস্ত্র, বিস্ফোরক জমা করছে জঙ্গিরা। সেই খবর পেয়েই তল্লাশি অভিযান শুরু করে। তখন অস্ত্রশস্ত্র এবং বিস্ফোরক-সহ চার জইশ জঙ্গিকে পাকড়াও করে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত জঙ্গিরা ড্রোনের মাধ্যমে কাশ্মীরের বিভিন্ন প্রান্তে অস্ত্র ছড়িয়ে দেওয়ার ছক কষেছিল। স্বাধীনতার আগে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা ছিল। সূত্রের খবর, মোটরসাইকেলে আইইডি ব্যবহার করে হামলার ছক ছিল জঙ্গিদের। জম্মুর সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার পরই গোটা জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে ড্রোনের উপর নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ এবং সেনা। বেশ কয়েকটি ড্রোনকে গুলি করে নামানোও হয়। সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তান সীমান্তলাগোয়া এলাকা থেকে বিস্ফোরক-সহ ড্রোনকে গুলি করে নামায় সেনা। ধৃতদের মধ্যে অন্যতম মুন্তাজির মঞ্জুর জেরার মুখে জানিয়েছে, পাকিস্তানের জইশ কমান্ডার মুনাজির শাহিদ তাদের নির্দেশ দিয়েছিল অমৃতসরের কাছে পাক ড্রোন থেকে ফেলে যাওয়া অস্ত্রগুলি সংগ্রহ করে নিতে। এছাড়াও তার উপরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পানিপথের তেল শোধনাগার ও অযোধ্যার রাম জন্মভূমি অঞ্চলে রেইকি করে ভিডিও পাকিস্তানে পাঠানোর জন্য। তবে তেল শোধনাগার এলাকার ভিডিও পাঠাতে পারলেও অযোধ্যায় যাওয়ার আগেই ওই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।উল্লেখ্য, গত শনিবারই বদগাওঁ জেলায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে এক জঙ্গির মৃত্যু হয়। এর কয়েক দিন আগে পুলওয়ামায় সেনার সঙ্গে এনকাউন্টারে নিহত হয় জইশ-ই-মহম্মদের কুখ্যাত জঙ্গি মহম্মদ ইসমাইল আলভি ওরফে লম্বু।

আগস্ট ১৪, ২০২১
দেশ

Modi-Tweet: দেশভাগের যন্ত্রণার স্মৃতি দিবস ঘোষণা মোদির

৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশ ভাগের স্মৃতি উস্কে ১৪ অগস্ট দিনটি পার্টিশন হররস রিমেমবারেন্স ডে হিসেবে পালনের ঘোষণা করলেন তিনি। দেশভাগের সময় যাঁদের প্রাণ গিয়েছে, তাঁদের স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী।May the #PartitionHorrorsRemembranceDay keep reminding us of the need to remove the poison of social divisions, disharmony and further strengthen the spirit of oneness, social harmony and human empowerment. Narendra Modi (@narendramodi) August 14, 2021এ দিন প্রধানমন্ত্রী টুইটে লেখেন, দেশভাগের এই কষ্ট ভোলার নয়। এই দিনেই আমাদের লক্ষাধিক ভাইবোন একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন এবং বহু মানুষ কেবল হিংসা ও ঘৃণার জেরে নিজেদের প্রাণ হারিয়েছিলেন। স্বাধীনতার জন্য দেশবাসীর আত্মত্যাগ ও প্রচেষ্টাকে সম্মান জানিয়েই ১৪ অগস্ট দিনটি দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস হিসাবে পালন করা হবে।তিনি আরও লেখেন, এই দিনটি আমাদের বারবার মনে করিয়ে দিক যে সামাজিক বিভাজন, বিভেদ দূর করে একতা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং ক্ষমতায়নের চেতনাকেই আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা স্মরণ করিয়ে দিতে থাকুক।এদিকে প্রধানমন্ত্রীর টুইটকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। দেশভাগের জন্য বিজেপিকে তোপ দেগেছেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। পাল্টা তোপ দেগেছেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। বিভাজনের রাজনীতি করছে সিপিএম। আক্রমণ বিজেপির।

আগস্ট ১৪, ২০২১
দেশ

Dudh Durant: "দুধ দুরন্ত"-র দুধ পরিবহন দশ কোটি লিটার ছাড়াল

ভারতীয়দের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের তালিকায় দুধ বেশ ওপরের দিকেই থাকবে। দুধের পুষ্টিগুন নিয়ে আলোচনা করতে শুরু করলে ভারতীয়দের থামানো মুশকিল। ভারতের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভাগে দুধ ও দুগ্ধ জাত খাদ্যের প্রতি আগ্রহ নিয়ে অনেক জনশ্রুতি আছে। এহেন উত্তর ভারতের দুগ্ধের আকাল মেটাতে দক্ষিণ মধ্য রেলওয়ের এক অভিনব উদ্যোগকে সকলেই সাধুবাদ জানাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ ফর্ম বিলির আগেই বিতর্কে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারঅন্ধ্রপ্রদেশের রেনিগুন্টা থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লি পর্যন্ত দুধ দুরন্ত নামে বিশেষ ট্রেনের মাধ্যমে দুধ পরিবহণ দশ কোটি লিটার পার করলো। প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল ২৬ মার্চ ২০২০। দক্ষিণ মধ্য রেলওয়ের বিশেষ ট্রেনগুলি নিরবচ্ছিন্নভাবে ভাবে এই মহান কাজটি করে চলেছে এবং আজ পর্যন্ত ৪৩২ টি ট্রিপে ২৫০২ টি দুধের ট্যাঙ্কার রাজধানীতে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা অভিযান অব্যাহত, আজ যাচ্ছেন ৯ সাংসদদেশের চাহিদা পুরনের জন্য রেনিগুন্টা থেকে নয়াদিল্লি পর্যন্ত রেলপথে দুধ পরিবহণ করা খুবই অপরিহার্য এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কোভিড -১৯ এর আগে, নয়াদিল্লি এবং আশপাশের অঞ্চলে মানুষের দুধের চাহিদা পূরণের জন্য সাপ্তাহিক সুপারফাস্ট ট্রেনের সঙ্গে দুধের ট্যাঙ্কার সংযুক্ত করা হচ্ছিল। যখন দেশে সম্পূর্ণভাবে লকডাউন ঘোষণা করা হল, সেই ব্যবস্থাপনাই ধাক্কা পেল। তখন এই ব্যবস্থার পরিপূরক হিসেবে, দক্ষিণ মধ্য রেল বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে শুধুমাত্র দুধের ট্যাঙ্কার সংযুক্ত করে দুধ দুরন্ত নামে এক বিশেষ ট্রেন চালানোর অভিনব উদ্যোগ নেয়। দীর্ঘক্ষণ রেল যাত্রায় দুধ নষ্ট হওয়ার কথা মাথায় রেখে রেল কতৃপক্ষ এই ট্রেনগুলিকে মেল / এক্সপ্রেস ট্রেনের সমতুল্যভাবে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিচালনা করে আসছে। রেনিগুন্টা থেকে নয়াদিল্লির নিজামুদ্দিন স্টেশন পর্যন্ত যাত্রাপথটি প্রায় ২৩০০ কিলোমিটার, কিন্তু মেল / এক্সপ্রেস মর্যাদা পাওয়ার যন্য দুগ্ধ পরিবহণকারী ট্রেনটির সমগ্র যাত্রাপথটি অতিক্রান্ত করতে সময় লাগে মাত্র ৩০ ঘণ্টা!আরও পড়ুনঃ এবছর কী লক্ষ্য স্থির করেছেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণা?দুধ দুরন্ত স্পেশাল ৬ টি দুধের ট্যাঙ্কার দিয়ে সাধারণত চালানো হয়, প্রতিটি দুধের ট্যাঙ্কারের বহন ক্ষমতা ৪০,০০০ লিটার, অর্থাৎ একটি ট্রেনে মোট ২.৪০ লক্ষ লিটার দুধ পরিবহণ করতে পারে। এখনও পর্যন্ত এই বিশেষ ট্রেনের ৪৪৩ বার যাত্রা করে ২,৫০২ টি দুধের ট্যাঙ্কার বহন করে দিল্লি পৌছেছে। এর অর্থ দক্ষিণ মধ্য রেলওয়ের এই বিশেষ উদ্যোগে দশ কোটি লিটারেরও বেশি দুধ রাজধানীতে পৌঁছানো গিয়েছে। দক্ষিণ মধ্য রেলওয়ের গুন্টাকাল ডিভিশনের কর্মকর্তারা মালবাহী গ্রাহকদের সঙ্গে অবিরত যোগাযোগ রেখে চলেছেন, যারা দুধের লোডিং অফার করছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয়তার প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখছেন যাতে এই বিশেষ ট্রেন চলাচলে কোনওরকম বাধা না আসে। এই মহান এবং অভিনব উদ্যোগের শুরু থেকে এই ট্রেনগুলির প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। দেশ জুড়ে যখন কোভিডের পিক চলছে সেই সময়েও এই বিশেষ ট্রেনটিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য। দেশে এই ধরণের উদ্যোগ প্রথম।

আগস্ট ১৩, ২০২১
দেশ

Delta: ডেল্টা প্লাসে মৃত্যু মুম্বইয়ের বৃদ্ধার

টিকার দুটি ডোজের কার্যকারিতায় প্রশ্ন তুলে ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু হল মুম্বইয়ে। গোটা মহারাষ্ট্রে এই নিয়ে দুজন ডেল্টা প্লাসে মারা গেলেন। মুম্বইয়ের স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, গত ২১ জুলাই কোভিড পজিটিভ ধরা বছর তেষট্টির এক মহিলার। ডায়াবিটিস-সহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যাও ছিল তাঁর। মুম্বইয়ে যে সাত জনের দেহে ডেল্টা প্লাস ধরা পড়েছিল, এই মহিলাও তাঁদের মধ্যে ছিলেন। আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণস্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, মহিলার দুটি টিকাই নেওয়া ছিল। গত ২৭ জুলাই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁকে অক্সিজেন সাপোর্ট, স্টেরয়েড এবং রেমডেসিভিরও দেওয়া হয়। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। মহিলার নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। বুধবার সেই রিপোর্ট এসে পৌঁছেছে। মহিলার আরও দুই আত্মীয় ডেল্টা প্লাসে আক্রান্ত বলেও জানা গিয়েছে। এর আগে মহারাষ্ট্রের রত্নগিরিতে এক ৮০ বছরের বৃদ্ধা ডেল্টা প্লাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন।মঙ্গলবারই স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাংবাদিক সম্মেলনে ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ় কন্ট্রোলের প্রধান সুজিত সিং জানান, জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে ৮৬ টি নমুনায় ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্ব মিলেছে। দেশের মধ্যেও ডেল্টা প্লাসে সংক্রমণ সবথেকে বেশি মহারাষ্ট্রেই, সেখানে ৩৪জন ডেল্টা প্লাসে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। এরপরই মধ্যপ্রদেশে ১১ জন ও তামিলনাড়ুতে ১০ জনের নমুনায় এই ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্ব মিলেছে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
দেশ

Police Medal: কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ মেডেল পাচ্ছেন বঙ্গের ৪ পুলিশ অফিসার

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বিশেষ সম্মান প্রদান করা হয়েছে বেঙ্গল পুলিশের চার অফিসারকে। ইউনিয়ন হোম মিনিস্টারস মেডেল ফর এক্সিলেন্স ইন ইনভেস্টিগেশন ২০২১ দেওয়া হয়েছে এসআই সুদীপ কুমার দাস, এসআই কৌশিকব্রত মজুমদার, এসআই সুমন সাধুখাঁ এবং এসআই জীতেন্দ্র প্রসাদ। সারা ভারতে মোট ১৫২ জন পুলিশ অফিসারকে এই বিশেষ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ যোগীরাজ্যেও খেলা হবেঅপরাধমূলক কাজের তদন্তকে স্বীকৃতি দিতেই ২০১৮ সালে এই পুরস্কারের উদ্ধাবন করা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে। যে যে পুলিশ অফিসারেরা এই বিশেষ মেডেল পেয়েছেন তাদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ৪ জন অফিসার ছাড়াও রয়েছেন, সিবিআই-এর ১৫ জন, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্র পুলিশের ১১ জন করে, উত্তরপ্রদেশের ১০ জন পুলিশ অফিসার, কেরল ও রাজস্থানের ৯ জন করে পুলিশ অফিসার, তামিলনাড়ু পুলিশের ৮ জন, বিহার পুলিশের ৭ জন, গুজরাত, কর্নাটক ও দিল্লি পুলিশের ৬ জন করে অফিসার রয়েছেন। এছাড়াও অন্যান্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশ অফিসার রয়েছেন। বিশেষ মেডেল পাওয়ার তালিকায় ২৮ জন মহিলা পুলিশ অফিসার রয়েছেন বলেও এক প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 48
  • ...
  • 68
  • 69
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

৮.৪ ওভারেই পাকিস্তানকে উড়িয়ে ভারত, বোলিংয়ে ঝড়—তবু ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভাবাচ্ছে হরমনপ্রীতদের

দুবাইয়ে পাকিস্তানকে মাত্র ৫৫ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৭ উইকেটে জয় ভারতের। বোলারদের দাপটে ম্যাচ একতরফা হলেও মাত্র ৫৬ রান তাড়া করতে গিয়ে তিন উইকেট হারানোয় প্রশ্ন উঠল ভারতের টপ অর্ডার নিয়ে। নকআউটের আগে এটাই এখন হরমনপ্রীতদের সবচেয়ে বড় চিন্তা।দুবাইয়ের আকাশে তখনও ম্যাচের উত্তাপ। কিন্তু মাঠে পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হওয়ার পরই যেন ফলাফল লেখা হয়ে গিয়েছিল। স্কোরবোর্ডে মাত্র ৫৫। ভারতের সামনে লক্ষ্য ৫৬। ক্রিকেটের হিসাব বলছিল, এই রান তাড়া করতে খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়। শেষ পর্যন্ত হলও তাই।মাত্র ৮.৪ ওভারেই জয় তুলে নিল ভারত। পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপে নিজেদের দাপট আরও একবার প্রতিষ্ঠা করল হরমনপ্রীত কৌরের দল।তবে এই জয় যতটা স্বস্তির, তার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ছোট্ট একটা অস্বস্তি। কারণ, ৫৬ রানের মতো মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতেও ভারতের টপ অর্ডারের তিন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারশেফালি বর্মা, প্রতিকা রাওয়াল এবং স্মৃতি মন্ধানাদ্রুত ফিরে গেলেন। ম্যাচের গুরুত্বের নিরিখে যা হয়তো বড় সমস্যা নয়, কিন্তু নকআউটের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা ভারতকে এই জায়গাটাই ভাবাবে।প্রথম বলেই ছক্কা, তারপরই থেমে গেল শেফালির ঝড়৫৬ রান তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই ছক্কা। শেফালি বর্মা যেন শুরুতেই ঘোষণা করে দিলেনএই ম্যাচকে টেনে নিয়ে যাওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই।কিন্তু সেই ঝড় স্থায়ী হল না।মাত্র ১২ রানেই শেফালিকে ফিরিয়ে দিলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমা সানা। বল হাতে তিন উইকেট নিয়ে তিনিই পাকিস্তানের একমাত্র উল্লেখযোগ্য লড়াইটা উপহার দিলেন।এরপর তিন নম্বরে নেমে প্রতিকা রাওয়ালও ব্যর্থ। জেমাইমা রদ্রিগেজের জায়গায় এখনও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার অপেক্ষায় থাকা প্রতিকা মাত্র ৪ রান করেই ফাতিমার শিকার। একই ওভারে জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে সামান্য উত্তেজনা ফিরিয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক। কিন্তু সেই উত্তেজনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।মন্ধানার আউট নিয়েও রয়ে গেল প্রশ্নআগের ম্যাচে দুর্দান্ত শতরান। ফলে স্মৃতি মন্ধানার দিকে প্রত্যাশার চোখ ছিল স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু এ দিন শুরু থেকেই তাঁকে কিছুটা মন্থর দেখাচ্ছিল।৯ রানেই ফাতিমা সানার বলে আউট হয়ে গেলেন মন্ধানা। যদিও তাঁর আউট নিয়ে বিতর্কের জায়গা থাকল। বলটি লেগ স্টাম্পের বাইরে পড়েছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। কিন্তু এই এশিয়া কাপে ডিআরএস না থাকায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই শেষ কথা।তিন উইকেট পড়ে যাওয়ার পর অবশ্য আর কোনও বিপদ হতে দেননি হরমনপ্রীত ও দীপ্তি শর্মা।অভিজ্ঞতার ভারেই ম্যাচ শেষ করে দিল ভারতের মিডল অর্ডার। হরমনপ্রীত অপরাজিত থাকলেন ১৮ রানে, দীপ্তির অপরাজিত ইনিংস ১২ রানের। আর শেষটা এল অধিনায়কের ছক্কায়।৮.৪ ওভার। ৭ উইকেটের জয়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আরও একটি সহজ সাফল্য।ভারত-পাকিস্তানফারাকটা ক্রমেই স্পষ্টমহিলাদের টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের আধিপত্য যে কতটা একপেশে, এই ম্যাচ তারই আরেকটি উদাহরণ।দুদল এখনও পর্যন্ত ১৮ বার মুখোমুখি হয়েছে। ভারত জিতেছে ১৫ বার, পাকিস্তান তিনবার। এশিয়া কাপে ছবারের সাক্ষাতে এটি ভারতের পঞ্চম জয়। ২০২২ সালে পাকিস্তানের জয়টি এখনও এই ফরম্যাটে ভারতের বিরুদ্ধে তাদের শেষ সাফল্য।অর্থাৎ পরিসংখ্যানের খাতাতেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের দাপট অটুট। কিন্তু এ দিন ভারতের আসল শক্তি ব্যাট হাতে নয়বল হাতে।চার স্পিনার, ৯ উইকেটদুবাইয়ে ঘূর্ণির সামনে অসহায় পাকিস্তানটস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ফাতিমা সানা। পরিকল্পনা ছিল পরিষ্কারস্কোরবোর্ডে বড় রান তুলে ভারতকে চাপে ফেলা।শুরুটাও মন্দ ছিল না। দুই ওপেনার সাবধানে খেলছিলেন। প্রথম উইকেটে ২৭ রানও উঠে গিয়েছিল। তারপরই ম্যাচের চেহারা বদলে গেল।ভারতীয় স্পিনাররা বল হাতে আসতেই পাকিস্তানের ব্যাটিং যেন হঠাৎ পথ হারিয়ে ফেলল। পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে মুনিবা আলিকে ফিরিয়ে শেফালি শুরু করলেন ধসের। তারপর একের পর এক উইকেট।পরের ১৩ ওভারে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন-আপের পতন ছাড়া আর কিছুই দেখা গেল না। দুই ওপেনার বাদে কেউ দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারলেন না। মন্থর উইকেটে ভারতীয় স্পিনের মোকাবিলা করার কোনও উত্তরই যেন ছিল না পাকিস্তানের ব্যাটারদের কাছে। শেষ পর্যন্ত ৫৫ রানেই অল আউট পাকিস্তান।চরণি-রাওয়াতের ঘূর্ণিতে কাঁপল পাকিস্তানভারতের চার স্পিনার মিলে তুলে নিয়েছেন পাকিস্তানের নয়টি উইকেট। বাকি একটি রান আউট।সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন শ্রী চরণি। চার ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে তিন উইকেট। চলতি বছরে টি-টোয়েন্টিতে তাঁর উইকেট সংখ্যা এখন ৩৪। আর দুটি উইকেট পেলেই এক বছরে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সর্বাধিক টি-টোয়েন্টি উইকেটের রেকর্ড তাঁর দখলে চলে আসবে।প্রেমা রাওয়াতও সমান বিধ্বংসী। চার ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে তিন উইকেট।দীপ্তি শর্মা ৫ রান দিয়ে নিয়েছেন দুই উইকেট। শেফালি বর্মার ঝুলিতেও এসেছে একটি উইকেট।অর্থাৎ পাকিস্তানের ১০ উইকেটের মধ্যে নয়টিই ভারতীয় স্পিনের শিকার। এটাই সম্ভবত ম্যাচের সবচেয়ে বড় ছবি।শুধু একটি জায়গাতেই অস্বস্তিবোলিং নিয়ে ভারতের চিন্তার কারণ প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু ফিল্ডিংয়ে একটি ঘটনা নজরে পড়েছে। দুই পেসার ক্রান্তি গৌড় এবং নন্দিনী শর্মার বলে মুনিবা আলির ক্যাচ ফস্কেছেন প্রতিকা রাওয়াল। ক্যাচ দুটি ধরা পড়লে পেসারদের নামের পাশেও উইকেট থাকত।কোচ অমল মুজুমদারের কাছে সেটিও অবশ্যই নোট করার মতো বিষয়।তবে তার থেকেও বড় প্রশ্ন টপ অর্ডার।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরীক্ষা করার সুযোগও কি নষ্ট হল?ম্যাচ যখন কার্যত হাতের মুঠোয়, তখন ভারত চাইলে রিচা ঘোষ বা ভারতী ফুলমালিদের আগে নামিয়ে কিছুটা পরীক্ষা করতে পারত। কম রান তাড়া করার ম্যাচে তাঁদের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া যেত।ভারত অবশ্য সেই পথে হাঁটেনি।জয় এসেছে দ্রুত। কিন্তু নকআউটের আগে এমন ম্যাচেই তো বেঞ্চের শক্তি যাচাই করে নেওয়া যায়।আর এখানেই ভারতের সামনে প্রশ্নটা আরও স্পষ্টবোলিং যদি এতটাই শক্তিশালী হয়, ব্যাটিংয়ের প্রথম সারিও কি একই রকম ধারাবাহিক?নকআউটের আগে সতর্কবার্তাপাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারানোর জয় নিয়ে কোনও সংশয় নেই। বরং ভারতীয় স্পিনাররা যে ভয়ঙ্কর ছন্দে রয়েছেন, তা প্রতিপক্ষের জন্য বড় সতর্কবার্তা।কিন্তু পাকিস্তানের মতো দুর্বল স্কোরের দলের বিরুদ্ধে টপ অর্ডারের ব্যর্থতা ঢাকা পড়ে যায়। বড় ম্যাচে সেই সুযোগ মিলবে না।আজ ৫৬ রান তাড়া করতে গিয়ে তিন উইকেট পড়েছেতবু জয় এসেছে অনায়াসে।কাল যদি লক্ষ্য হয় ১৫০ বা ১৬০, তখন?সেই কারণেই এই জয় ভারতের জন্য নিছক আর একটি জয় নয়। ৫৫ রানে পাকিস্তানকে গুটিয়ে দেওয়া যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়াবে, তেমনই টপ অর্ডারের অনিয়মিত ছন্দ নকআউটের আগে হরমনপ্রীতদের কপালে সামান্য ভাঁজও ফেলবে।দুবাইয়ে পাকিস্তানের রাতটা ছিল দুঃস্বপ্নের। ভারতের কাছে রাতটা ছিল স্বস্তির। কিন্তু সেই স্বস্তির আড়ালেই ভবিষ্যতের বড় ম্যাচের জন্য একটি প্রশ্ন রেখে গেল এই জয়স্পিনাররা পথ দেখাচ্ছেন, এবার কি ব্যাটাররা সেই পথ ধরে শেষ পর্যন্ত হাঁটতে পারবেন?

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

শতবর্ষের মঞ্চে মোদীর মুখে জেন জি-র ভাষা! এসআরসিসির প্রাক্তনীদের নিয়ে বললেন, ‘ওজি’

দেশের অন্যতম পরিচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দিল্লির শ্রীরাম কলেজ অফ কমার্সের শতবর্ষ উদ্যাপনের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শিক্ষক দিবসের দিনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের যুব সমাজের প্রশংসা করার পাশাপাশি এসআরসিসির প্রাক্তনীদেরও বিশেষ ভাবে সম্মান জানান তিনি। তাঁদের প্রশংসা করতে গিয়ে জেন জি-র প্রচলিত ভাষা ব্যবহার করে ওজি শব্দটিও বলেন প্রধানমন্ত্রী।এসআরসিসিতে দীর্ঘ ১৩ বছর পর গেলেন মোদী। এর আগে ২০১৩ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি এই প্রতিষ্ঠানে এসেছিলেন। সেই পুরনো দিনের কথা মনে করিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসআরসিসির যাত্রা শুরু হয়েছিল দরিয়াগঞ্জের একটি ছোট জায়গা থেকে। একশো বছরে সেই প্রতিষ্ঠান এখন বিশাল এক মহীরুহে পরিণত হয়েছে এবং বহু প্রজন্মের পড়ুয়াকে পথ দেখিয়েছে।কলেজের প্রতিষ্ঠাতা শিল্পপতি স্যার শ্রী রামের কথাও স্মরণ করেন মোদী। তিনি বলেন, ১৯২৬ সালে শ্রী রাম এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একশো বছরে এই প্রতিষ্ঠান দেশকে বহু বিদ্বান, প্রশাসক, উদ্যোক্তা এবং নীতিনির্ধারক দিয়েছে। আগামী ২৫ বছরে বিকশিত ভারতের যাত্রাতেও এসআরসিসির পড়ুয়ারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।এর পরেই এসআরসিসির প্রাক্তনীদের কৃতিত্বের কথা বলতে গিয়ে জেন জি-র পরিচিত শব্দ ব্যবহার করেন মোদী। তিনি বলেন, তরুণদের ভাষায় এসআরসিসির প্রাক্তনীরাই আসল ওজি। তাঁদের সাফল্য শুধু দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেও তাঁরা প্রতিষ্ঠানের গৌরব বাড়িয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।অনুষ্ঠানে দেশের যুব সমাজের সঙ্গে সরাসরি মত বিনিময়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। মোদী বলেন, তিনি তরুণদের স্বপ্ন, তাঁদের সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁদের নিজেদের মুখ থেকে শুনতে চান। সেই লক্ষ্যেই বিজেপির তরফে জেন জি-র সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে নতুন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।এসআরসিসির অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে মেট্রোয় সফর করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময় তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁর কথাও হয়। ফলে একই দিনে মেট্রো থেকে শুরু করে এসআরসিসির মঞ্চদুই জায়গাতেই যুব সমাজের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর যোগাযোগ নিয়ে বিশেষ নজর পড়ে।এসআরসিসির শতবর্ষ উপলক্ষে এর আগেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এপ্রিল মাসে কলেজের শতবর্ষ স্মরণে একটি বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এ দিনের অনুষ্ঠানে এসআরসিসিকে জাতীয় কর্পোরেট পরিচালন কেন্দ্রের মর্যাদা পাওয়ার জন্যও অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এই স্বীকৃতি পাওয়া একমাত্র কলেজ এসআরসিসি। শতবর্ষের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি, যুব সমাজ নিয়ে তাঁর বক্তব্য এবং প্রাক্তনীদের ওজি বলে প্রশংসাসব মিলিয়ে এ দিনের অনুষ্ঠান বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ থামাতে মস্কোয় ট্রাম্পের দুই দূত! তার মধ্যেই তিন দিনের জন্য হামলা বন্ধ করল রাশিয়া

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে ফের তৎপর আমেরিকা। সেই লক্ষ্যেই শনিবার মস্কোয় পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জারেড কুশনার। তাঁদের সফরের মধ্যেই বড় ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আগামী তিন দিন ইউক্রেনে কোনও হামলা চালানো হবে না বলে জানিয়েছে মস্কো।রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে প্রায় চার বছর ধরে যুদ্ধ চলছে। দীর্ঘ এই সংঘাত থামাতে আন্তর্জাতিক মহল থেকে বার বার আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পথে বড় কোনও সমাধান হয়নি। এই পরিস্থিতিতেই ফের আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা শুরু করেছে আমেরিকা।এর আগে যুদ্ধবিরতির জন্য একাধিক বার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু সেই উদ্যোগের পরেও রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা বন্ধ হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের বিশেষ দূতদের মস্কো সফরকে নতুন করে শান্তি আলোচনার উদ্যোগ হিসাবেই দেখা হচ্ছে।শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, মার্কিন দূতেরা রাশিয়া সফরে থাকাকালীন কিয়েভের তরফে কোনও বিমান হামলা চালানো হবে না। একই সঙ্গে মস্কোকেও একই পদক্ষেপ করার আহ্বান জানান তিনি। জেলেনস্কি বলেন, আলোচনা এবং মার্কিন দূতদের সফর সুষ্ঠু ভাবে চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া উচিত।এর পরেই শনিবার রাশিয়ার তরফে তিন দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করা হয়। পুতিনের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে নতুন করে যুদ্ধ থামার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই তিন দিনের বিরতি স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে পরিণত হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।জানা গিয়েছে, স্থায়ী ভাবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার লক্ষ্যে একটি মার্কিন প্রস্তাব নিয়ে মস্কোয় গিয়েছেন স্টিভ উইটকফ এবং জারেড কুশনার। সেই প্রস্তাবে ঠিক কী রয়েছে, তা এখনও প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। তবে এই সফরকে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।মস্কোয় রুশ প্রেসিডেন্ট এবং শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনার পর আগামী রবিবার কিয়েভে যাওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন দূতদের। সেখানে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হওয়ার কথা। ফলে মস্কো এবং কিয়েভদুই জায়গাতেই আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ থামানোর পথ খোঁজা হচ্ছে।তবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসার আগেও ইউক্রেনে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। শুক্রবার কিয়েভের নিরাপত্তা পরিষেবার সদর দফতর-সহ ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে মস্কোর বিরুদ্ধে। পাল্টা রাশিয়ার ভূখণ্ডেও দূরপাল্লার ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন।এই পরিস্থিতিতে পুতিনের তিন দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই বিরতি কতটা কার্যকর হয় এবং এর পর রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা কতটা এগোয়, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

পহেলগাঁওয়ের সেই হামলার নেপথ্যে কে? কাশ্মীরে সেনার গুলিতে লস্কর কমান্ডার ইয়াসিরের মৃত্যু

পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার স্মৃতি এখনও দেশবাসীর মনে তাজা। এর মধ্যেই জম্মু ও কাশ্মীরে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে লস্কর-ই-তইবার কমান্ডার ইয়াসির নিহত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পহেলগাঁও হামলার অন্যতম চক্রী হিসেবে তার নাম উঠে এসেছিল বলেও দাবি করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, কাশ্মীরের বুদগাম জেলায় ইয়াসিরের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়েছিলেন নিরাপত্তাবাহিনীর গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার ইউসমার্গের জঙ্গলঘেরা পাহাড়ি এলাকায় যৌথ অভিযান শুরু করে সেনার বিশেষ বাহিনী এবং ৫৩ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস।তল্লাশি অভিযান চলাকালীন নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে ইয়াসিরের গুলির লড়াই শুরু হয় বলে জানা গিয়েছে। নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে ইয়াসির গুলি চালায় বলে সূত্রের দাবি। পাল্টা জবাব দেয় সেনাও। বেশ কিছুক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর ইয়াসির নিহত হয় বলে খবর।সূত্রের আরও দাবি, পহেলগাঁও হামলার মূলচক্রী হিসেবে পরিচিত সুলেমান মুসার গোষ্ঠীর সঙ্গে ইয়াসিরের যোগাযোগ ছিল। সে ওই গোষ্ঠীর সদস্যও ছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে প্রায় এক বছর আগে সেই গোষ্ঠী থেকে বেরিয়ে যায় ইয়াসির। এরপর আলাদা ভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।দীর্ঘদিন ধরেই ইয়াসির নিরাপত্তাবাহিনী ও গোয়েন্দাদের নজরে ছিল বলে সূত্রের খবর। তার গতিবিধি এবং যোগাযোগের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত বুদগামের জঙ্গলঘেরা এলাকায় অভিযানে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ইয়াসিরের সঙ্গে আর কার কার যোগাযোগ ছিল, তার নেটওয়ার্ক কতটা ছড়িয়েছিল এবং পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে তার ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তার যোগাযোগের সূত্র ধরে আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।এর আগে গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরে সেনার অভিযানে তিন জঙ্গি নিহত হয়েছিল বলে জানা যায়। নিহতদের মধ্যে সুলেমান মুসা এবং তার দুই সঙ্গী ছিল বলে সূত্রের খবর। পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে ওই জঙ্গিদের যোগ থাকার অভিযোগও উঠেছিল।ইয়াসিরের মৃত্যুর পর পহেলগাঁও হামলার তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে। তার যোগাযোগ এবং জঙ্গি নেটওয়ার্ক নিয়ে তদন্ত এগোলে হামলার নেপথ্যের আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
শিক্ষা

‘শিক্ষাষ্টকম্’ মডেলের জাতীয় স্বীকৃতি, জাতীয় সম্মানে সম্মানিত পূর্ব বর্ধমানের জেলা শিক্ষা আধিকারিক

আনন্দ, সৃজনশীলতা আর সামগ্রিক বিকাশবিদ্যালয় শিক্ষার এই নতুন ভাবনাই এবার পেল জাতীয় স্বীকৃতি। পূর্ব বর্ধমানের জেলা শিক্ষা আধিকারিক পৌষালী চক্রবর্তীর পরিকল্পিত শিক্ষাষ্টকম্ মডেল জাতীয় স্তরে পুরস্কৃত হল। বিদ্যালয়কে শুধু পুঁথিগত শিক্ষার জায়গা না রেখে শিশুদের আনন্দ, সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার এই উদ্যোগই এনে দিল এই বিশেষ সম্মান।৩ সেপ্টেম্বর দিল্লির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশন প্ল্যানিং অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এর সভাগৃহে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পৌষালী চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয় পুরস্কার ও শংসাপত্র। পূর্ব বর্ধমানের শিক্ষাক্ষেত্রে এই স্বীকৃতিকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।শিক্ষাষ্টকম্ মডেলের মূল ভাবনা হলবিদ্যালয়ের সঙ্গে পড়ুয়াদের সম্পর্ককে আরও নিবিড় করে তোলা এবং শিক্ষার পরিবেশকে এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে কোনও পড়ুয়া মাঝপথে স্কুলছুট না হয়। দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার প্রবণতা কমানো এবং বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলাও এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।এই মডেলটি গড়ে উঠেছে আটটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভের ওপর। ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রয়েছে পরিবেশ সচেতনতা, ডিজিটাল শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন বা স্কিলিং, শিক্ষাগত সহায়তা, স্বাস্থ্য এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা। অর্থাৎ, শুধুমাত্র পরীক্ষার ফল নয়একজন পড়ুয়ার সার্বিক বিকাশকেই এখানে শিক্ষার মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখা হয়েছে।এই মডেলের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের পরিসরে এমন একটি পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে, যেখানে পড়ুয়ারা নিজেদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পাবে, আনন্দের সঙ্গে শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দক্ষতা অর্জন করতে পারবে। একইসঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সামাজিক সচেতনতার যোগসূত্রও তৈরি করছে শিক্ষাষ্টকম্।জাতীয় স্বীকৃতি পাওয়ার পর পৌষালী চক্রবর্তীর বক্তব্যেও উঠে এসেছে এই উদ্যোগের নেপথ্যে থাকা সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথা। তিনি বলেন, জেলাশাসকের সহযোগিতা না পেলে এই পুরস্কার আমরা পেতাম না। বিদ্যালয় পরিদর্শক থেকে শিক্ষকরা সবাই সঙ্গ দিয়েছেন। তাই এই পুরস্কার সবার সঙ্গেই ভাগ করে নিয়েছি।তবে জাতীয় সম্মানের আনন্দের মধ্যেও তাঁর নজর রয়েছে আরও বড় লক্ষ্যের দিকে। বিশেষ করে বাল্যবিবাহ রোধের ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও এখনও যে পথ অনেকটা বাকি, তা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, বাল্যবিবাহ রোধ করতে পেরেছি অনেকটা। পুরোটা তো পারিনি। চেষ্টা করব আগামীতে শূন্য বাল্যবিবাহ করার জন্য।একদিকে স্কুলছুট রোধ, অন্যদিকে পড়ুয়াদের বিদ্যালয়মুখী করে তোলা, তাদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতার বিকাশ এবং সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সচেতনতাএই সমস্ত লক্ষ্যকে একসূত্রে বেঁধেছে শিক্ষাষ্টকম্। আর সেই ভাবনাই এবার দিল্লির মঞ্চে পেল জাতীয় স্বীকৃতি। পূর্ব বর্ধমানের শিক্ষা ব্যবস্থায় এই সম্মান তাই শুধু একজন আধিকারিকের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং শিক্ষক, বিদ্যালয় পরিদর্শক, প্রশাসন এবং পড়ুয়াদের সম্মিলিত প্রয়াসেরও স্বীকৃতি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

এক মাসে ৮৯ শিশুর মৃত্যু! মালদহ মেডিক্যালে বড় পদক্ষেপ, সরানো হল হাসপাতালের সুপারকে

মালদহ মেডিক্যাল কলেজে একের পর এক শিশুমৃত্যুর ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য দপ্তর। বিশেষজ্ঞ তদন্ত কমিটির রিপোর্ট সামনে আসার পর হাসপাতালের সুপার তথা এমএসভিপি প্রসেনজিৎ বরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি, প্রতিটি শিশুর মৃত্যুর কারণ আলাদা ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কয়েক দিন আগে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। এক দিনে ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর সামনে আসে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সরকারি হাসপাতালে কী ভাবে এত শিশুর মৃত্যু হল।এর পরেই স্বাস্থ্যভবনের তরফে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যায়। তদন্তের পরে তৈরি করা রিপোর্টে এক মাসে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ৮৯ বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।বিশেষজ্ঞ দলের চেয়ারম্যান প্রলয় আচার্য জানিয়েছিলেন, শিশুমৃত্যুর পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তদন্তে অপুষ্টিকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জন্মের পর শ্বাসকষ্ট, হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা, জন্ডিস এবং কম ওজন নিয়ে জন্মানো শিশুদের মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে।বিশেষজ্ঞ দলের তরফে জানানো হয়েছিল, শিশুমৃত্যুর সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করা হবে। সেই রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পরেই এবার স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে পদক্ষেপ করা হল।শিশুমৃত্যুর প্রতিটি ঘটনা আলাদা ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর। কোন শিশুর কী শারীরিক সমস্যা ছিল, হাসপাতালে কখন ভর্তি করা হয়েছিল এবং চিকিৎসার সময় কী পরিস্থিতি ছিল, সেই সমস্ত বিষয় তদন্তের আওতায় রয়েছে।মালদহ মেডিক্যাল কলেজে এক মাসে এত শিশুমৃত্যুর তথ্য সামনে আসার পরেই হাসপাতালের পরিষেবা ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে বিশেষজ্ঞদের রিপোর্টে একাধিক চিকিৎসাগত ও শারীরিক কারণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।এখন প্রতিটি শিশুর মৃত্যুর পৃথক তদন্ত শেষ হওয়ার পরেই গোটা পরিস্থিতির আরও স্পষ্ট ছবি সামনে আসবে। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেও নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

নিউ ফরাক্কায় রেললাইনে ধস, আরও বড় বিপদ সামনে? গঙ্গা-পদ্মা মিশে গেলে মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে বহু এলাকা!

নিউ ফরাক্কায় রেললাইনে ধসের জেরে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রেল যোগাযোগ কার্যত ব্যাহত। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মেরামতের কাজ চলছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আজকের মধ্যেই রেললাইনের কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এই ধসের ঘটনায় শুধু রেল যোগাযোগ নয়, ফরাক্কার ভাঙন নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।নিউ ফরাক্কা রেলস্টেশনের কাছে রেললাইনের এক দিকে রয়েছে ভাগীরথী বা হুগলি নদীর প্রবাহ, অন্য দিকে রয়েছে গঙ্গার মূল স্রোত বা পদ্মার দিক। স্থানীয় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের জায়গা হল, এই দুই জলধারার মধ্যের স্থলভাগের দূরত্ব এখন প্রায় দেড় কিলোমিটার বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।নদীভাঙন আরও বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে এই স্থলভাগের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনকি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে গঙ্গা ও পদ্মার জলধারা একে অপরের সঙ্গে মিশে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও দাবি বিশেষজ্ঞের।নদী বিশেষজ্ঞ কৌশিক চক্রবর্তীর দাবি, ফরাক্কা বাঁধ তৈরি হওয়ার পর থেকেই নদীর জলপ্রবাহ এবং চর তৈরির ক্ষেত্রে নানা পরিবর্তন দেখা যায়। তাঁর মতে, জল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বাংলাদেশে জল সরবরাহ এবং ১৯৯৬ সালের জলচুক্তির পর পরিস্থিতির পরিবর্তন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, এরপর নদীর গতিপথে চর তৈরি হওয়া এবং নীচের দিকে জলপ্রবাহ কমে যাওয়ার মতো পরিবর্তন দেখা যায়। কয়েক বছর পর থেকেই ভাঙন ভয়াবহ আকার নেয়।নিউ ফরাক্কার কাছে ভাঙন আরও বাড়লে তার প্রভাব শুধু রেললাইনের উপরেই পড়বে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের মধ্যে রেল ও সড়ক যোগাযোগও দীর্ঘ সময়ের জন্য ব্যাহত হতে পারে। ধুলিয়ান, বল্লারপুরের মতো এলাকাও বড় বিপদের মুখে পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞের দাবি।রেললাইন মেরামত করে যোগাযোগ স্বাভাবিক করা সম্ভব হলেও নদীভাঙন ঠেকানো না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। কারণ নদীভাঙনের জেরে বসতি, রাস্তা, রেলপথ এবং চাষের জমি একসঙ্গে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।গঙ্গা ও পদ্মার জলধারা সত্যিই এক জায়গায় মিশে যাবে কি না, তা নিয়ে অবশ্যই আরও বিস্তারিত সমীক্ষা ও বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। তবে নিউ ফরাক্কার কাছে নদীভাঙনের বর্তমান পরিস্থিতি যে উদ্বেগের, সে বিষয়ে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।কৌশিক চক্রবর্তীর দাবি, ভাঙন নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ভবিষ্যতে ওই এলাকার ভৌগোলিক চরিত্রে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তাঁর মতে, পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্রে পরিবর্তন হলে তার প্রভাব শুধু জমি বা নদীর উপর সীমাবদ্ধ থাকবে না, সরাসরি অর্থনীতিতেও পড়তে পারে।ফলে নিউ ফরাক্কার রেললাইন মেরামত হয়ে গেলেই যে গোটা সমস্যা মিটে যাচ্ছে, তা নয়। আপাতত সবচেয়ে বড় প্রশ্ন নদীভাঙন কী ভাবে ঠেকানো হবে এবং গঙ্গা-পদ্মার মাঝের বিস্তীর্ণ স্থলভাগকে কী ভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে। এই প্রশ্নের উত্তরেই নির্ভর করছে আগামী দিনের পরিস্থিতি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

চার বছর পর ফের অন্ধকারের আশঙ্কা? কয়লার মজুত তলানিতে, উৎসবের মরশুমে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা

চার বছর বাদে ফের কি বড় বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে দেশে? কয়লার সরবরাহে সমস্যা এবং বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দেশের একাধিক বড় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বর্তমানে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম কয়লা মজুত রয়েছে বলে খবর।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২ সেপ্টেম্বরের হিসাব বলছে, দেশের ৫০টি বড় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরকার নির্ধারিত সীমার মাত্র ৪৮ শতাংশ কয়লা মজুত রয়েছে। এই পরিমাণ কয়লায় বড়জোর ৯ দিন বিদ্যুৎ উৎপাদন চালানো সম্ভব বলে জানা গিয়েছে। ফলে কয়লার সরবরাহ দ্রুত না বাড়লে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার ঘাটতির পিছনে মূলত দুটি কারণ রয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রথমত, আগস্ট মাসে প্রবল গরমের কারণে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে উৎসবের মরশুম শুরু হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়তে পারে।দ্বিতীয়ত, বর্ষার কারণে কয়লা উত্তোলন এবং সরবরাহে সমস্যা হয়েছে। এর ফলে দেশের সবচেয়ে বড় ৫০টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার মজুত কমেছে বলে খবর। বর্তমানে ওই কেন্দ্রগুলিতে প্রায় ২ কোটি ৮২ লক্ষ টন কয়লা রয়েছে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী মজুত থাকার কথা প্রায় ৫ কোটি ৮৭ লক্ষ টন। অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় মজুত অনেকটাই কম।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত কয়লার সরবরাহ না বাড়ানো হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শেষ বার ২০২২ সালে দেশে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে গিয়েছিল। এবার সেপ্টেম্বরে উৎসবের মরশুমে চাহিদা আরও বাড়লে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কয়লার গুরুত্বও অত্যন্ত বেশি। মোট জ্বালানির প্রায় ৭০ শতাংশই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে আসে বলে জানা যায়। ফলে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লার সরবরাহ ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি। কয়লার জোগানে দীর্ঘ সময় সমস্যা হলে তার প্রভাব সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপর পড়তে পারে।তবে এখনই দেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে বলে মানতে চাইছে না কয়লা মন্ত্রক। মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকদের দাবি, দেশের গুরুত্বপূর্ণ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লা সরবরাহের উপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য আন্তঃমন্ত্রক বিশেষজ্ঞ দলও কাজ করছে।প্রয়োজনে কয়লা আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর কথাও ভাবা হচ্ছে বলে মন্ত্রক সূত্রে খবর। উৎসবের মরশুমে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লে যাতে সরবরাহে বড় কোনও সমস্যা না হয়, সে জন্য আগেভাগেই পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।তবে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে কয়লার মজুত কম থাকা এবং সামনে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনাএই দুই বিষয় একসঙ্গে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে। এখন দ্রুত কয়লার জোগান বাড়ানো যায় কি না, তার উপরই অনেকটাই নির্ভর করছে আগামী দিনের পরিস্থিতি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal